রাষ্ট্রপতি
দেশের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান, শপথ নিলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরাও
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ শুরু হয়। তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ত্রয়োদশ সংসদ নেতা তারেক রহমান। শপথ শেষে করমর্দনের মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপতি। এ সময় উপস্থিত সবাই হাততালি দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান।
শপথ গ্রহণের পর শপথপত্রে স্বাক্ষর করে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত আসন গ্রহণ করেন তারেক রহমান।
এরপর মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি। ত্রয়োদশ সংসদের মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান, আবদুল আওয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মো. আমিনুর রশিদ আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আসাদুল হাবীব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দিপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম ও শেখ রবিউল আলম।
মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ ও শপথপত্রে স্বাক্ষর শেষ হওয়ার পর আসে প্রতিমন্ত্রীদের পালা। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম শপথ নেন।
৪ দিন আগে
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সংবিধান অনুযায়ী নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের রাষ্ট্রপতি শপথ পড়াবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব রয়েছেন আওয়ামী লীগ আমলে নিয়োগ পাওয়া মো. সাহাবুদ্দিন। নতুন মন্ত্রিসভার শপথের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তুতি আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন জানতে চাইলে সাংবাদিকদের শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই পড়াবেন।’ নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের জন্য কমবেশি এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে বলেও এ সময় জানান তিনি।
মন্ত্রিসভার সদস্য কতজন হবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেটা নির্ভর করে যিনি সংসদ নেতা, যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, তার ওপর; এটা তার ইচ্ছা। উনি কতজনকে মন্ত্রী হিসেবে এখন দেখতে চান বা পরে দেখতে চান।’
মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ ১৭ তারিখ না ১৮ তারিখ, কোন দিন ধরে কাজ করছেন—প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটা তো বলতে পারছি না। বললাম তো, যদি আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয় বা ইঙ্গিতও দেওয়া হয় যে অমুক তারিখে অমুক সময়ে হবে, আমরা সেই মোতাবেক কাজ করব। সেটা কালকে হলেও কালকে কাজ করতে হবে। দুই দিন পরে হলে দুই দিন পরের জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। জানার পরে সেটা বলতে পারব, তার আগে কোনো তারিখ না।
৭ দিন আগে
খালেদা জিয়ার আপসহীন ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে: রাষ্ট্রপতি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক বার্তায় রাষ্ট্রপতি এ শোক জ্ঞাপন করেন।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার আপসহীন ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতির মুহূর্তে আমি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গ ও অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, দেশবাসীকে মরহুমার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে তার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার আহ্বান জানাচ্ছি।
রাজনীতিতে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়া আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থতায় ভোগা দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রয়াণে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে দেওয়া বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারাল। তার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
৫৩ দিন আগে
বঙ্গভবনে বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন রাষ্ট্রপতি
খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিনে খ্রিষ্টান ধর্মের বিশিষ্ট ব্যক্তি, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বঙ্গভবনে তিনি এই শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বলে বঙ্গভবনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি দেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়সহ বিশ্ববাসীর প্রতি বড়দিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানান। জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে এ দেশের মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চিরকাল অটুট ও অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান জানান তিনি।
৫৮ দিন আগে
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে রাষ্ট্রপতির উদ্বেগ প্রকাশ
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতির খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ সাগর হোসেনের গণমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেছেন, গণতন্ত্র উত্তরণের এই সন্ধিক্ষণে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। মহান আল্লাহর নিকট তার সুস্থতা এবং একই সঙ্গে দেশবাসীর কাছে তার জন্য দোয়া প্রার্থনা করি।
এর আগে, গতকাল (শুক্রবার) বিএনপি চেয়ারপারসনের সংকটাপন্ন অবস্থার খবর শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনিও বেগম জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, তিনি নিয়মিতভাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন। বিএনপি চেয়ারপারসের চিকিৎসায় সরকার সবধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।
মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে গত ২৩ নভেম্বর রাতে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা করে খালেদা জিয়ার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে। আগে থেকেই থাকা হৃদরোগের সঙ্গে এই সংক্রমণ ফুসফুস পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ায় তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। বর্তমানে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা সিসিইউতে তার চিকিৎসা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে, মায়ের অসুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও।
৮৪ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের কাছে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইসলামিক প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বঙ্গভবনে আয়োজিত এক সৌহার্দপূর্ণ অনুষ্ঠানে তিনি তার পরিচয়পত্র পেশ করেন।
সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতি এবং বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে পাকিস্তানের নেতৃত্ব ও জনগণের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানান।
তিনি বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক অভিন্ন ইতিহাস, অভিন্ন বিশ্বাস এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনের উপর গভীরভাবে প্রোথিত। পাকিস্তান পারস্পরিক স্বার্থের ক্ষেত্রে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার বন্ধন আরও জোরদার করতে আগ্রহী বলে জোর দেন এই কূটনীতিক।
পড়ুন: প্রধান বিচারপতির সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সাক্ষাৎ
হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তাকে নিয়োগ পাওয়ার জন্য অভিনন্দন জানান এবং কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনে পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস দেন। তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনে হাইকমিশনারের সফলতা কামনা করেন।
১৮৬ দিন আগে
খসড়া অর্ডিন্যান্স: কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গভর্নর নিয়োগ দেবে রাষ্ট্রপতি, বাড়বে মেয়াদ
বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২-এ বড় পরিবর্তন এনে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডিন্যান্সের (অ্যামেন্ডমেন্ট) খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে গভর্নরের নিয়োগ রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে এবং মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১১ আগস্ট) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালক পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অর্ডিন্যান্সের খসড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন বৃদ্ধির দিকে নজর দিয়ে গভর্নর নিয়োগ এবং মেয়াদে পরিবর্তন আনা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ অনুযায়ী, সরকার যোগ্য ব্যক্তিকে গভর্নর এবং এক বা একাধিক ডেপুটি গভর্নর নিয়োগ দেয়ার ক্ষমতা রাখে। মন্ত্রিপরিষদশাসিত সরকারের এ ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
পড়ুন: আগামী নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের জন্য আলাদা বুথ থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা জানান, এতদিন প্রধানমন্ত্রী চাইলে রাষ্ট্রপতির অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই গভর্নর নিয়োগ দিতে পারতেন। খসড়া অর্ডিন্যান্সে গভর্নর নিয়োগের ক্ষমতা পাবেন রাষ্ট্রপতি। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে গভর্নর নিয়োগ দিবেন। এছাড়া গভর্নর নিয়োগে সংসদের সম্মতির বিষয়টিও যুক্ত করা হচ্ছে।
এর বাইরে পরিবর্তনের প্রস্তাব এসেছে গভর্নর ও ডেপুটি গভর্নরের শপথ প্রক্রিয়া এবং পদমর্যাদা বৃদ্ধি নিয়েও। ‘৭২ সালের ব্যাংক আইন অনুযায়ী, গভর্নরের বর্তমান মেয়াদ ৪ বছর হলেও এটি বাড়িয়ে ৬ বছর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে খসড়ায়।
ব্যাংক আইন পরিবর্তন প্রসঙ্গে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিতে ব্যাংক আইনে বড় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন বলেন, অর্ডিন্যান্সের খসড়া প্রস্তুত হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত কোন কোন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত করা হবে তা অর্ডিন্যান্স জারির পরেই জানা যাবে।
১৯৪ দিন আগে
রাষ্ট্রপতিকে স্পিকারের শপথ পড়ানোর বৈধতার প্রশ্নে রুল শুনানি ৭ জুলাই
প্রধান বিচারপতির পরিবর্তে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে দিয়ে রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াতে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর বিধান কেন ’৭২ এর সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে জারি করা রুল শুনানির জন্য আগামী ৭ জুলাই দিন ঠিক করেছেন হাইকোর্ট।
কবি, গীতিকার, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট শহীদুল্লাহ ফরায়জীর করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট গত ১১ মার্চ এই রুল জারি করেছিলেন।
সোমবার (২৩ জুন) বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানির দিন নির্ধারণ করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর ফারুক। এর আগে ১০ মার্চ শহীদুল্লাহ ফরায়জী এ রিট দায়ের করেন।
প্রধান বিচারপতিকে দিয়ে রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ানোর বিধান পরিবর্তন করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে দিয়ে শপথ পড়ানোর বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর ফারুক বলেন, প্রথম থেকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি একজন আরেকজনকে শপথ পড়াতেন। সেটি চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে স্পিকারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ৫ম সংশোধনীতে সেটা বাতিল করে প্রধান বিচারপতির কাছে আনা হয়। অর্থাৎ রাষ্ট্রপতিকে প্রধান বিচারপতি শপথ পড়াতেন। কিন্তু ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীতে আবার স্পিকারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেটি চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। রিট আবেদেনে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘রাষ্ট্রপতির শপথে প্রধান বিচারপতির অনিবার্যতা’ শীর্ষক প্রকাশিত একটি কলামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যেটি লিখেছেন রিটকারী শহীদুল্লাহ ফরায়জী।
পড়ুন: জুলাই আন্দোলন নিয়ে চলচ্চিত্র ‘দ্য রিমান্ড’ প্রদর্শনীর অনুমতি দিতে নির্দেশ হাইকোর্টের
ওই কলামের একটি অংশে বলা হয়, বিশ্বের অধিকাংশ দেশে রাষ্ট্রপতি বা প্রেসিডেন্টকে শপথ বাক্য পাঠ করান সেই দেশের প্রধান বিচারপতি। সংসদীয় সরকার পদ্ধতি বা রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির দেশেও রাষ্ট্রপতি শপথ গ্রহণ করেন প্রধান বিচারপতির নিকট। এটা বিশ্বব্যাপী সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত ও প্রতিষ্ঠিত রেওয়াজ। কিন্তু বাংলাদেশে এর ব্যত্যয় দেখা যাচ্ছে। আমাদের দেশের রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার। রাষ্ট্রের প্রধানের শপথ গ্রহণের ক্ষেত্রে বিচার বিভাগকে উপেক্ষা করা প্রকারান্তরে রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ভারসাম্য বিনষ্ট করা। এতে সংবিধানের গভীর দার্শনিক ভিত্তি থেকে রাষ্ট্র বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সেই দার্শনিক ভিত্তি হচ্ছে রাষ্ট্রপতি সংসদের নির্বাচিত হয়ে প্রধান বিচারপতির নিকট শপথ গ্রহণ করে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন—এটাই হচ্ছে প্রজাতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য সাংবিধানিক নির্দেশনা। রাষ্ট্রপতির প্রধান বিচারপতির নিকট শপথবাক্য পাঠ করার এই বাধ্যবাধকতা এবং মহিমান্বিত সাংবিধানিক মর্যাদা প্রজাতন্ত্রের কেউ বিনষ্ট করতে পারেন না, কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার তা করেছে।
সংবিধানের চতুর্থ ও পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই আইন বলবৎ করা হয়েছে, যা প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে চরমভাবে সাংঘর্ষিক। এটা আইন ও বিচারবিভাগের প্রতি ছিল আওয়ামী সরকারের অসম্ভব বিদ্বেষমূলক আচরণ প্রকাশের নজির— যা সাংবিধানিক ন্যায্যতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। ‘৭২ সালের সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য ও প্রধান বিচারপতির মর্যাদা সুরক্ষার প্রশ্নে শপথ ও ঘোষণার তৃতীয় তফসিলে বলা হয়েছিলো— ‘রাষ্ট্রপতি, স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকারের শপথ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক পরিচালিত হইবে।’ এগুলো আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের সঙ্গে বিচারবিভাগের ভারসাম্যপূর্ণ নীতি—যা সংবিধান প্রণয়নের সময়ই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত।
১৯৭২ সালের সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য এবং চরিত্র যতটুকু সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিলো, আওয়ামী লীগ অতি দ্রুত তা ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রকে আওয়ামী লীগ নামক দলটি কীভাবে দেখতে চায়— তার প্রতিফলন ঘটেছে তাদের আনীত সংবিধানের চতুর্থ ও পঞ্চদশ সংশোধনীতে। রাষ্ট্রপতির শপথ স্পিকারের নিকট; এমন দেশ খুঁজে পাওয়াও দুষ্কর। বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য পুনরুদ্ধারে— রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শপথ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক পরিচালিত হবে, এ বিধান বাংলাদেশে আবার চালু বা পুনর্বহাল করতে হবে। প্রজাতন্ত্রের গণতান্ত্রিক ও শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিকাশের স্বার্থেই তা করা প্রয়োজন।
২৪৩ দিন আগে
সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের বিদেশ যাওয়া তদন্তে কমিটি গঠন
সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে তদন্তে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। রবিবার (১১ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরারকে সভাপতি করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
কমিটির বাকি অন্য সদস্যরা হলেন- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
যে বিষয়গুলো তদন্ত করবে কমিটি
সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর দিয়ে কীভাবে বিদেশ গেছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর দায়িত্বের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার ব্যত্যয় ও গাফিলতির ঘটনা ঘটেছে কিনা, কারা কোন দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন—তা নির্ধারণ করা এবং সেক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়— সে সম্পর্কে সুপারিশ করবে তদন্ত কমিটি।
আরও পড়ুন: বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ
তদন্তকাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কমিটি প্রয়োজনীয় সব দলিলপত্র, যন্ত্রপাতি, সাক্ষ্য-প্রমাণ চাইতে পারবে ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার নিতে পারবে। সেক্ষেত্রে সব সংস্থা কমিটি দেওয়া নির্দেশানাগুলো মেনে চলবে ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বাধ্য থাকবে।
কমিটি চাইলে সদস্য বাড়াতে পারবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।
উল্লেখ্য, গত ৭ মে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশ ত্যাগ করেন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দুই মেয়াদের সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ।
২৮৬ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আপিল বিভাগের নতুন দুই বিচারপতির সাক্ষাৎ
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নবনিযুক্ত বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এই দুই বিচারপতি। এ সময় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে তাদের প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
এর আগে, গত ২৪ মার্চ হাইকোর্ট বিভাগের এই দুই বিচারপতিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত করেন রাষ্ট্রপতি।
সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের সুপারিশে প্রধান বিচারপতির পরামর্শে তাদের নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।
নিয়োগের পরদিন (২৫ মার্চ) প্রধান বিচারপতির কাছে শপথ গ্রহণ করেন বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।
আরও পড়ুন: আপিল বিভাগে দুই বিচারপতির নিয়োগ
৩২৩ দিন আগে