স্বতন্ত্র প্রার্থী
দলে ফিরিয়ে নিন, নাহলে শপথ নেব না: হান্নান
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে ধানের শীষের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর বিজয়ী বিএনপির বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী (চিংড়ী প্রতীক) এম এ হান্নান বলেছেন, ‘আমাকে আমার প্রিয় দল বিএনপিতে ফিরিয়ে নিন, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করুন। অন্যথায় আমি শপথে অংশ নেব না।’
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নির্বাচনোত্তর এক সংবাদ সম্মেলনে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে দলের শীর্ষ নেতাদের উদ্দেশে তিনি এই আকুতি জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব সভাপতি মামুনুর রশীদ পাঠান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন প্রেসক্লাব সম্পাদক নুরুল ইসলাম ফরহাদ।
হান্নান বলেন, আমি ছাত্রজীবন সময় থেকে প্রিয় নেতা জিয়াউর রহমান, তার দল, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শ্রদ্বা করি ও ভালবাসি। আমার প্রাণের দল বিএনপি। আমরণ এ দলে আছি, থাকব। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্বে ষড়যন্ত্র করে আমাকে মনোনয়নবঞ্চিত করে।
এ ঘটনায় অত্যন্ত দুঃখ পেয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই দুঃখকে বুকে নিয়ে কুচক্রীদের সমুচিত জবাব দিতে আল্লাহর ওপর ভরসা করে আমি এমপি ইলেকশনে নামি ও জয়লাভ করি। কারণ আমার দৃঢ় বিশ্বাস, মহান আল্লাহ ও উপজেলা, পৌরসভা ও ১৬ ইউনিয়নের আপামর জনগণ আমার সঙ্গে আছে।
তিনি আরও বলেন, তাই দলের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে আমাকে আমার প্রিয় দলে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিরিয়ে নিন। না হয় আমি শপথ অনুষ্ঠানে যাব না। শপথও নেব না।
‘ভোটে কারচুপি করে জয়ী হয়েছেন’—ধানের শীষের পরাজিত প্রার্থী হারুনর রশীদের এমন অভিযোগকে তিনি (হান্নান) ‘ঢাহা মিথ্যা, মনগড়া ও ভিত্তিহীন’ বলে নাকচ করে দেন। তিনি বলেন, রমজানে তিনি উপজেলার সকল ইউনিয়নের ছোটবড়, ময়মুরুব্বি—সবার সঙ্গে দেখা করবেন।
নবনির্বাচিত এ সংসদ সদস্য বলেন, সব ভেদাভেদ ভুলে এখন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ফরিদগঞ্জের উন্নয়নে কাজ করব।
এ সময় তার সঙ্গে ফরিদগঞ্জের সাবেক মেয়র মঞ্জিল হোসেন ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
৬ দিন আগে
ময়মনসিংহের ১১টি আসনের মধ্যে বিএনপির ৮টি, জামায়াতের ২টি এবং একটি স্বতন্ত্র প্রার্থীর
ময়মনিসংহের ১৩টি উপজেলায় ১১টি আসনের মধ্যে ৮টিতেই বিএনপি মনোনীত ‘ধানের শীষ’ প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট মনোনীত ২টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন। আর ১টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ময়মনসিংহের আসনগুলোর ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান।
ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া)
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, এই আসনে ‘ঘোড়া’ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বহিষ্কৃত) সালমান ওমর রুবেল ১ লাখ ৮ হাজার ২৬৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৯২৬ ভোট।
ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা)
এই আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহাম্মদুল্লাহ ‘রিকশা’ প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে ১ লাখ ৪৪ হাজার ২৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ধানের শীষের’ প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদার পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৩৪৪ ভোট।
ময়মনসিংহ -৩ (গৌরীপুর)
এই আসনে ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেইন ৭৪ হাজার ৪৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (স্বতন্ত্র বিএনপি বিদ্রোহী) ‘ঘোড়া’ প্রতীকে আহম্মেদ তায়েবুর রহমান হিরন পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫১৩ ভোট।
ময়মনসিংহ-৪ (সদর)
এই আসনে বিএনপি মনোনীত ‘ধানের শীষের’ প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে। আর ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৮০ ভোট পেয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর কামরুল আহসান এমরুল।
ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা)
এই আসনে বিএনপি মনোনীত ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী জাকির হোসেন বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। ১ লাখ ৮৭৬ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ।
ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া)
এখানে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কামরুল হাসান মিলন বিজয়ী হওয়ার পথে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৯৪৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (স্বতন্ত্র) আখতার সুলতানার ফুটবল প্রতীকে পড়েছে ৫২ হাজার ৬৬৯ ভোট।
ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল)
এই আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন ৯৮ হাজার ৫৭৯ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের আসাদুজ্জামান সোহেল ৮২ হাজার ৯৬২ ভোট পেয়েছেন।
ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ)
এই আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু ১ লাখ ৭ হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। ৪৫ হাজার ৭৯১ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন এডিপির প্রার্থী (১১ দলীয় ঐক্য) অ্যাডভোকেট আওরঙ্গজেব বেলাল।
ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল)
এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী ৮৫ হাজার ৪৭৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (১১দলীয় ঐক্য) বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির এ কে এম আনোয়ারুল হক পেয়েছেন ৭০ হাজার ১৫২ ভোট।
ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও)
এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আখতারুজ্জামান বাচ্চু ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে ৭৪ হাজার ৬৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (স্বতন্ত্র) এবি সিদ্দিকুর রহমানের ‘হাঁস’ পেয়েছে ৬৬ হাজার ৪২৪ ভোট।
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা)
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ১ লাখ ১০ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তবে এই আসনে ভোটের দৌঁড়ে হেরে গেছে মোর্শেদ আলমের ‘হরিণ’। স্বতন্ত্র এ প্রার্থী পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫৯১ ভোট।
৮ দিন আগে
নাটোরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আটক ১
নাটোরের লালপুরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ সময় বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে লালপুর উপজেলার কচুয়া বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়।
পুলিশ ও দলীয় সূত্র থেকে জানা যায়, নাটোর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর সমর্থকরা নির্বাচনি মিছিল বের করেন। মিছিলটি বিএনপি প্রার্থী ফারজানা শারমিন পুতুলের নির্বাচনি ক্যাম্পের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় উস্কানিমূলক স্লোগান দেয়। এ নিয়ে বিএনপি কর্মীরা প্রতিবাদ জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
পরে খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খলিলুর রহমান নামে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক সমর্থককে আটক করেন। এর প্রতিবাদে স্বতন্ত্র প্রার্থী টিপুর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম জানিয়েছেন, বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে আটক করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
১৪ দিন আগে
গাইবান্ধায় বিএনপিকর্মীকে গ্রেপ্তার, স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মোটরসাইলে অগ্নিসংযোগ
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় মামলার আসামি এক বিএনপিকর্মীকে গ্রেপ্তারের পর গভীর রাতে গাইবান্ধা-৫ আসনের (সাঘাটা-ফুলছড়ি) বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী নাহিদুরজামান নিশাতের সমর্থকদের সাতটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের নুরুজামান হাজী বাদী হয়ে ১৮ জনের বিরুদ্ধে সাঘাটা থানায় মামলা করেন। মামলার পর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ফয়সাল নামের এক বিএনপিকর্মীকে গ্রেপ্তার করে।
স্থানীয়রা জানান, গ্রেপ্তারের পর গতকাল (মঙ্গলাবার) গভীর রাতে ফয়সালের লোকজন কচুয়া ইউনিয়নের নুরুজামান হাজীর বাড়িতে রাখা সাতটি মোটরসাইকলে অগ্নিসংযোগ করে।
এ ঘটনায় নাহিদুরজামান নিশাত বলেন, ‘আমার জনপ্রিয়তা ঠেকাতে প্রতিপক্ষের লোকজন এ ধরনের হামলা করছেন।’
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ফয়সাল নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
২৪ দিন আগে
সালেক চৌধুরীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার
দলীয় নীতি ও সংগঠন পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে নওগাঁর বিএনপি নেতা ডা. সালেক চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ন-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা দলীয় প্যাডে তাকে বহিষ্কারের আদেশ দেওয়া হয়।
ডা. সালেক চৌধুরী জেলার নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। নওগাঁ-১ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্যও হয়েছেন।
ইতোমধ্যে বহিষ্কারের একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন। তিনি বলেন, কেন্দ্র থেকে ডা. সালেক চৌধুরীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যেটার চিঠি আমরা পেয়েছি।
এ বিষয়ে ডা. সালেক চৌধুরী বলেন, এ বিষয়ে আমি এখনও জানি না। আর যদি বহিষ্কার করে থাকে সেটা নিয়মের মধ্যে হয়নি। কারণ আগামী ২০ তারিখ পর্যন্ত বিবেচনা করার সময় ছিল। যদি আমি মনোনয়ন প্রত্যাহার না করতাম, তাহলে একটা কথা ছিল। আর যদি সত্যি সত্যি দল থেকে বহিষ্কার করে, তাহলে আমি নির্বাচন করব। কারণ আমার তো আর কোনো পথ নেই। কাজেই শেষ পর্যন্ত ভোটে লড়াই করব বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে, বহিষ্কারের কারণ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলেও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদ্য বহিষ্কৃত উপজেলা বিএনপির নেতা সালেক চৌধুরী নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর-সাপাহার-পোরশা) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু তাকে মনোনয়ন না দিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানকে দলীয়ভাবে মনোনীত করে কেন্দ্রীয় বিএনপি। যার কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সালেক চৌধুরী। গত রবিবার ছিল মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের দিন। মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে বৈধ হিসেবে বিবেচিত হয় বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত ওই নেতার মনোনয়ন।
ডা. সালেক চৌধুরী নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর-সাপাহার-পোরশা) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ১৯৯৬ সালে ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
৪৭ দিন আগে
নোয়াখালীতে পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্টকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে শাহিদুজ্জামান পলাশ নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মাথায় ভারী কোনো বস্তুর আঘাতে তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শনিবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে সোনাইমুড়ী উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নাটেশ্বর গ্রাম থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বাসায় ঢুকে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, আটক ৩
শাহিদুজ্জামান পলাশ সদ্য অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ আসনের সোনাইমুড়ী উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নে পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্ট ছিলেন এবং ওই গ্রামের জামাল হোসেনের ছেলে।
নীয়রা জানায়, পলাশ নাটেশ্বর গ্রামের জামাল হোসেনের ছেলে। পাঁচ বছর আগে সৌদি আরব থেকে দেশে আসেন তিনি। এরই মধ্যে ইতালি যাওয়ার জন্য টাকাও জমা দিয়েছিলেন। সদ্য শেষ হওয়া সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান ভুইঁয়া মানিকের পক্ষে একটি কেন্দ্রে এজেন্টের দায়িত্বে ছিলেন পলাশ।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
পলাশের ফেসবুক আইডি দেখে নির্বাচনে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগেও তিনি ‘অল মানিক ভাই’ লিখে একটি পোস্ট করেছিলেন।
সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মাথা ভারী কোনো জিনিস দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রূপগঞ্জে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
তিনি আরও জানান, পলাশ স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে থাকতেন। তার বাড়িতে একটি মুরগির খামার ছিল। শনিবার বিকালে কয়েকটি মুরগি বিক্রি করার পর খামারে কর্মরত দুই কর্মচারী সন্ধ্যায় চলে যায়। এরপর থেকে পলাশ একা খামারে ছিলেন। রাত ৮টার দিকে স্ত্রীকে ফোন করে তিনি জানান, খামার থেকে একটি হাঁস পার্টিতে যাবেন। তারপর বাড়ি ফিরবেন। এরপর রাত ১০টার দিকে স্থানীয় লোকজন তার ঘরের পাশে পলাশের রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখে।
বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি এবং হত্যার কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাঘায় স্ত্রীর ভাইকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
৭৬৯ দিন আগে
পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ওলি'র বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার মানহানি মামলা
নির্বাচনি সভায় আপত্তিকর বক্তব্যের অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজুর রহমান ওলিও'র বিরুদ্ধে আদালতে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের এমপি ও নবনিযুক্ত গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।
আরও পড়ুন: নাটোরে ধর্ষণ চেষ্টার মামলায় একজনের ১০ বছর কারাদণ্ড
বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যুগ্ম জেলা জজ নজরুল ইসলামের আদালতে এই মামলা দায়ের করেন তিনি।
বাদির আইনজীবী আব্দুল জব্বার মামুন রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনি প্রচারণার সময় গত ২৬ ডিসেম্বর সদর উপজেলার সুহিলপুরে নির্বাচনি এক সভায় উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা বক্তব্য দিয়েছেন ফিরোজুর রহমান।
আরও পড়ুন: অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন রিজেন্টের শাহেদ
তার ওই আপত্তিকর বক্তব্যে র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর সম্মানহানি হয়েছে। তাই ফিরোজুর রহমানকে তার আপত্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে তাকে পর পর তিনটি নোটিশ পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন: ৪ সপ্তাহ মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না ২ আইনজীবী
কিন্তু তিনি সেই নোটিশ আমলে নেননি। তাই র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর সম্মানহানি করায় আদালতে ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী রবিবার এই মামলার শুনানি করবেন আদালত।
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে হত্যা মামলার রায়ে স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন
৭৭১ দিন আগে
দুর্নীতির প্রতিবাদ করব, সংসদে নিপীড়িতদের পক্ষে কথা বলব: ব্যারিস্টার সুমন
হবিগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেছেন, দুর্নীতির প্রতিবাদ করব এবং সংসদে নিপীড়িতদের পক্ষে কথা বলব।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে অব্যাহতি
ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘আমার ভূমিকা আগের মতোই থাকবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, নিপীড়িত মানুষের পক্ষে কথা বলা এবং বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়ন।’
কী ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘একটি বা দুটি নয়। বাংলাদেশে কেউ কাজ করতে চায় না। তারপরও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে বিবেচনা করেন, তাহলে আমি অনেক কাজ করতে পারব।’
আরও পড়ুন: হবিগঞ্জ-৪ আসন: ব্যারিস্টার সুমনকে আবারও শোকজ
তিনি বলেন, ‘মাত্র পাঁচ বছর সংসদ সদস্য। আমি যদি খারাপ পারফর্ম করি, মানুষ আমাকে বের করে দেবে।’
পাঁচ বছরের জন্য জনগণ তাকে দায়িত্ব দিয়েছে বলেও মনে করেন ব্যারিস্টার সুমন।
আরও পড়ুন: সালাম মুর্শেদীর বাড়ি: দুটি ভিডিও সরাতে ব্যারিস্টার সুমনকে নির্দেশ
৭৭৩ দিন আগে
ঢাকা-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আওলাদকে শপথ পড়াতে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৪ আসনে ভোটের ফল স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত।
পাশাপাশি এ নির্বাচনে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী আওলাদ হোসেনকে অবিলম্বে শপথ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।
আরও পড়ুন: ১০ মামলায় মির্জা ফখরুলের জামিন আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করতে হাইকোর্টের নির্দেশ
আদালত আদেশে বলেছেন, রিটকারী সানজিদা খানম চাইলে যথাযথ নিয়মে হাইকোর্টে ইলেকশন পিটিশন দাখিল করতে পারবেন।
এর আগে সকালে গেজেট স্থগিত করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশ বাতিল চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করেন আওলাদ হোসেন।
আওলাদের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান জানান, হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করা হয়।
ইসির পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ। সানজিদা খানমের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এবিএম আলতাফ হোসেন, মোতাহার হোসেন সাজু, আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক।
আরও পড়ুন: বিকৃত সুরের ‘কারার ঐ লৌহ-কপাট’ গান সব অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে অপসারণের নির্দেশ হাইকোর্টের
এর আগে মঙ্গলবার ঢাকা-৪ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আসনটির ১৮টি কেন্দ্রে ভোটে অনিয়মের ঘটনা ১০ দিনের মধ্যে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী আওলাদ হোসেনকে বিজয়ী ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
নৌকার প্রার্থী আইনজীবী সানজিদা খানমের রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
বুধবার সকালে ঢাকা-৪ আসনের ভোটের ফল স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন করেন বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী আওলাদ হোসেন।
আরও পড়ুন: বগুড়ার বিএনপির নিখোঁজ দুই নেতার অবস্থান জানাতে হাইকোর্টের নির্দেশ
পরে চেম্বার বিচারপতি শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন।
সূত্রাপুর (ডিএসসিসি ওয়ার্ড ৪৭, ডিএসসিসি ওয়ার্ড ৫১, ৫২, ৫৩, ৫৪, ৫৮, ৫৯ ও ডেমরা উপজেলা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৪ আসন। এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সানজিদা খানমকে পরাজিত করে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আওলাদ হোসেন।
আওলাদ হোসেন মোট ভোট পান ২৪ হাজার ৭৭৫টি। সানজিদা খানম নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট পান ২২ হাজার ৫৭৭টি। এই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা লাঙল প্রতীক নিয়ে পান ৭ হাজার ৭৯৮ ভোট।
রবিবার (৭ জানুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ।
বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া সারা দেশে নির্বাচন মোটামুটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়। তবে নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে রিট করেন নৌকার প্রার্থী আইনজীবী সানজিদা খানম।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহ-৯ আসনে আ. লীগ প্রার্থী আবদুস সালামের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা হাইকোর্টের
৭৭৩ দিন আগে
রাজশাহী-২ আসনে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুর রহমান বাদশা
রাজশাহীর-২ আসনে (সদর) ১১২টি কেন্দ্রের সবকটির ফলাফলের ভিত্তিতে বেসরকারিভাবে কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী শফিকুর রহমান বাদশা নির্বাচিত হয়েছেন।
রবিবার (৭ জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় ভোট গ্রহণ শেষে ১১২টি কেন্দ্রের ফলাফলে ৫৫ হাজার ১৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন তিনি।
আরও পড়ুন: ভোট দিলেন মমতাজ, জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান এমপি বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৩১ হাজার ৪২৩ ভোট।
আওয়ামী লীগ নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুর রহমান বাদশার কাছে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হেরে যান ১৪ দলের মনোনীত নৌকার প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা।
শফিকুর রহমান রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি।
আরও পড়ুন: ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে, সরকারের সহযোগিতার প্রশংসা সিইসির
৭৭৬ দিন আগে