ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার
কেন্দ্রীয় কারাগারের অসুস্থ কয়েদির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আব্দুল খালেক (৬৫) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আব্দুল খালেকের কয়েদি নম্বর ৬৭১৮/এ। তার বাবার নাম মৃত কফিল উদ্দিন। তবে কি মামলায় তিনি কারাগারে কয়েদি হিসেবে ছিলেন সে বিষয়ে কিছু জানা যায় নি।
কারারক্ষী আব্দুল্লাহ জানান, আব্দুল খালেক নামে ওই কয়েদি বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কয়েকজন কারারক্ষী চিকিৎসার জন্য তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান তিনি আর বেঁচে নেই।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। ময়নাতদন্তের পর কারা কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
১ দিন আগে
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ কয়েদির ঢামেকে মৃত্যু
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে কেন্দ্রীয় কারাগারের অসুস্থ এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত ওই কয়েদির নাম মো. মামুন শেখ (৩৪)।
ঢামেক থেকে কারারক্ষী রবিন বলেন, ওই কয়েদি আজ (বুধবার) সকালে কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমরা কয়েকজন কারারক্ষী চিকিৎসার জন্য তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। ময়নাতদন্তের পর কারা কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।
৩ দিন আগে
কারাগারে আত্মহত্যা করলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সুজন
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে নির্বিচারে হামলা করা সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সুজন (৪৫) কারাগারে আত্মহত্যা করেছেন।
রবিবার (১৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সূর্যমুখী ভবনের একটি কক্ষে নিজের গলায় গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন তিনি।
ঘটনার পরপরই তাকে কারা হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কারাগার সূত্র জানায়, বন্দি হিসেবে সুজন সূর্যমুখী ভবনের একটি সাধারণ কক্ষেই ছিলেন। তার ব্যবহৃত গামছা দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কারা হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে মারা যান তিনি।
কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোতাহের হোসেন বলেন, সুজন ডিটেনশনে সূর্যমুখী ভবনের একটি কক্ষে ছিলেন। এদিন সকালে সুজন নাস্তাও করেছেন। ওই কক্ষের তিনজন বন্দির একজন আদালতে হাজিরা দিতে গিয়েছেন এবং আরেকজন ঘুমিয়ে ছিলেন। এই সুযোগে সুজন নিজের গামছা পেঁচিয়ে জানালার সঙ্গে গলায় ফাঁস দেন।
আরও পড়ুন: পিট্টি মারার পুলিশ চাচ্ছি না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
কারা মহাপরিদর্শক বলেন, পরে তাকে উদ্ধার করে কারা হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে মারা যায় সে।
তিনি আরও বলেন, ‘সুজনের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা আছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনেরও একাধিক মামলা রয়েছে। সম্ভবত অবসাদগ্রস্ত হয়ে তিনি এমন কাজ করতে পারেন। কিন্তু এটি অবশ্যই অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা তদন্ত কমিটি করে বিষয়টি খতিয়ে দেখব।’
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে বন্দি সুজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলাসহ মোট ১৫টি মামলা রয়েছে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান চলাকালে সুজনকে প্রকাশ্যে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ছুড়তে দেখা যায়। এ ছাড়া, এলাকায় জমি দখলসহ আধিপত্য বিস্তারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে জুলাই বিপ্লবের আগে থেকেই একাধিক অভিযোগ পাওয়া যায়।
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ও শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেলে সুজনও আত্মগোপনে চলে যান। তবে জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে রাজধানীর উত্তরার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি থেকে তিনি কারাবন্দি ছিলেন।
এর আগে, শেখ হাসিনার শাসনামলে ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর চাঁদাবাজির অভিযোগে বিরুলিয়া ইউনিয়নের কাকাবর এলাকায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সুজন।
২৫১ দিন আগে
কারামুক্ত হলেন সাংবাদিক কাজল
অবশেষে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ফটো সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজল মুক্তি পেয়েছেন।
১৮৮৪ দিন আগে