বাসচাপা
দিনাজপুরে বাসচাপায় শিশু নিহত, আহত ৫
দিনাজপুরে বাসচাপায় জুনায়েদ (৬) নামের এ শিশু নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আরও ৫ শিশু আহত হয়েছে। তারা সবাই একটি কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী ছিল।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে চিরিরবন্দরের আমতলী ব্রিজের ওপর এ দু্র্ঘটনা ঘটে।
নিহত জুনায়েদ চিরিরবন্দরের পলাশডাঙ্গী গ্রামের জুয়েলের ছেলে ছিল। আহত অপর ৫ শিক্ষার্থীকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ (দিমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
চিরিরবন্দর থানার উপপরিদর্শক মাইনুল জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা আহাদ পরিবহনের একটি বাস দিনাজপুর শহরে যাওয়ার সময় আমতলী ব্রিজের ওপর থেকে শিশুদের বহন করা স্কুলগামী একটি অটোভ্যানকে চাপা দেয়। এতে আমতলীর মোল্লা স্কুলের কেজি শ্রেণির ছাত্র জুনায়েদ ঘটনাস্থলে নিহত হয়।
এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, এ ঘটনায় দুজন গুরুতর আহতসহ মোট ৫ শিক্ষার্থীকে দিমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাসের চাপায় অটোভ্যানটি দুমড়েমুচড়ে গেছে। দুর্ঘটনার পর চালক বাসসহ পালিয়ে গেছেন।
২ দিন আগে
খাগড়াছড়িতে বাসচাপায় মোটরসাইকেলআরোহী নিহত
খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় চট্টগ্রাম–খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক সড়কে যাত্রীবাহী বাসচাপায় মোটরসাইকেলের এক আরোহী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের অপর আরোহী গুরুতর আহত হন।
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাইল্যাছড়ি স্কুলসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা খাগড়াছড়িগামী শান্তি পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল ধাক্কা খায়। বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের চালক কুবেন জয় ত্রিপুরা (২৮) নিহত হন। সেই সঙ্গে মোটরসাইকেলের অপর আরোহী হলেন ত্রিপুরা (১৯) গুরুতর আহত হন।
নিহত কুবেন জয় গুইমারা উপজেলার সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নের পঙ্খীমুড়া এলাকার বাসিন্দা কৃপাচার্য ত্রিপুরার ছেলে। হলেন ত্রিপুরা খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোনছড়া এলাকার মনোহরি ত্রিপুরার ছেলে।
আহত যুবককে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। নিহতের মরদেহ মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দী বলেন, দুর্ঘটনায় আহত একজন মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাসটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। ঘাতক বাসের চালক ও সহকারী পলাতক। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
১৬ দিন আগে
রাজশাহীতে বাসচাপায় শিক্ষার্থীসহ নিহত ৩
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় বাসচাপায় ব্যাটারিচালিত রিকশার যাত্রী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ছয়জন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার পোল্লাপুকুর এলাকায় রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ট্রিপল-ই) বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শান্ত ইসলাম। তিনি পুঠিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বারইপাড়ার আবুল হোসেনের ছেলে। এছাড়া একজন নারী ও পুরুষের লাশ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি বলে জানান পবা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক কাজী।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন- মুকুল হোসেন (৩৫), মোজাম্মেল হক (৫০), রিফাত হোসেন (৩০), আমিন (৪০) ও দুই শিশু। রামেক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মেডিকেলের ৮ ও ৩১ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শঙ্কর কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘পুঠিয়া থেকে হাসপাতালে দুজনকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছে। একই সঙ্গে আরও ছয়জন আহত অবস্থায় এসেছেন। তাদের হাসপাতালের ৮ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে। এছাড়া নারী ও পুরুষের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।’
ওসি মোজাম্মেল হক কাজী বলেন, দুর্ঘটনায়কবলিত অটোরিকশাটি পুঠিয়ার দিকে যাচ্ছিল। বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই শান্ত নিহত হন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজন পুরুষ ও একজন নারী মারা যান। তবে প্রাথমিক অবস্থায় তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয়রা বলেন, এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করলে কয়েক কিলোমিটার যানজট তৈরি হয়। দুই দিকে যান চলাচল বন্ধ হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েন বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা। এ ছাড়াও এ দুর্ঘটনার পর বাস চালককে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে বেলপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও উপপরিদর্শককে (এসআই) অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয় জনতা। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে তারা অবরুদ্ধ থাকে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেনাবাহিনী গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। এরপর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।
২৬ দিন আগে
পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজায় বাসচাপায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত
পদ্মা সেতুর শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠার সময় একটি বাসের চাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২ আগস্ট) রাত সোয়া ১০টার দিকে পদ্মা সেতুর নাওডোবা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, পদ্মা সেতু সার্ভিস এরিয়া থেকে এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠার সময় একটি অজ্ঞাত বাস মোটরসাইকেলটিকে পেছন থেকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই আরোহীর মৃত্যু হয়।
নিহতদের একজন হলেন মোহাম্মদ আলী অন্তু। তিনি ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুর এলাকার বাসিন্দা। জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। অপর ব্যক্তির নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
আরও পড়ুন: সিলেটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবক নিহত, আহত ১
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নকিব আকরাম হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে শিবচর হাইওয়ে থানার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে।
২০২ দিন আগে
মানিকগঞ্জে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
মানিকগঞ্জের সদর উপজেলায় সেলফী পরিবহন নামের একটি বাসের চাপায় তারা মিয়া (৩৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২১ জুন) সকাল ৮টার দিকে সদর উপজেলার ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের চরখণ্ড গোলড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তারা মিয়া সদর উপজেলার জাগীর ইউনিয়নের মৃত মোসলেম মিয়ার ছেলে।
আরও পড়ুন: নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত
গোলড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল সারোয়ার বলেন, ‘আজ সকালে মোটরসাইকেল চালিয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন তারা মিয়া। এ সময় সেলফী পরিবহনের দ্রুতগতির একটি বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি।’
এ ঘটনায় যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান ওসি সোহেল সারোয়ার।
২৪৫ দিন আগে
নরসিংদীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী তিন বন্ধু নিহত
নরসিংদীর শিবপুরে বাসচাপায় মোটরসাইকেলের আরোহী তিন তরুণ নিহত হয়েছেন। সম্পর্কে তারা একে অপরের বন্ধু ছিলেন।
সোমবার (৯ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা ইটাখোলা-শিবপুর আঞ্চলিক সড়কের বান্দারদিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— একই উপজেলার মাছিমপুর ইউনিয়নের মির্জাকান্দি এলাকার মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৫), একই এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে অপু মিয়া (২০) ও বদু মিয়ার ছেলে আশিক মিয়া (২৩)।
স্বজনরা জানান, সোমবার সন্ধ্যার দিকে সাইফুল, অপু ও আশিক নরসিংদী শহরে ঘুরতে গিয়েছিলেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে বান্দারদিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসের সামনে পড়ে যায় তাদের মোটরসাইকেল। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং তিনজনই সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলেসহ নিহত ৪
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সাইফুল ইসলাম ও আশিক মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে গুরুতর আহত অপু মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনিও মারা যান বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দুর্ঘটনার তিন তরুণের নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে শিবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অজয় বালা জানান, নিহতদের পরিবার থেকে অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২৫৬ দিন আগে
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাসচাপায় পথচারী নিহত
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মুন্সিগঞ্জের ষোলঘরে বাসের চাপায় ৬৫ বছরের অজ্ঞাত এক পথচারী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বিকালে এই ঘটনা ঘটে।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের উপ-সহকারী পরিচালক সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অজ্ঞাত পথচারীর লাশটি উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাঠানো হয়েছে।’
আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে বজ্রপাতে গৃহবধূ নিহত
হাসাড়া হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, ‘মিজান পরিরহনের একটি বাস পথচারীকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘মিজান পরিবহনের বাসটি আটক করা হয়েছে, তবে এর চালক পলাতক। আইনী প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’
২৯৮ দিন আগে
ময়মনসিংহে বাসচাপায় অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত
ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাসচাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও একজন।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে ত্রিশাল-মধুপুর সড়কের উপজেলার বীররামপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত একজনের নাম অনুফা বেগম। তিনি জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তবে নিহত অপরজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
আরও পড়ুন: ফেনীতে ট্রাকচাপায় অটোরিকশাচালক ও যাত্রী নিহত
স্থানীয়রা জানান, কিশোরগঞ্জের তাড়াইল থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাসটি ত্রিশাল হয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। রাত ৮টার দিকে ত্রিশাল-বালিপাড়া আঞ্চলিক সড়কে উপজেলার বীররামপুর এলাকা পর্যন্ত আসতেই বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস সিএনজিচালিত অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন অটোরিকশার দুই যাত্রী। এ সময় স্থানীয়রা আহত অবস্থায় অটোরিকশার চালককে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহমেদ বলেন, ‘স্থানীয়দের সহায়তায় বাসটি জব্দ করা সম্ভব হলেও চালক পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
৩১৬ দিন আগে
রাজশাহীতে বাসচাপায় অটোরিকশার নারী যাত্রী নিহত
রাজশাহী পবা উপজেলার রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার এক নারী যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন শিশুসহ চারজন।
শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার হরিপুর মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আরও পাড়ুন: যশোরে বাসচাপায় বাবা-মেয়ে নিহত, হাসপাতালে আরেক মেয়েসহ মা
নিহত নারীর নাম শারমিন (২৫)। সে পার্শ্ববর্তী গোদাগাড়ী উপজেলার হুজরাপুর এলাকার শামীম হোসেনের মেয়ে।
দামকুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, বাসের ধাক্কায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার এক নারী যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের সংকটাপন্ন অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বাসটি ঘটনাস্থলে ফেলে বাসের চালক এবং তার সহযোগীরা পালিয়েছেন।
৩২১ দিন আগে
যশোরে বাসচাপায় বাবা-মেয়ে নিহত, হাসপাতালে আরেক মেয়েসহ মা
যশোর শহরতলীর পুলেরহাটে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-মেয়ে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন মা ও আরেক মেয়ে।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকালে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পুলেরহাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— খুলনার মুজগুন্নীর রুবেল হোসেন (৩২) ও তার বড় মেয়ে ঐশি (১০) ।
আহতরা হলেন— রুবেলের স্ত্রী জেসমিন (২৮) ও ছোট মেয়ে তায়েবা (৪)।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে বাসচাপায় মা ও ২ মেয়েসহ নিহত ৪, আহত ২
স্থানীয়রা জানায়, রুবেল তার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে মোটরসাইকেলযোগে খুলনার মুজগুন্নীতে ফিরছিলেন। পথে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পুলেরহাট এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই রুবেল ও তার বড় মেয়ে ঐশী মারা যান। গুরুতর আহত হন রুবেলের স্ত্রী জেসমিন ও ছোট মেয়ে তায়েবা।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) (তদন্ত) কাজী বাবুল বলেন, ‘নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদেরও একই হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। বাসটির চালক ও হেলপারকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।’
৩২৩ দিন আগে