শিক্ষক বহিষ্কার
যৌন হয়রানির অভিযোগে বেরোবির দুই শিক্ষক বহিষ্কার
যৌন হয়রানির অভিযোগে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) দুই শিক্ষককে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৯তম সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
বহিষ্কৃত দুই শিক্ষক হলেন— বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর মো. শামীম হোসেন এবং দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শাকিবুল ইসলাম। এ ছাড়াও ড. শাকিবুল ইসলাম আর কখনোই মেয়েদের সুপারভাইজার হতে পারবেন না বলেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
দুই শিক্ষককে বহিষ্কারের সত্যতা নিশ্চিত করে উপাচার্য ডক্টর শওকাত আলী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাই বরদাশত করা হবে না।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও সিন্ডিকেট সদস্য সচিব ড. মো. হারুন অর রশীদ বলেন, তদন্ত কমিটি তাদের ব্যাপারে শাস্তির সুপারিশ করেছে। শাস্তি নির্ধারণ করবে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল। তাদের ট্রাইব্যুনালে ন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল থেকে সুনির্দিষ্ট শাস্তি আসা অবধি তারা সাময়িকভাবে বরখাস্ত থাকবেন।
গত ২ নভেম্বর দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অভিযুক্ত অধ্যাপক ড. শাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে একই বিভাগের এক শিক্ষার্থী প্রক্টর ড. ফেরদৌস রহমান এবং ছাত্র পরামর্শ দপ্তরের পরিচালক ও যৌন-নিপীড়ন সেলের সদস্য সচিব ড. ইলিয়াছ প্রামাণিক এবং বিভাগীয় প্রধান বরাবর যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছিলেন। অন্যদিকে, ৩০ অক্টোবর ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগেও এক নারী শিক্ষার্থী ৩১ পৃষ্ঠার হাতে লেখা অভিযোগপত্রে শিক্ষক শামীম হোসেনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছিলেন।
১৩ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় এসএসসি পরীক্ষার খাতা নিয়ে গেল বাড়ি, পরীক্ষার্থীসহ ২ শিক্ষক বহিষ্কার
ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে স্থগিত হওয়া এসএসসির কৃষি শিক্ষা বিষয়ের পরীক্ষার খাতা জমা না দিয়ে বাড়ি নিয়ে চলে যায় এক পরীক্ষার্থী। রবিবার (২৮ মে) এমনই এক ঘটনা ঘটেছে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে।
পরে ওই পরীক্ষার্থীর বাড়ি থেকে পুলিশ এসএসসি পরীক্ষার খাতা উদ্ধার করে এবং এ ঘটনায় ওই পরীক্ষার্থীসহ দায়িত্বে অবহেলার কারণে দুই শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে।
অভিযুক্ত পরীক্ষার্থীর নাম আল-আমিন।
আরও পড়ুন: ঢাবির বাংলা বিভাগের পরীক্ষায় কান-মুখ খোলা রাখতে হবে
এছাড়া বহিষ্কৃত দুই শিক্ষক হলেন- কুমারী ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল হক ও হাবিবুর রহমান।
জানা যায়, আলমডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দেওয়ার সময় সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে আল-আমিন তার পরীক্ষার খাতা নিয়ে বাড়িতে চলে যান। পরীক্ষা শেষে খাতা গণনার সময় একটি খাতা কম পাওয়ায় কেন্দ্রজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। এরপর বিষয়টি জানানো হয় পুলিশকে।
ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে জানা যায় আল-আমিন পরীক্ষার খাতা বাড়িতে নিয়ে চলে গেছে। পরে পুলিশ উপজেলার জামজামি থেকে ওই পরীক্ষার্থীর বাড়ি থেকে পরীক্ষার খাতা উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় পরীক্ষার্থী আল-আমিনকে বহিষ্কার করা হয়। এছাড়া দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ডিউটি থেকে বহিষ্কার করা হয় কুমারী ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল হক ও হাবিবুর রহমানকে।
আরও পড়ুন: মায়ের দোয়া চেয়ে পরীক্ষা হলে ছেলে, পরীক্ষা শেষে মায়ের জানাজায় ছেলে
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনার পর ওই কেন্দ্রের হল সুপার আমার থানা থেকে পুলিশ ফোর্স নিয়ে ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি থেকে খাতা উদ্ধার করেছে।
তিনি আরও জানান, বাকি বিষয় তাদের হাতে। আমার শুধু খাতা উদ্ধার করে দিয়েছে।
হল সুপার ও আলমডাঙ্গা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বলেন, পরীক্ষা শেষে সবার অগোচরে আল-আমিন খাতা নিয়ে বাড়িতে চলে যান। বিষয়টি শনাক্ত করে আল-আমিনের বাড়ি থেকে খাতা উদ্ধার করে পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, আল-আমিনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া দায়িত্বে অবহেলার কারণে দুই শিক্ষককেও বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রনি আলম নূরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পরীক্ষার খাতা জমা না দিয়ে বাড়িতে নেওয়ার কারণে এক পরীক্ষার্থী ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: এসএসসি পরীক্ষায় অভিনব কায়দায় নকল: ৫ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার
৯৯৯ দিন আগে
হলে স্মাটফোন ব্যবহার: এসএসসি পরীক্ষা থেকে ৪ শিক্ষক বহিষ্কার
সিলেটের বিশ্বনাথে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে বিধি বহির্ভূতভাবে কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালনরত চার শিক্ষককে স্থায়ীভাবে দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে তাদের নাম জানা যায়নি।
রবিবার (১৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চন্দ্র দাস বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
আরও পড়ুন: বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় সাতক্ষীরায় আ’লীগের ৯ নেতা-কর্মী বহিষ্কার
তিনি জানান, সরকারি নির্দেশনা না মেনে বিশ্বনাথ মাদরাসার পরীক্ষা কেন্দ্রে স্মাটফোন ব্যবহার কালে তাদেরকে হাতেনাতে ধরা হয়। পরে তাদেরকে স্থায়ীভাবে দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সেই সাথে অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলোতে তাদের কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
আরও পড়ুন: নড়াইলে ১১ ইউনিয়নের ১৫ আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বহিষ্কার
১৫৬০ দিন আগে