ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
তবে কি নতুন প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে ব্রিটেন?
২০২২ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন পদত্যাগ করার সময় বলেছিলেন, যেসব রাজনীতিক একসময় তাকে নিঃশর্ত সমর্থন দিয়েছিলেন, তারাই পরে তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। সে সময় তিনি তার ভাগ্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘পালের (রাজনৈতিক গোষ্ঠী) প্রবৃত্তি অত্যন্ত শক্তিশালী, আর এই পাল যখন একবার চলতে শুরু করে, তখন তা চলতেই থাকে।’
২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টির বিপুল জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী হওয়া কিয়ার স্টারমারকে নিয়েও এখন একই প্রশ্ন উঠছে। গত সপ্তাহ শেষে তার ঘনিষ্ঠতম সহকারীর পদত্যাগ ছিল গত ১৮ মাসে সরকারের ওপর নেমে আসা ধারাবাহিক বিপর্যয়ের সর্বশেষ ঘটনা।
এর ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে অসন্তোষ ও হতাশা স্পষ্ট হলেও এখনও সম্মিলিতভাবে স্টারমারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়নি সবাই।
রাজনীতি বিশ্লেষকদের অভিমত, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্টারমারের সময় প্রায় শেষের দিকে।
স্টারমারের প্রধানমন্ত্রীত্ব নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে
গত ১০ বছরে স্টারমার যুক্তরাজ্যের ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। এর আগে, ২০১৬ সালের জুলাই মাসে ডেভিড ক্যামেরন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করার পর একে একে টেরিজা মে, বরিস জনসন, লিজ ট্রাস এবং ঋষি সুনাকও পদত্যাগ করেন ।
স্টারমারের নিজের দলের অনেক সংসদ সদস্যই মনে করছেন, তার সময় শেষ হয়ে এসেছে, কিন্তু খুব কম সংখ্যকই তা প্রকাশ্যে বলার সাহস দেখিয়েছেন।
তবে স্থানীয় সময় সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। তখন স্কটল্যান্ডের লেবার পার্টির নেতা আনাস সারোয়ার প্রকাশ্যে স্টারমারকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই বিশৃঙ্খলা শেষ হওয়া দরকার এবং ডাউনিং স্ট্রিটের নেতৃত্বে পরিবর্তন আসা উচিত।
তবে সারোয়ারের পর অন্য কেউ তাৎক্ষণিকভাবে এই পথে হাঁটেননি, বরং এক ঘণ্টার মধ্যেই স্টারমারের মন্ত্রিসভার প্রায় সব জ্যেষ্ঠ সদস্য তার পাশে থাকার ঘোষণা দেন।
তা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান বর্তমানে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। গত রবিবার পদত্যাগ করেছেন তার চিফ অব স্টাফ মর্গান ম্যাকসুইনি। তিনি বিশ্বজুড়ে, এমনকি খোদ ব্রিটেনেও খুব পরিচিত না হলেও তার গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। তিনি ছিলেন সেই রাজনৈতিক কৌশলবিদ, যার পরিকল্পনা স্টারমারকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল।
নেপথ্যে এপস্টাইন ফাইল
ব্রিটনের প্রধানমন্ত্রী এখন আগের চেয়ে বেশি একা হয়ে পড়েছেন। ম্যাকসুইনির পদত্যাগ এবং স্টারমারের ওপর তীব্র চাপের মূল কারণ ‘এপস্টাইন ফাইল’। লাখ লাখ নথিপত্রের মধ্যে সাংবাদিকরা এমন কিছু ইমেল ও তথ্য পেয়েছেন যা প্রমাণ করে, প্রভাবশালী ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ পিটার ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে এপস্টাইনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
ম্যান্ডেলসন গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। গত গ্রীষ্মে তার সঙ্গে এপস্টাইনের সম্পর্কের কথা জানাজানি হলে তিনি পদত্যাগ করেন। কিন্তু তখন থেকে ম্যান্ডেলসন বলেছেন যে তার ক্ষমা চাওয়ার কিছু নেই এবং তিনি এপস্টাইনের ঘনিষ্ঠ কেউ নন।
কিন্তু তার এ দাবি ধোপে টেকেনি। সপ্তাহ দুয়েক আগে প্রকাশিত নথি থেকে জানা যায়, তিনি এপস্টাইনের খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। ২০০৮ সালে ম্যান্ডেলসন যখন লেবার সরকারের সদস্য ছিলেন, তখন তিনি এপস্টাইনের সঙ্গে বাজার-সংশ্লিষ্ট সংবেদনশীল তথ্য জানিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ইতিহাসবিদ অ্যান্থনি সেলডন এই ঘটনাকে যুক্তরাজ্যের ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আর ম্যান্ডেলসনকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কারণে অভিযোগের তীর উঠছে স্টারমারের দিকেই। যদিও ব্রিটেন প্রধানমন্ত্রীর চিপ অব স্টাফ ম্যাকসুইনি ম্যান্ডেলনের নিয়োগের ব্যাপারে ভুল পরামর্শ ছিল বলে দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করেছেন।
রবিবার এক বিবৃতিতে ম্যাকসুইনি বলেন, পিটার ম্যান্ডেলসনকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। তিনি আমাদের দল, দেশ এবং রাজনীতির ওপর মানুষের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। আমাকে জিজ্ঞেস করা হলে আমি প্রধানমন্ত্রীকে এই নিয়োগের পরামর্শ দিয়েছিলাম এবং সেই পরামর্শের সম্পূর্ণ দায় আমি নিচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রীর সমর্থকরা আশা করছেন, এই পদত্যাগ স্টারমারকে সরকার নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার কিছুটা সময় দেবে। তবে সমালোচকদের মতে, স্টারমারের শেষ প্রতিরক্ষাবলয়টি সরে গেছে। তার সরে যাওয়াও এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।
ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ানের রাজনৈতিক সম্পাদক পিপা ক্রেরার বলেন, স্টারমারের পুরো কর্মজীবনে আইনজীবী হিসেবে এবং রাজনীতিবিদ হিসেবে একটি ধারাবাহিক বিষয় ছিল সহিংস পুরুষদের বিরুদ্ধে এবং নারীদের পক্ষে তার অবস্থান।
তিন আশা প্রকাশ করেন, এপস্টাইন কেলেঙ্কারি তাকে গভীরভাবে আঘাত করবে। বর্তমান ক্ষোভ একসময় অনুশোচনায় রূপ নিতে পারে, যা তাকে নিজের অবস্থান নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে। তবে তিনি যদি দায়িত্বে থাকতে চান, কিছু শক্তি হয়তো তাকে আরও কিছুদিন ধরে রাখতে পারে।
নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় যারা
লেবার পার্টিতে এখন স্টারমারের কোনো স্পষ্ট উত্তরসূরি নেই। একসময়ের উপ-প্রধানমন্ত্রী বামপন্থী অ্যাঞ্জেলা রেইনারকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে কর-সংক্রান্ত বিষয়ে তাকে স্টারমারের মন্ত্রিসভা ছাড়তে হয়েছে, যা এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।
সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বে থাকা ডানপন্থী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের নামও আলোচনায় আছে। তিনি দক্ষ বক্তা হলেও ব্রিটিশ রাজনীতিতে বিভাজন সৃষ্টিকারী ব্যক্তিত্ব।
স্টারমার পদত্যাগ করলে তাদের কেউ কি লেবার পার্টিকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারবেন? বিগত রক্ষণশীল সরকারের অবিরাম নাটক, পদত্যাগ এবং কেলেঙ্কারিতে বিরক্ত এমন একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কি তারা আরও ভালো হতে পারবেন?
স্টারমার যদি মে মাস পর্যন্ত টিকে যান, তাহলে তার ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের বিকেন্দ্রীভূত পার্লামেন্ট এবং ব্রিটেনজুড়ে স্থানীয় পরিষদ নির্বাচনের ফলাফলের ওপর। এসব নির্বাচনে লেবার পার্টির ফল খুব খারাপ হলে স্টারমারের ওপর চাপ অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে। তখন তার নেতৃত্বাধীন প্রতিদ্বন্দ্বীরা হয়তো প্রকাশ্যে সামনে আসবেন।
১০ দিন আগে
সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
টনি ব্লেয়ার ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল চেঞ্জ-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার টনি ব্লেয়ার শনিবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠক করেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, সাক্ষাৎকালে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তার ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টনি ব্লেয়ার ইনস্টিটিউটের বৈশ্বিক ভবিষ্যতের জন্য নেতা ও সরকারকে সজ্জিত করার লক্ষ্যের প্রশংসা করেন।
আরও পড়ুন: এলডিসি-৫ সম্মেলন: দোহার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন টনি ব্লেয়ারের সঙ্গে তার বিভিন্ন বৈঠকের কথা স্মরণ করেন।
ইহসানুল করিম বলেন, উভয়েই বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক পর্যালোচনা করেছেন।
তারা খেলাধুলা, বিশেষ করে ক্রিকেট নিয়ে কথা বলেন, যেহেতু ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল এই মুহূর্তে বাংলাদেশ সফরে আছে।
মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী এলডিসি-৫ সম্মেলনে যোগ দিতে দোহার উদ্দেশে রওনা হবেন শনিবার
১০৮৫ দিন আগে
পদত্যাগ করার ঘোষণায় যা বললেন ট্রাস
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস পদত্যাগের ঘোষণা দিতে ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরে বক্তব্য দিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়ার মাত্র ৪৫ দিন পর লিজ ট্রাস ঘোষণা করেছেন যে তিনি আগামী সপ্তাহের মধ্যে কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্বের নির্বাচনের জন্য পদত্যাগ করছেন।
এখানে তার সম্পূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরা হলো-
বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমি একটি বড় অর্থনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক অস্থিরতার সময়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছি। যেসময় পরিবার এবং ব্যবসাগুলো কীভাবে তাদের বিল পরিশোধ করবে তা নিয়ে চিন্তিত ছিল।’
তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনে পুতিনের অবৈধ যুদ্ধ আমাদের সমগ্র মহাদেশের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে এবং নিম্ন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে আমাদের দেশকে অনেক দিন ধরে আটকে রাখা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস
লিজ ট্রাস বলেন ‘আমি কনজারভেটিভ পার্টি থেকে এটি পরিবর্তন করার ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত হয়েছি। আমরা জ্বালানি বিল দিতে জাতীয় বীমা কেটেছি এবং আমরা একটি স্বল্প কর নির্ভর উচ্চ প্রবৃদ্ধির অর্থনীতির জন্য একটি দৃষ্টিভঙ্গি নির্ধারণ করেছি যা ব্রেক্সিটের স্বাধীনতার সদ্ব্যবহার করবে।’
তিনি বলেন, ‘আমি স্বীকার করি, যদিও পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আমি যে ম্যান্ডেটের ভিত্তিতে কনজারভেটিভ পার্টি থেকে নির্বাচিত হয়েছি তা আমি পূরণ করতে পারব না। আমি তাই মহামান্য রাজার সঙ্গে কথা বলেছি। তাকে জানিয়েছি যে আমি কনজারভেটিভ পার্টির নেতা হিসাবে পদত্যাগ করছি।’
পদত্যাগী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ সকালে আমি ১৯২২ কমিটির চেয়ারম্যান স্যার গ্রাহাম ব্র্যাডির সঙ্গে দেখা করেছি। আমরা একমত হয়েছি যে আগামী সপ্তাহের মধ্যে একটি নেতৃত্ব নির্বাচন সম্পন্ন হবে।’
তিনি বলেন, ‘এটি নিশ্চিত করবে যে আমরা আমাদের আর্থিক পরিকল্পনাগুলো সরবরাহ করার এবং আমাদের দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা বজায় রাখার পথে রয়েছি।’
লিজ ট্রাস আরও বলেন, ‘উত্তরসূরি নির্বাচন না করা পর্যন্ত আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকব। ধন্যবাদ। ‘
আরও পড়ুন: কনজারভেটিভ পার্টির নবনির্বাচিত নেতা লিজ ট্রাসকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
কনজারভেটিভ পার্টির নেতা লিজ ট্রাস যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন
১২২০ দিন আগে
ভারতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
দুই দিনের ভারত সফরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বৃহস্পতিবার গুজরাটে পৌঁছেছেন। এই সফরটি প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় মুক্ত-বাণিজ্য চুক্তিকে নতুন গতি দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আজ সকালে (বৃহস্পতিবার) আহমেদাবাদ শহরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট অবতরণ করার পর জনসন টুইটে বলেন, ‘বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশ ভারতে থাকাটা অসাধারণ।’
তিনি লেখেন, দুই দেশ একসাথে যা অর্জন করতে পারে তার জন্য আমি বিশাল সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। আমাদের অংশীদারিত্ব, প্রবৃদ্ধি এবং সুযোগ প্রদান করছে। আমি আগামী দিনে এই অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার অপেক্ষায় আছি।’
আরও পড়ুন: পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা: জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক আহ্বান করবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
বিমানবন্দর থেকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আহমেদাবাদে মহাত্মা গান্ধীর সবরমতী আশ্রমে যান এবং সেখানে তিনি চরকা কাটেন।
তিনি আশ্রমের পরিদর্শক বইয়ে লিখেন, ‘এই অসাধারণ মানুষটির আশ্রমে আসা একটি বিশাল সৌভাগ্যের বিষয়। তিনি কীভাবে বিশ্বকে আরও উন্নত করার জন্য সত্য এবং অহিংসার এই সাধারণ নীতিগুলোকে সংগঠিত করেছিলেন তা বোঝার জন্য এই আশ্রমে আসা উচিত।’
শুক্রবার নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে দেখা করার কথা রয়েছে জনসনের। যেখানে উভয় নেতা বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং ইন্দো-প্যাসিফিকসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ইউক্রেনে আরও এক ভারতীয় শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ
এর আগে ভারতে যাওয়ার পথে বিমানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সব সময়ই প্রতিভাবানদের এ দেশে আসার পক্ষে।
১৪০২ দিন আগে
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা: জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক আহ্বান করবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকের আহ্বান করবেন বলে জানিয়েছে তাঁর কার্যালয়। শুক্রবার ভোরে ইউক্রেনের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে রুশ হামলায় সেটিতে আগুন ধরে যাওয়ার পর এমন ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, জনসন শুক্রবার ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে কথা বলেছেন। ব্রিটেন অবিলম্বে রাশিয়া ও ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের কাছে এ বিষয়টি উত্থাপন করবেন বলে জানান।
জনসনের কার্যালয় বলছে, তিনি ও জেলেনস্কি একমত যে রাশিয়াকে অবিলম্বে আক্রমণ বন্ধ করতে হবে এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রে জরুরি পরিষেবার নিরবচ্ছিন্ন প্রবশের অনুমতি দিতে হবে। এ সময় তারা যুদ্ধবিরতি অপরিহার্য বলেও সম্মত হন।
আরও পড়ুন: ইউক্রেনে আরও এক ভারতীয় শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন (রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির) পুতিনের বেপরোয়া পদক্ষেপ এখন সমগ্র ইউরোপের নিরাপত্তাকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলতে পারে। তিনি বলেছেন (যুক্তরাজ্য) পরিস্থিতির যাতে আরও অবনতি না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য সবকিছু করবে।’
এছাড়া কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার বিষয়ে জেলেনস্কির সঙ্গে কথা বলেছেন।
এর আগে শুক্রবার ভোরে রুশ বাহিনীর গোলার আঘাতে ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন ধরে যায়। এটি ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং এ প্লান্ট থেকে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ উৎপাদনের এক-চতুর্থাংশ আসে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মুখপাত্র আন্দ্রি টুজ ইউক্রেনীয় টেলিভিশনকে বলেছেন, গোলা সরাসরি জাপোরিঝিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রে পড়ছিল এবং এর ছয়টি চুল্লির মধ্যে একটিতে আগুন ধরে যায়। ওই চুল্লিটি কাজ করছে না এবং সংস্কার করা হচ্ছে। তবে এর ভেতরে পারমাণবিক জ্বালানি রয়েছে।
টেলিগ্রামে পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘আমরা তাদের ভারী অস্ত্র নিক্ষেপ বন্ধের দাবি জনাই। বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরমাণু বিপদের সত্যিকারের ঝুঁকি রয়েছে।’
দমকলকর্মীদের গুলি করা হচ্ছে বলে তারা আগুন নেভাতে এর কাছে যেতে পারেছেন না বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: রাশিয়ার হামলায় ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন
এদিকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা এক টুইট বার্তায় জানায়, ইউক্রেনীয় পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বলছে রুশ সেনাদের হামলার শিকার ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিকিরণের মাত্রার কোনো পরিবর্তন হয়নি।
সংস্থাটি বলছে, তাদের মহাপরিচালক মারিয়ানো গ্রসি ইউক্রেনীয় প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শ্মিগাল ও দেশটির নিয়ন্ত্রক ও অপারেটরের সঙ্গে জাপোরিঝিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিস্থিতি সম্পর্কে যোগাযোগ করছেন।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কির কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, চুল্লিগুলো এখনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি এবং বিকিরণের মাত্রাও স্বাভাবিক রয়েছে।
১৪৫০ দিন আগে
কোয়ারেন্টাইনে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
কোভিড-১৯ আক্রান্ত সংসদ সদস্যের সংস্পর্শে আসার পর নিজেকে কোয়ারেন্টাইনে নিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।
১৯২৩ দিন আগে
করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে বরিস জনসনের ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’
প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।
২১৪১ দিন আগে
বরিস জনসনের অবস্থার উন্নতি, আইসিইউ থেকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তাকে বৃহস্পতিবার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।
২১৪৩ দিন আগে
করোনা আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন আইসিইউতে
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের অবস্থার অবনতি হলে সোমবার সন্ধ্যায় তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ডাউনিং স্ট্রিট।
২১৪৬ দিন আগে