রমজান
রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকবে ৬ ঘণ্টা
পবিত্র রমজান মাসে বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের বাড়তি চাহিদা মোকাবিলা এবং নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সারা দেশে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। রমজানে ৬ ঘন্টা সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখতে হবে। একইসঙ্গে ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সিএনজি ও ফিলিং স্টেশন সার্বক্ষণিক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
চিঠিতে বলা হয়, প্রথম রমজান থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকবে বিকেল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত। অর্থাৎ টানা ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে স্টেশনগুলো। আগে এই সময়সূচি ছিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৫ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত দেশের সব সিএনজি ও ফিলিং স্টেশন সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে।
আগামী ২৬ মার্চ থেকে আবার আগের নিয়মে ফিরে যাবে সময়সূচি। তখন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকবে।
এই উদ্যোগের ফলে একইসঙ্গে মহাসড়কে যাত্রীবাহী যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং জ্বালানি সংকট এড়ানো সহজ হবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়।
১ দিন আগে
রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখার মতো পর্যাপ্ত মজুত আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখার মতো পর্যাপ্ত খাদ্যপণ্য মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর দাম স্থিতিশীল রাখা। বিশেষ করে রমজান মাসে এ দায়িত্বের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। আমরা যখন দায়িত্ব নিয়েছি, তখন রোজা সামনে রেখে বিশেষ কিছু করার সুযোগ ছিল না। তবে ইতিবাচক দিক হচ্ছে, আমাদের হাতে যে পরিমাণ খাদ্য মজুত রয়েছে, তা বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য পর্যাপ্ত।
সিলেট নিয়ে পরিকল্পনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা আমি দীর্ঘ নির্বাচনি প্রচারণা ও ইশতেহারে উল্লেখ করেছি। যেসব বিষয় সিলেটবাসীর জীবনমান উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত, সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইটি-সংশ্লিষ্ট পেশার প্রসার এবং একটি এআই সেন্টার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আমাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি দিন কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক অবস্থানে এগিয়ে নিতে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে।
সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সিলেটে প্রবাসী ও দেশীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ নীতি-সহায়তা প্রয়োজন। আমরা এসব বিষয় নিয়ে কাজ করছি। খুব শিগগিরই এর বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হবে।
এ সময় সিলেটের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, রেঞ্জ ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
রমজানে ১০ লাখ পরিবারকে সুলভ মূল্যে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য দেবে সরকার
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি এবং খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সুলভমূল্যে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য—দুধ, ডিম, মাংস ও মাছ সরবরাহের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ কার্যক্রমের আওতায় সারাদেশে প্রায় ১০ লাখের অধিক পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মহাখালীতে প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সম্মেলন কক্ষে পবিত্র রমজান মাসে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতির কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমাদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সকলের সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমেই এ দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
তিনি বলেন, রমজান মাসে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করলে নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট বেড়ে যায়। নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ তাদের জন্য সহায়ক ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সততা, নিষ্ঠা ও সমন্বিত টিমওয়ার্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জনগণের কল্যাণে কাজ করে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি নিজে কষ্ট ভোগ করেছেন, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি)-এর সভাপতি মশিউর রহমান, বাংলাদেশ ক্যাটল অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএফএফএ)-এর সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। এ ছাড়াও মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
সিলেটে দ্রব্যমূল্য লাগামহীন, মানা হচ্ছে না সিসিকের মূল্যতালিকা
শুরু হলো পবিত্র মাহে রমজান মাস। রোজার শুরুতেই সিলেট মহানগরীতে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতির চিত্র দেখা গেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে মাছ, মাংস, ফলমূলসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নগরীর আম্বরখানা, বন্দরবাজার, মদিনা মার্কেট, সুবিদবাজার ও কাজিরবাজার এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, মাংস ও মাছের দোকানগুলোতে আগের তুলনায় বাড়তি দামে পণ্য বিক্রি হচ্ছে। রমজানের শুরুতে মাংসের চাহিদা বেড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
ব্রয়লার মুরগির দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ২৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত ১১ ফেব্রুয়ারি যে মুরগি ১৬৫ টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল, তা এখন স্থানভেদে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারেও একই চিত্র দেখা গেছে। প্রায় সব ধরনের মাছেই কেজিপ্রতি ২৫ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
ফলমূলের বাজারেও ঊর্ধ্বগতির প্রভাব পড়েছে। ইফতারে বহুল ব্যবহৃত কলার দাম হালিপ্রতি আকারভেদে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। পাশাপাশি আপেল ও কমলার দামও আগের তুলনায় বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
লেবু ও শসার দামেও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। কয়েকদিন আগেও যে লেবু ৩০ থেকে ৪০ টাকায় হালি বিক্রি হয়েছিল, তা এখন আকারভেদে ৯০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শসা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা পর্যায়ে তার প্রভাব পড়েছে।
নগরীর তালতলা এলাকার বাসিন্দা আবদুল কাদির বলেন, রমজান এলেই বাজারে চাপ বাড়ে, তবে এবার আগেভাগেই দাম বেড়ে গেছে। নির্ধারিত দামের সঙ্গে বাজারের দামের মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এটি বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
অন্যদিকে, বন্দরবাজারের এক মাংস বিক্রেতা জানান, সরবরাহ স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম এবং চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। এ কারণেই বাজারে দাম সমন্বয় হচ্ছে। পাইকারি পর্যায়ে বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
উল্লেখ্য, গত ৯ ফেব্রুয়ারি সিলেট নগরভবনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাতে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার রমজানে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির আহ্বান জানান। সেখানে গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৫০ টাকা, মহিষের মাংস ৬৫০ টাকা, খাসির মাংস ১১০০ টাকা, ছাগল ও ভেড়ার মাংস ১০০০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩১০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়। বাজারে মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ভেজাল প্রতিরোধ এবং নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।
তবে বাজার ঘুরে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। বিক্রেতারা এই তালিকার পরিবর্তে সিসিককে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মূল্য তালিকা না টাঙিয়ে বিক্রি করছেন প্রকাশ্যেই। নির্ধারিত দামের তুলনায় অনেক ক্ষেত্রে বেশি দামে পণ্য বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।
তারা বলছেন, নিয়মিত বাজার তদারকি না থাকায় কেউ নির্ধারিত মূল্য মানছেন না। নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গরুর মাংস ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। একই বাজারে ভিন্ন দোকানে ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে গরু ও খাসির মাংস।
ক্রেতারা বলছেন, রমজান উপলক্ষে সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য রক্ষা এবং নিয়মিত মনিটরিং জোরদার করা হলে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে। বর্তমানে বাজারের অস্থিরতা রোজাদারদের জন্য বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করেছে।এ বিষয়ে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছি। সিসিকের নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে মাংস বিক্রি করলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২ দিন আগে
কুড়িগ্রামে রমজানে ভেজাল রোধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা জেলা প্রশাসকের
পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং খাদ্যে ভেজাল রোধে করণীয় নির্ধারণে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কুদরত-এ-খুদা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান, আরডিসি শেখ মাহবুবে সোবহানী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কুড়িগ্রাম জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবুসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
সভাপতির বক্তব্যে কুদরত-এ-খুদা বলেন, ‘পবিত্র রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। এ সময় খাদ্যে ভেজাল, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।’
তিনি বলেন, বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং ভেজালবিরোধী অভিযানে আইনানুগভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় বক্তারা রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, বাজার তদারকি দল সক্রিয় করা, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে সুষ্ঠু পরিবেশে রমজান পালনে প্রশাসন, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত ভূমিকার আহ্বান জানানো হয়।
সভা শেষে সিদ্ধান্ত হয়— রমজান মাসজুড়ে নিয়মিত বাজার তদারকি, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং অভিযোগ প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে রমজান পালন করতে পারেন।
৫ দিন আগে
রমজানে অতিরিক্ত মুনাফার প্রমাণ পেলেই ব্যবস্থা: চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক
পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও ধর্মীয় পরিবেশের পবিত্রতা বজায় রাখতে চুয়াডাঙ্গায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় অতিরিক্ত মুনাফা, পরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায় ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে জেলা প্রশাসক।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী।
সভায় মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘রমজান মাসকে কেন্দ্র করে কোনোভাবেই দ্রব্যমূল্য বাড়ানো যাবে না। সারা বছর যে দাম ছিল, রমজানেও তা বহাল রাখতে হবে। রোজাকে পুঁজি করে অতিরিক্ত মুনাফা করার প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি জানান, একজন দোকানি ক্রয়মূল্যের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত লাভ করতে পারবেন। এর বেশি নিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঈদকে সামনে রেখে পরিবহন খাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোক্তাদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘অপ্রয়োজনীয়ভাবে একসঙ্গে পুরো মাসের বাজার না করে সচেতনভাবে কেনাকাটা করতে হবে। অতিরিক্ত ক্রয় ও মজুদের কারণে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয় এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়।’
এছাড়া রমজানে মসজিদে মাইক ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, সেহরি ও ইফতারের সময় যেসব মসজিদে সাইরেন রয়েছে, তারা ১-২ মিনিট সাইরেন বাজাতে পারবেন। তবে সেহরির আগে দীর্ঘ সময় মাইক ব্যবহার করে বয়ান, গজল বা ওয়াজ করা যাবে না। অন্য ধর্মাবলম্বীদের কথা বিবেচনা করেও এ বিষয়ে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান তিনি। সভায় ইসলামী ফাউন্ডেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী তারাবি নামাজ আদায়ের বিষয়েও দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়।
সভায় আরও জানানো হয়, রমজান উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় দুটি এবং প্রতিটি উপজেলায় একটি করে ন্যায্যমূল্যের বিক্রয়কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এসব কেন্দ্রে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে ডিম, দুধ, মাংস, মুরগি ও ফলমূল ন্যায্যমূল্যে বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান, মাসুদুর রহমান সরকার, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, দীপক কুমার পাল, অহীদ্র কুমার মণ্ডল, জেসমিন আক্তার, শিল্পী মণ্ডল, মোহাম্মদ সুজাত কাজী, নরেশ চন্দ্র পাল, সেলিম রেজাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা।
৫ দিন আগে
রমজানে পুঁজিবাজারে লেনদেনে নতুন সময়সূচি
আসন্ন রমজান মাসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজারে লেনদেনের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সময় লেনদেনের সময় প্রায় ১ ঘণ্টা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ডিএসইর ব্যবস্থাপক (প্রকাশনা ও জনসংযোগ) মোহাম্মদ শাখাওয়াত-ই-এলাহি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ডিএসইর লেনদেন সকাল ১০ টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত চলবে। পোস্ট ক্লোজিং সেশন থাকবে ১টা ৪০ মিনিট থেকে ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত।
তবে ডিএসই অফিসিয়াল কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত চলবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
রমজান মাস এবং ঈদুল ফিতরের ছুটির পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অফিস আগের নিয়মে চলবে। স্বাভাবিক সময়ে পুঁজিবাজারে লেনদেন চলে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।
এর আগে রমজান মাসের জন্য ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের সময়সূচি পরিবর্তন করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন সূচি অনুযায়ী রমজান মাসে ব্যাংকে রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত লেনদেন হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। আর অফিস চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। আর শুক্রবার ও শনিবার থাকবে সাপ্তাহিক ছুটি।
৫ দিন আগে
রমজান মাসজুড়ে মাধ্যমিকের ক্লাস বন্ধ রাখার নির্দেশ
পুরো রমজান মাসে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এ কে এম ফয়েজ, অ্যাডভোকেট মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল ও অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা।
ইলিয়াছ আলী মন্ডল বলেন, সরকার মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরো রমজান মাসজুড়ে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮ মার্চ থেকে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ ৭ মার্চ পর্যন্ত মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রেখেছে। একই মন্ত্রণালয়ে দুই ধরনের সিদ্ধান্ত, এটি বৈষম্যমূলক। আইন সবার জন্য সমান। সে কারণে হাইকোর্ট রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছেন। একইসঙ্গে রুল বিচারাধীন থাকাবস্থায় পুরো রমজান মাসজুড়ে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে, পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে গত সপ্তাহে হাইকোর্টে রিট করা হয়। মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডলই হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন। এর আগে গত ৫ জানুয়ারি পবিত্র রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ দেন সুপ্রিম কোর্টের ওই আইনজীবী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই নোটিশ পাঠান তিনি।
নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে—এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।
নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারা দিন স্কুলে যাতায়াত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়ে রোজা রাখার অভ্যাস থেকে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়, যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র জানযটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। নোটিশের জবাব না পাওয়ায় এ রিট দায়ের করা হয়।
৬ দিন আগে
রমজানে সুলভমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করবে সরকার
আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ জনগণ যেন সহজেই প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে মাসব্যাপী সুলভমূল্যে দুধ, ডিম, গরুর মাংস ও ড্রেসড ব্রয়লার বিক্রি করবে সরকার।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে মাংস, ডিম ও দুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, রমজানের আগের দিন থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত মোট ২৬ দিন ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে ড্রেসড ব্রয়লার, দুধ, ডিম ও গরুর মাংস সুলভমূল্যে বিক্রি করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ড্রেসড ব্রয়লারের মাংস প্রতি কেজি ২৪৫ টাকা, পাস্তুরিত দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকা, ডিম প্রতি পিস ৮ টাকা এবং গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকায় ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হবে।
১৮ দিন আগে
রমজানের আগে নির্বাচন সম্ভব: তারেককে ড. ইউনূস
সময় মতো প্রস্তুতি সম্পন্ন করা গেলে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন এপ্রিলের পরিবর্তে ২০২৬ সালের রমজানের আগের সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেন, তবে, সেক্ষেত্রে, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংস্কার ও গণহত্যার বিচারের বিষয়ে এই সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রয়োজন হবে।
শুক্রবার (১৩ জুন) লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।
এতে বলা হয়েছে, তারেক রহমান ও অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে বৈঠক অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টাকে প্রস্তাব করেছিলেন যে আগামী বছর রমজানের আগে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও বিশ্বাস করেন সেই সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান উপযুক্ত হবে।
আরও পড়ুন: ড. ইউনূস-তারেকের বৈঠক শেষ
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, তিনি ইতোমধ্যেই ঘোষণা করেছেন, আগামী বছরের এপ্রিলের প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যদি সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়, তাহলে ২০২৬ সালে রমজান শুরু হওয়ার আগের সপ্তাহেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে, সেক্ষেত্রে সংস্কার এবং বিচারের বিষয়ে এই সময়ের মধ্যে যথেষ্ট অগ্রগতির প্রয়োজন হবে।’
এতে বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন তারেক রহমান। দলের পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। ‘ফলপ্রসূ আলোচনার জন্য তারেক রহমানকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।’
আরও পড়ুন: ইউনূস-তারেকের সাক্ষাৎ: আলোচনার এজেন্ডা ও ফলাফল কী হতে পারে?
২৫৩ দিন আগে