জাতীয় সংসদ ভবন
সংসদ নেতা হলেন তারেক রহমান, হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীও
বিএনপি সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ত্রয়োদশ সংসদের নেতা নির্বাচিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদীয় দলের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকের পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘এটি একটি ঐতিহাসিক মূহুর্ত যে দীর্ঘ ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতন-নিপীড়ন, গণতন্ত্রকে ধবংস করে দেওয়া, সংসদকে অকার্য্কর করা এই পর্বের পরে জনগণের অনেক রক্তের বিনিময়ে একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা একটি সংসদ পেয়েছি। এই সংসদের মধ্য দিয়ে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে আমরা আমাদের তরুণ নেতা জনাব তারেক রহমানকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করেছি। আমরা আশাবাদী তার (তারেক রহমান) নেতৃত্বে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে আমাদের প্রথম এই সংসদীয় দলের সভাতে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, বিএনপির সংসদ সদস্য তারা ডিউটি ফ্রি কোনো গাড়ি নেবেন না এবং কোনো প্লটও নেওয়া হবে না সরকারের কাছ থেকে। এই সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি।’
অন্যদিকে, নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া পোস্টে বিএনপি মিডিয়া সেল থেকে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় তারেক রহমানকে সর্বসম্মতি ক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
এর আগে আজ (মঙ্গলবার) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে শপথ গ্রহণ করেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।
এদিন প্রথমে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপির সংসদ সদস্যরা শপথ নেন। কিছুক্ষণ পর জামায়াতে ইসলামী ও পরবর্তীতে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ অন্য দল, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা শপথ নেন।
শপথ গ্রহণ শেষে শপথপত্রের নির্ধারিত স্থানে নিজ নির্বাচনি এলাকা উল্লেখ করে তারিখসহ স্বাক্ষর করেন সংসদ সদস্যরা।
একই দিন বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও একই সময়ে শপথ পড়ানো হবে।
সংসদ সচিবালয় ইতোমধ্যে এই আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
নতুন সরকারে শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় নেওয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। স্ট্যান্ডবাই থাকবে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ও কেনাইনের মতো বিশেষায়িত ইউনিট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হচ্ছে নতুন সরকারের শপথ। আজ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হচ্ছেন এক হাজারেরও বেশি দেশি-বিদেশি অতিথি।
এদিকে, শপথ আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও লেকরোডে আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। গতকাল সোমবার ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ থেকে যানচলাচলের ডাইভারশন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
দ্বিতীয় দফায় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে এনসিপির বৈঠক
দ্বিতীয় দফায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। মঙ্গলবার ( ৬ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
সংলাপে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নেতৃত্বে এনসিপির চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এই সংলাপে অংশ নেয়।
এর আগে গত ১৯ এপ্রিল জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে প্রথম দফায় বৈঠক করে এনসিপি। সে সময় রাষ্ট্রকাঠামোর মৌলিক সংস্কারের মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
আরও পড়ুন: ফ্যাসিবাদ প্রত্যাবর্তনের সব রাস্তা বন্ধে এনসিপি অঙ্গীকারাবদ্ধ: নাহিদ
তার আগে, গত ২৪ মার্চ জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে পাঠানো ১৬৬টি সুপারিশে ওপর মতামত দেয় এনসিপি। যার মধ্যে ১১৩টিতে দলটি একমত হয়েছে বলে জানান এই নেতা। বাকি ২৯টিতে আংশিক দ্বিমত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংস্কার কমিশনগুলোর করা সুপারিশ চূড়ান্ত করতে গত ২০ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ইতোমধ্যে ২৫ টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা শেষ করেছে কমিশন।
সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের উদ্দেশ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠিত হয়েছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এই কমিশনের কার্যক্রম শুরু হয়।
২৯১ দিন আগে
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি এইচ এম ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী, শাজাহান খান, এস.এম. ব্রহানী সুলতান মামুদ, মো. আসাদুজ্জামান ও মো. আব্দুল্লাহ আলোচনায় অংশ নেন।
আরও পড়ুন: আইওসি এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠক: আইওসিইন্ডিও কার্যক্রমের জন্য বাজেটের বিধান নির্ধারণ
সভায় দ্বিতীয় বৈঠকের কার্যবিবরণী সংশোধনীসহ সংশোধিত আকারে অনুমোদন ও নিশ্চিত করা হয়।
দ্বিতীয় বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা ও তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
বাংলাদেশ নারী শ্রমিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শ্রমঘন এলাকায় ডরমেটরি স্থাপনের বিষয়ে সম্ভাব্যতার সমীক্ষা করে আবাসন বরাদ্দের নীতিমালা প্রণয়ন ত্বরান্বিতের সুপারিশ করে কমিটি।
কমিটি উবার-পাঠাও, কুরিয়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়নের আওতায় আনার বিষয় নীতিগতভাবে একমত পোষণ করেন এবং এটি বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়কে একটি কমিটি গঠনের সুপারিশ করা হয়।
দেশের কলকারখানার জন্য প্রযোজ্য এক বছর মেয়াদি লাইসেন্স পাঁচ বছর মেয়াদে উন্নীতকরণসহ লাইসেন্স প্রাপ্তিতে ওয়ান স্টপ সার্ভিস নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে কমিটি।
বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহাপরিচালক- শ্রম অধিদপ্তরের, প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, বিনিয়োগের সম্ভাবনা
ঢাকা-রিয়াদ রাজনৈতিক বৈঠক: প্রাধান্য পাবে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ক্রাউন প্রিন্সের সফর
৫৯৩ দিন আগে
দেশের উন্নয়নে সকলের দায়িত্ব রয়েছে: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বৃহস্পতিবার বলেছেন, দেশের উন্নয়নের দায়িত্ব শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্বের নয়। তিনি বলেন, ‘দেশ ও জনগণের উন্নয়ন রাজনৈতিক নেতৃত্বের একক দায়িত্ব নয়। স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে এটা আমাদের সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য।’
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ‘মহাবিজয়ের মহানায়ক’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান।
জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে ভারতের রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুল হামিদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্ন কতটুকু পূরণ হয়েছে, তা হিসেব করার সময় এসেছে।
স্বাধীনতাকে মানবাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে হামিদ বলেন, স্বাধীনতা তখনই বোধগম্য হয় যদি অধিকার অর্জনকে সীমাবদ্ধ না রেখে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায়।
এস রাষ্ট্রপতি সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা সফরে আসায় আবদুল হামিদ ভারতেররাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশি ও বিশ্বস্ত বন্ধু।
আরও পড়ুন: জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণই আমাদের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী
১৫২৮ দিন আগে
সংসদে শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস
খুলনা বিভাগে একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং এই অঞ্চলে চিকিৎসা, গবেষণা ও স্বাস্থ্যসেবা সুযোগ সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সোমবার জাতীয় সংসদে শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিল, ২০২০ পাস হয়েছে।
১৮৪৬ দিন আগে
দেবোত্তর সম্পত্তি বরাদ্দের বিষয় তদারকির সুপারিশ
দেবোত্তর সম্পত্তি যাদের নামে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তাদের আদৌ জমির প্রয়োজন আছে কি না ও ভূমিহীন মানুষেরা উক্ত জমি বরাদ্দ পাচ্ছে কি না ইত্যাদি বিষয়ে তদারকি করতে সুপারিশ করে করা হয়।
১৯৩১ দিন আগে
মুজিববর্ষ উপলক্ষে সংসদ চত্বরে বৃক্ষের চারা রোপণ
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে এক কোটি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
১৯৭৬ দিন আগে