ঢামেক হাসপাতাল
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ কয়েদির ঢামেকে মৃত্যু
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে কেন্দ্রীয় কারাগারের অসুস্থ এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত ওই কয়েদির নাম মো. মামুন শেখ (৩৪)।
ঢামেক থেকে কারারক্ষী রবিন বলেন, ওই কয়েদি আজ (বুধবার) সকালে কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমরা কয়েকজন কারারক্ষী চিকিৎসার জন্য তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। ময়নাতদন্তের পর কারা কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।
৩ দিন আগে
রাজধানীতে এক ব্যক্তির হাতবাঁধা ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর রামপুরা থানা এলাকায় হাসান ভূঁইয়া (৪৩) নামে এক ব্যক্তির হাতবাঁধা ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তার স্ত্রী মিলাকে (২৮) জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত হাসানের বড় ভাই নাসির ভূইয়ার অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মিলা তাকে হত্যা করেছে। পরে পুলিশ এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেকের মর্গে পাঠিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘প্রেম করে ৬ বছর আগে মিলাকে বিয়ে করে আমার ছোট ভাই। বিয়ের পর থেকে আমাদের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না। তাদের ৫ বছরের একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে।
‘গতকাল সকালে জানতে পারি, ভাই আমার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি গলায় ফাঁস লাগানো আছে ঠিকই, কিন্তু তার পেছনে হাত বাঁধা রয়েছে। বাসার ছাদের পানির ট্যাংকির পাইপের সঙ্গে গলায় রশি ও হাত বেঁধে আমার ভাইকে তার স্ত্রী মিলা হত্যা করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক কোনো বিষয় নিয়ে ঝামেলার কারণে তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে সে। এ ঘটনার পর মিলাকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। আমি বাদী হয়ে রামপুরায় থানায় একটি মামলা দায়ের করেছি।’
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে মতিঝিল বিভাগের খিলগাঁও জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. আল আমিন জানান, গতকাল হাসান ভূঁইয়া নামে একজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কিন্তু মরদেহ উদ্ধার করার সময় তার হাত শরীরের পেছনে বাঁধা অবস্থায় ছিল। এতে মনে হচ্ছে, এটি একটি হত্যাকাণ্ড।
নিহতের বড় ভাই অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা সিসিটিভি ফুটেজ এবং বিভিন্ন বিষয়ে মাথায় রেখে তদন্ত করছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানান তিনি।
২১ দিন আগে
ঢামেকে বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে লাফিয়ে রোগীর আত্মহত্যা
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের আটতলার বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে লাফিয়ে পড়ে নাজমীন (২০) নামে এক রোগী আত্মহত্যা করেছে। তিনি কিডনি রোগে ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত নাজনীন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার জালাল মিয়ার মেয়ে ছিলেন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে নাজমীনের মা পারভিন বলেন, ‘দুই মাস আগে আমার মেয়ে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এসেছিলাম। এরপর গত রবিবার তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করিয়েছি। আমার মেয়ের স্বামী রায়হানের আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো না। তার পক্ষে চিকিৎসা সেবার খরচ বহন করা সম্ভব হচ্ছিল না।’
তিনি বলেন, ‘আজ সন্ধ্যার দিকে মেয়ে আমাকে বলে, “মা তোমাদের আর কষ্ট দেব না। তোমরা আমার মেয়েকে দেখে রেখো।” এর কিছুক্ষণ পরেই বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে আমার মেয়ে আট তলার বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে লাফিয়ে একটি প্রাইভেট কারের ওপর পড়ে। এতে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার মেয়ে অনেক কষ্ট নিয়ে মারা গেছে। আর্থিক অবস্থা ভালো থাকলে হয়তো তাকে দীর্ঘদিন চিকিৎসা করানো যেত। কিন্তু সে যে এমন একটি কাজ করবে, বিষয়টি আমরা বুঝতেই পারিনি।’
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি শাহবাগ থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
২৬ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে অতিরিক্ত মদ্যপানে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩
মুন্সীগঞ্জে অতিরিক্ত মদ্যপানের তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আরও তিনজন অসুস্থ অবস্থায় মুন্সীগঞ্জ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে গতকাল (শুক্রবার) বিকেল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন— টঙ্গীবাড়ি উপজেলার কাঁঠাদিয়া-শিমুলিয়া ইউনিয়নের কাঁঠাদিয়া গ্রামের বাচ্চু বেপারী (৬০), একই গ্রামের ইব্রাহিম মুন্সী (৬০) এবং সদর উপজেলার মহাকালী ইউনিয়নের ঘাসিপুকুরপাড় এলাকার হোসেন ডাক্তার (৬৫)।
এদের মধ্যে বাচ্চু বেপারী বৃহস্পতিবার রাতে এবং অন্য দুজন শুক্রবার মারা যান। অপরদিকে অতিরিক্ত মদ্যপানে অসুস্থ রহমতউল্লাহ বেপারীকে (৬০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর অসুস্থ আলামিন (৪৬) ও সিজানকে (২৮) স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে মদ্যপানে ৩ জনের মৃত্যুর অভিযোগ
স্থানীয়রা জানান, হতাহতরা দীর্ঘদিন ধরে মদ্যপানে অভ্যস্ত ছিলেন।
কাঁঠাদিয়া-শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতদের দাফন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকায় মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি, খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করছি।’
১৬৮ দিন আগে
হত্যার উদ্দেশ্যেই নুরকে আঘাত করা হয়: মির্জা ফখরুল
আঘাত যারাই করুক, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে হত্যার উদ্দেশ্যেই আঘাত করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নুরকে দেখতে গিয়ে মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যে বিষয়টি আমার সবচেয়ে খারাপ লেগেছে তা হলো, যারাই আঘাত করুক, নুরুল হক নুরকে হত্যার উদ্দেশ্যেই যে আঘাত করা হয়েছিল, তা পরিষ্কার।’
নুরের শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো, কিন্তু এখনো আশঙ্কা কাটেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তার (নুর) যে জায়গাগুলোতে ইনজুরি হয়েছে, সেই জায়গাগুলো খুব ফ্যাটাল (মারাত্মক)। তার ব্রেনেও (মস্তিষ্কে) ইনজুরি হয়েছে, ব্লিডিং (রক্তপাত) হয়েছে।’
‘চিকিৎসকদের সঙ্গে আলাপ করে জানতে পেরেছি, এখানে চিকিৎসার কোনো ত্রুটি হয়নি; সব ঠিকঠাক আছে। এখানে কিছুদিন রেস্ট (বিশ্রাম) নেওয়ার পরে বাইরে ইভ্যালুয়েশনের (মূল্যায়নের) দরকার। সে এখনো খেতে পারছে না, পাইপ দিয়ে লিকুইড খেতে হচ্ছে। তার রিকভারি হতে সময় লাগছে।’
আরও পড়ুন: ক্ষমতায় গেলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনবে বিএনপি: মির্জা ফখরুল
নুরের শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনে তাকে দেশের বাইরে পাঠানো দরকার বলেও মনে করেন এই রাজনীতিক।
তিনি আরও বলেন, অভ্যুত্থানের পরও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো যদি আমাদের নেতাদের ওপর এভাবে আক্রমণ করে, তাহলে সাধারণ মানুষকে কী করছে চিন্তা করুন। এটা আমি কোনোমতেই মেনে নিতে পারি না। প্রধান উপদেষ্টা যে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দিয়েছেন, সেটা দ্রুত শেষ করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আমি সরকারের কাছে বলি, তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে পাঠানো উচিত।
১৭২ দিন আগে
চকবাজারে দুই বাসের চাপায় পথচারী নিহত
রাজধানীর চকবাজারে বুয়েটের সামনে বকসীবাজার মোড়ে রাস্তা পারাপারের সময় দুই বাসের মাঝখানে চাপা পড়ে এক পথচারী নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) দিনগত রাত দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ওই ব্যক্তির নাম জহিরুল হক (৫২)।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত জহিরুল পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার বাবুপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে। তার ছোট ছেলে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
নিহতের বোন সিনথিয়া আক্তার জানান, ভাই তার অসুস্থ ছেলেকে দেখতে ঢামেকে আসার পথে বুয়েট ও বকশীবাজার মোড়ের মাঝামাঝি এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় দুই বাসের মাঝে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।
২২৭ দিন আগে
ওষুধ ঘাটতি-সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ঢামেক হাসপাতালে
ওষুধ সংকটসহ ‘ব্যাপক’ অনিয়ম রয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ফলে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত রোগীরা প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা পাচ্ছেন না।
অধিকাংশ সময়ই হাসপাতালে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি রোগী ভর্তি থাকে। ওয়ার্ডগুলোতে অতিরিক্ত রোগীর কারণে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।
বিভিন্ন বিভাগের প্রতিবেদনে ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে: অস্বচ্ছ পরিবেশ, নিম্নমানের খাবার, জনবলের ঘাটতি এবং অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে হাসপাতালের করিডোর ও মেঝেতে রোগীর ভিড়।
রোগীদের অভিযোগ দিন দিন বেড়ে চলেছে বলে স্বীকার করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান খান।
আরও পড়ুন: অব্যবস্থাপনায় জর্জরিত ঢামেক হাসপাতাল
তিনি বলেন, 'আমরা এসব সমস্যা সম্পর্কে জানি এবং এগুলো সমাধানের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’
তবে,বর্তমানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। ওষুধের দীর্ঘস্থায়ী ঘাটতি অন্যতম বড় সমস্যা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোগী জানান, হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ পেতে নানা অসুবিধার মুখে পড়তে হয়।
তিনি বলেন, 'অধিকাংশ প্রয়োজনীয় ওষুধই এখানে পাওয়া যায় না। বাইরের ফার্মেসি থেকে বেশি দামে এগুলো কেনা ছাড়া আমাদের উপায় থাকে না।’
হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে বলা হয় ওষুধ নেই, অথচ বাইরের ফার্মেসিগুলোতে ঠিকই পাওয়া যাচ্ছে। একারণে ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সন্দেহ দেখা দেয়।
গ্রাম থেকে এখানে চিকিৎসা নিতে আসা এক নারীকে দেখা যায় পাশের একটি ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে যেতে। তার সঙ্গে আরেক ব্যক্তি ছিলেন। তিনি তার আত্মীয় নন।
তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় বা রোগীদের ফার্মেসিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য কমিশন পাচ্ছেন কি না-জানতে চাইলে তিনি দ্রুত উত্তর এড়িয়ে যান।
ওষুধের ঘাটতির বিষয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান খান বলেন,সরবরাহের ঘাটতির কারণে সমস্যা রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সরকার প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ না করলে আমরা কী করতে পারি? অনেক আইটেম আমাদের দরকার, অথচ সরবরাহ করা হচ্ছে না।’
এছাড়া কিছু সংখ্যক রোগী অভিযোগ করেছেন, তারা কয়েক দিন ধরে মাত্র এক ধরনের ওষুধ পাচ্ছেন। রোগীদের প্রায়ই বাইরের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে। এ কারণে রোগীদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছে।
ওষুধ ঘাটতির প্রধান কারণ হিসেবে বাজেট ঘাটতির কথা উল্লেখ করেন একজন হাসপাতাল কর্মী।
তিনি বলেন, ‘সরকারের কাছ থেকে আমরা ওষুধ পাচ্ছি না। বাজেটের ঘাটতির কারণে সব ধরনের ওষুধ সরবরাহ সবসময় সম্ভব হয় না। সম্পূর্ণ চাহিদা পূরণ করতে বাজেট বাড়িয়ে দ্বিগুণ করতে হবে।’
তবে, বর্তমান বাজেট বরাদ্দের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানান।
আরও পড়ুন: ঢামেক ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের বহির্বিভাগ পুরোদমে চালু
সিন্ডিকেট ও ঘুষের অভিযোগ
হাসপাতালের অভ্যন্তরে ঘুষ ও দুর্নীতির ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। একারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে উঠেছে।
হাসপাতালের কর্মচারী ও ওয়ার্ড সহকারীরা হুইলচেয়ার সরবরাহ এবং বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন রোগী। এই ধরনের অনৈতিক কার্যকলাপ রোগীদের খরচ বাড়িয়ে তুলছে।
হাসপাতালে দেখা গেল, এক রোগীকে সহযোগিতা করছিলেন এক একজন অনিবন্ধিত কর্মী। এই সহযোগিতার জন্য তিনি টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আমরা কাউকে জোর করি না আমাদের টাকা দিতে, কিন্তু যদি তারা দেয়, তাহলে তা আমাদের সহায়ক হয়।’
এই ধরনের অনৈতিক কার্যকলাপের কথা স্বীকার করেছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান খান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসব সমস্যার সমাধানে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বলেও তিনি জানান।
পরিচালক বলেন, ‘দুই পক্ষই এ সমস্যার জন্য দায়ী। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা কয়েকজনকে বরখাস্ত করেছি এবং এমন কার্যকলাপ বন্ধে কাজ করছি। যদিও সম্পূর্ণ নির্মূল এখনো সম্ভব হয়নি।’
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে, স্বাস্থ্যখাতে সিন্ডিকেটের ব্যাপক প্রভাব নিয়ে মন্তব্য করেন হাইকোর্ট।
এসব সিন্ডিকেটকে "জীবন নিয়ে ছিনিমিনি" বলেও আখ্যা দেন আদালত। তাদের বিরুদ্ধে মেয়াদ উত্তীর্ণ (পাওয়ার তারিখ শেষ) ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ করে মুনাফা অর্জনের অভিযোগ তোলেন।
এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে এবং গরিব রোগীদের এই ধরনের শোষণমূলক কার্যকলাপ থেকে রক্ষা করতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত।
চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের সংকট
বাংলাদেশের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ওষুধের সরবরাহ দীর্ঘদিন ধরে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।
২০২০ সালে একটি জরিপে জানা যায় যে ৭২ শতাংশ সরকারি হাসপাতালে ওষুধের ঘাটতি নিয়মিত। এটি রোগীদের চিকিৎসা সেবা গ্রহণের বাধা তৈরি করছে।
ওষুধের ঘাটতির জন্য বেশ কিছু কারণ দায়ী। এর মধ্যে বাজেট বরাদ্দের অপ্রতুলতা, সীমিত স্বাস্থ্য বিমা এবং বহিরাগত রোগীর সংখ্যা অত্যধিক হওয়া।
জনস্বাস্থ্য খাতে গত ১২ বছরে দেশের জিডিপির ১ শতাংশের এরও কম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এটি জনসংখ্যা বৃদ্ধির তুলনায় প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানে অপ্রতুল। স্বাস্থ্যবিমা না থাকার কারণে অধিকাংশ রোগী নিজ খরচে চিকিৎসা করতে বাধ্য হন। এ কারণে সরকারি হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ বাড়ায়।
এ ধরনের চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও, পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিশ্বব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করেছে, যার মধ্যে ছিল কোভিড-১৯ সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তা করার জন্য ভ্যাকসিন, সিরিঞ্জ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করা।
তাছাড়া, সরকার জনস্বাস্থ্য খাতকে ব্যাপকভাবে ভর্তুকি দেয়, তবে ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এই ভর্তুকি প্রায়ই অপ্রতুল।
২০১৩ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি গবেষণা পরিচালনা করা হয়। সেখানে হাসপাতালের চিকিৎসা সরবরাহ ব্যবস্থায় আরও কিছু সমস্যার কথা উঠে আসে।
গবেষণাটি হাসপাতাল শপের কর্মীদের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়েছিল। এতে দেখা যায়, অর্ধেকেরও বেশি ওষুধ ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে কেনা হয় এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ওষুধ সরাসরি কেনা ও দান হিসেবে আসে।
তবে, হাসপাতালের ফার্মেসিতে সঠিক সংরক্ষণের সুবিধার অভাব রয়েছে। সেখানে কোনো এয়ার কন্ডিশনিং বা রেফ্রিজারেশন সুবিধা নেই।
ব্যবস্থা গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, স্টোরেজ সুবিধা এবং প্রশিক্ষণ উন্নত করার আহ্বান জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ভবিষ্যতের দৃষ্টি
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিস্থিতি বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পর্কে উদ্বেগজনক চিত্র উপস্থাপন করে।
যদিও পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য প্রচেষ্টা চলছে, রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীরা আরও ব্যাপক সংস্কার, বাড়তি তহবিল এবং স্বচ্ছতার জন্য আহ্বান জানান। তাহলে বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা জনগণের প্রকৃত চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবে বলে ধারণা তাদের।
আরও পড়ুন: ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় ২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
৪৬৮ দিন আগে
অব্যবস্থাপনায় জর্জরিত ঢামেক হাসপাতাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা ও অতিরিক্ত চাপের কারণে রোগীদের সেবাদান ব্যাহত হচ্ছে।
ধারণ ক্ষমতার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ রোগী হওয়ায় সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ফলে রোগী ও তাদের স্বজনদের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হচ্ছে।
হাসপাতালে ভর্তির পরই তারা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অপর্যাপ্ত খাদ্য ও পর্যাপ্ত জনবলের অভাবের সম্মুখীন হন।
আসন সংকটের কারণে অনেক রোগীকে জনাকীর্ণ করিডোর ও ওয়ার্ডের মেঝেতে শুয়ে থাকতে দেখা যায়।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান খান ক্রমবর্ধমান সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন, চলমান এসব সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নিচ্ছেন।
চিকিৎসায় বিলম্ব ও ওষুধের অভাব
ময়মনসিংহে এক দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত পাওয়া আলাল উদ্দিন ৪ অক্টোবর থেকে করিডোরে অপেক্ষা করছেন, কিন্তু এখনও বিছানা পাননি।
তার ভাই জালাল উদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রয়োজনের সময় নার্সদের পাওয়া যায় না, এমনকি ডাক্তারদেরও খুঁজে পাওয়া কঠিন।’
আরেক রোগী ২৪ বছর বয়সি জাহিদ হাসান ২ অক্টোবর ভর্তি হয়েছেন। তিনিও একই রকম সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা জাহিদের বাবা জানান, ‘প্রেসক্রাইব করা একটি ইনজেকশন এখনও দেওয়া হয়নি, বলা হচ্ছে সেটি স্টকে নেই, যদিও হাসপাতালের ফার্মেসিতে তালিকাভুক্ত।’
ওষুধের অভাবে অনেক রোগী বাইরের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
পরিচ্ছন্নতার অভাব
হাসপাতালে রোগীর অতিরিক্ত চাপের কারণে পরিচ্ছন্নতার মান বজায় রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মীরা।
তবে অপরিচ্ছন্নতার জন্য লোকজনের আচরণও দায়ী বলে মনে করেন হাসপাতালের পরিচালক। তিনি বলেন, ‘শৌচাগারগুলোর পাইপলাইনে প্রায়ই অপ্রয়োজনীয় বস্তু আটকে যায় এবং পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া প্রতিটি শৌচাগার প্রায় ১০ জন লোক ব্যবহার করেন, তাই সঠিক স্যানিটেশন বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।’
হাসপাতালের রান্নাঘরেও দেখা গেছে নানা রকম সমস্যা। যেখানে রান্না করা হচ্ছে, তার আশপাশে বর্জ্য জমে রয়েছে। খাদ্যদ্রব্যগুলো ঢেকে রাখা হয়নি। এগুলো রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি তৈরি করছে।
জনবল সংকট ও আর্থিক সীমাবদ্ধতা
পরিচালকের মতে, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর অভাব পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলছে। তিনি বলেন, ‘জনবল না বাড়ালে এরকম অব্যবস্থাপনা চলতেই থাকবে।’
এছাড়াও, প্রতিদিনের জন্য রোগীপ্রতি মাত্র ১৫০ টাকা খাদ্য বাজেট যথেষ্ট নয় বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে খাবারের মান উন্নয়নের জন্য এটি ২০০ টাকায় উন্নীত করার সুপারিশ করেন।
দুর্নীতির কারণে আর্থিক চাপ
বেশ কয়েকজন রোগী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ, রোগীদের জন্য হুইলচেয়ার সহায়তা মৌলিক সেবার মধ্যেই পড়ে। অথচ এর জন্য হাসপাতালের কর্মচারীদের ৫০-১০০ টাকা পরিমাণ বকশিস দিতে হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ওয়ার্ড সহকারী বলেন, ‘রোগীরা যদি আমাদের কিছু দেন, তাহলে আমাদের ব্যক্তিগত খরচ মেটাতে সহায়ক হয়।’
হাসপাতালের পরিচালক এই সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘এ ধরনের কাজে জড়িতদের আমরা বরখাস্ত করেছি, তবে পুরোপুরি এই প্রথা নির্মূল করা এখনো চ্যালেঞ্জিং।’
৪৬৯ দিন আগে
ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় ২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) দুই প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলামের স্ই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন: ঢাকাসহ অন্যান্য জেলায় চলছে সহিংসতা, ঢামেকে ভর্তি ২০
ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে এক রোগীর স্বজনদের হামলার পরদিনই বিজিবির দুই প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়।
চিকিৎসকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চিকিৎসকরা ধর্মঘটের ডাক দেওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ (ঢামেক) সারাদেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢামেকে মারধর ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি
গত শনিবার ঢামেক হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের তিন চিকিৎসক লাঞ্ছিত হন। হামলার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দায়ীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে আল্টিমেটাম দেন চিকিৎসকরা। তবে চিকিৎসকরা তাদের হতাশা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই ধর্মঘটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বলেন, হামলায় জড়িত চারজনকে আটক করে সেনা সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে ঢামেকে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান
একই সঙ্গে বিষপান করা এক রোগীকে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। এরপরই রোগীর স্বজনরা জরুরি বিভাগে ভাঙচুর চালায়।
৫৩৮ দিন আগে
কোটা আন্দোলনে নরসিংদীতে আহত কৃষকের মৃত্যু ঢামেক হাসপাতালে
নরসিংদীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় আহত হওয়া কৃষক আবদুর রহমান (৪৪) মারা গেছেন।
ঢামেক হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া।
আরও পড়ুন: বরিশালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত ১৫, আটক ১০
নরসিংদী সদর উপজেলার দক্ষিণ চোগা গ্রামের কৃষক আবদুর রহমান। এছাড়া তিনি সহকারী কাজী হিসেবেও কাজ করতেন।
গত ২০ জুলাই নরসিংদীর পাঁচদোনা মোড়ে সংঘর্ষে আহত হলে তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তার শ্যালক আবুল বাশার জানান, তার পেছনে গুলি লেগেছিল।
বাচ্চু মিয়া জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।
এর আগে রবিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানিয়েছিলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতায় ১৫০ জন নিহত হয়েছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিহতদের মধ্যে ছাত্র, সমাজকর্মী, পুলিশ কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগ নেতা ও বিভিন্ন পেশার মানুষ রয়েছেন।
আরও পড়ুন: 'মার্চ ফর জাস্টিস': যশোরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল
‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের গ্রেনেড-টিয়ারশেল নিক্ষেপ
৫৭০ দিন আগে