প্রধান নির্বাচন কমিশনার
গণতন্ত্রের ট্রেন যাত্রা শুরু করেছে, স্টেশনে পৌঁছাবেই: সিইসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের ট্রেন যাত্রা শুরু করেছে। এই ট্রেন স্টেশনে পৌঁছাবেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
সিইসি বলেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে বাংলাদেশ গণতন্ত্রায়নের ট্রেনে উঠে গেছে। নির্বাচনের দিনগুলোতে মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে গ্রামে-গঞ্জে ছুটেছে। অনেক দিন পর ভোটের যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তা মানুষকে উদ্বেলিত করছে।’
তিনি বলেন, চলমান নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে। আস্থা না ফিরলে এত মানুষ ভোটকেন্দ্রে আসতেন না।
নির্বাচনের ব্যাপকতার কথা তুলে ধরে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমার প্রায় ১৭ লক্ষ লোক কাজ করছে। এই ইলেকশনটা কন্ডাক্ট করার জন্য সাড়ে ৯ লক্ষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রায় আট লক্ষ হচ্ছে যে পোল কালেক্টর যারা বুথ কালেকশন করবেন; এই সাড়ে ১৭ লক্ষ লোককে এক সুতোই গাঁথা এটা যে একটা কত কঠিন কাজ আপনারা একবার একটু কল্পনা করে দেখুন।’
তিনি জানান, দায়িত্ব পালনের আগে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ সমন্বিত আয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সিইসি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এসেছি। আমরা জানি না সামনে আরও কী চ্যালেঞ্জ আসবে। ইনশাল্লাহ আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে আমরা সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করব। এবং বাংলাদেশ যে গণতন্ত্রের পথে রওনা দিয়েছে। গণতন্ত্রের ট্রেন ইনশাল্লাহ স্টেশনে পৌঁছাবে। আপনাদের সবার সহযোগিতা চাই।’
তিনি জানান, কমিশন একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ দেশে আর কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমরা একটা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পক্ষে। আমরা কারও পক্ষে না, আবার কারও বিপক্ষেও না।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘আমি একটা কথা বলেছিলাম যে, এদেশে কোনো পাতানো নির্বাচন আর হবে না। এই পাতানো নির্বাচনের ইতিহাস আমাদেরকে ভুলে যেতে হবে। এখানে এই কেন্দ্র দখলের ইতিহাস আমাদের ভুলে যেতে হবে। ভোটের বাক্স দখলের ইতিহাস আমাদের ভুলে যেতে হবে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন গুজব বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং এআইয়ের তৈরি কনটেন্ট আমাদের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ। এসব আপাতত মোকাবিলায় আমরা অনেক প্রস্তুতি নিয়েছি, তারপরও এসব গুজব মোকাবিলা করে শেষ করা যাচ্ছে না। এসব গুজবের বড় উৎস দেশের সীমানার বাইরে, যেখানে আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তাই আমরা সত্য তথ্য দিয়ে অপতথ্য মোকাবিলার কৌশল নিয়েছি।’
ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি সামাজিক মাধ্যমে কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে যাচাই করার অনুরোধ জানান।
৯ দিন আগে
অস্বাভাবিক ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ বিএনপির, সিইসির কাছে আসনভিত্তিক তথ্য দাবি
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু নির্বাচনি এলাকায় অস্বাভাবিক সংখ্যক ভোটার স্থানান্তরিতের অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। দলটি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে এলাকাভিত্তিক ভোটার স্থানান্তরের বিস্তারিত তথ্য দাবি করেছে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘গত এক-দেড় বছরের মধ্যে বিশেষ কিছু এলাকায় বিপুল সংখ্যক নতুন ভোটার হয়েছে, যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। ইসি জানিয়েছে কোনও আসনেই ২ থেকে ৩ হাজারের বেশি মাইগ্রেশন হয়নি। কিন্তু আমরা এই তথ্যে সন্তুষ্ট হতে পারিনি। আমাদের কাছে অভিযোগ আছে, অনেক জায়গায় একটি হোল্ডিং নাম্বারে যেখানে ৫ জন থাকার কথা, সেখানে ২০-৩০ জন ভোটার করা হয়েছে।” তিনি এই মাইগ্রেশনের সঠিক ও আসনভিত্তিক তথ্য প্রকাশের দাবি জানান।
নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ধরে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘কোনও কোনও এলাকায় ধর্মীয় বিশ্বাস ও আবেগকে আহত করা হচ্ছে। প্রচার করা হচ্ছে যে কবরে ফেরেশতারা তিনটি প্রশ্নের বদলে চারটি প্রশ্ন করবেন; চতুর্থ প্রশ্ন হবে—অমুক প্রতীকে ভোট দিয়েছো কিনা? এটি হাস্যকর এবং চরম দুর্ভাগ্যজনক। মানুষের বিশ্বাস নিয়ে খেলা করা কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী ও নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জকরিয়া।
২০ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে নয়: ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল, রাজনীতিক বা নির্বাচনী ফলাফলের পক্ষে নয়। বরং আশা করে আগামী বছরের শুরুর দিকে নির্বাচন শান্তি ও নিরাপত্তার পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার(১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন এই কূটনীতিক এমন মন্তব্য করেন।
ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বা যুক্তরাষ্ট্র সরকার কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করে না। তবে আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তাদের কর্মসূচি ও লক্ষ্য বোঝার জন্য বৈঠক করে থাকি।
তিনি বলেন, আমরা কোনো নির্দিষ্ট রাজনীতিবিদকেও সমর্থন করি না। তবে তাদের লক্ষ্য বোঝার জন্য তাদের সঙ্গে দেখা করি। আমরা কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনী ফলাফলও সমর্থন করি না। এটা সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের জনগণের সিদ্ধান্ত। আমরা সেই প্রচেষ্টায় আপনাদের সর্বোচ্চ সফলতা কামনা করি।
পড়ুন: নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ নেই: আইন উপদেষ্টা
জ্যাকবসন বলেন, আমি আমার কিছু সহকর্মীকে নিয়ে এখানে এসেছি শুনতে, জানতে এবং বুঝতে। যেহেতু বাইরে অনেক গুজব ও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়াচ্ছে।
মার্কিন সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ও ইসিকে সমর্থন করি, যাতে তারা আগামী বছরের শুরুর দিকে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের রূপরেখা নির্ধারণ করতে পারে। আমরা আশা করি, সেই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে এবং তা একটি সফল গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে, যা বাংলাদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে।
সভার সময় জ্যাকবসনের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল। অন্য দুই সদস্য হলেন দূতাবাসের রাজনৈতিক প্রধান ডেভিড মু ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ফিরোজ আহমেদ।
১৭৩ দিন আগে
জাতীয় নির্বাচনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে ইসি: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কঠোরভাবে কাজ করছে।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
সিইসি বলেন, ‘এআইয়ের অপব্যবহার আমাদের জন্য বড় হুমকি হতে পারে। আমরা এ বিষয়ে কানাডার সহযোগিতা চেয়েছি। কারণ, গত বছর ওই দেশটি নির্বাচনে এ ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। আমরা তাদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরামর্শ চেয়েছি এবং বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি।’
বিদেশি পর্যবেক্ষকদের নিয়ে ইসির অবস্থান
গত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে অভিহিত করা বিদেশি পর্যবেক্ষকদের এবার আমন্ত্রণ জানাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সিইসি নাসির উদ্দিন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যারা গত তিনটি নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য বলেছে, আমরা কেন তাদের আবার আমন্ত্রণ জানাব? আমরা কেবল সেইসব পর্যবেক্ষকদের আমন্ত্রণ জানাব, যারা নির্ভরযোগ্য, অভিজ্ঞ এবং বিভিন্ন দেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতা রাখেন। অতএব, আমরা তাদের নেব এবং আগের তিন নির্বাচনকে স্বীকৃতি দেওয়া পর্যবেক্ষকদের বাদ দেব।’
আরও পড়ুন: বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে চীনা রাষ্ট্রদূত
আগামী নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক বিদেশি পর্যবেক্ষক উপস্থিত থাকবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন সিইসি।
সিইসি বলেন, কানাডার কূটনীতিকরা নির্বাচনের জন্য কমিশনের প্রস্তুতি এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের সম্ভাব্যতা জানতে চেয়েছেন। এর জবাবে কমিশন তাদের যাবতীয় প্রস্তুতির কথা বিস্তারিত জানিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কমিশন সারা দেশে ভোটারদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক প্রচারণা চালাবে। ভোটকেন্দ্রের কর্মী, পর্যবেক্ষক এবং পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করবে।
সিইসি বলেন, ‘‘এই প্রক্রিয়ায় কানাডা আমাদের পাশে থাকবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। তারা বলেছে, ‘আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব— তা অব্যাহত থাকবে।’ তারা চায় বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক।’’
তিনি জানান, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার নির্বাচন কমিশনের প্রতিশ্রুতিতে বিদেশি দেশগুলো আস্থা প্রকাশ করেছে। কানাডা আমাদের প্রতিশ্রুতি শুনে খুশি। তারা কমিশনের প্রতি খুবিই সন্তুষ্ট।
নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘কানাডার কূটনীতিকরা জানতে চেয়েছিলেন নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয়েছে কিনা। আমি তাদের বলেছি, এখনো কোনো তারিখ নির্ধারিত হয়নি।’
২২৮ দিন আগে
বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া আমাদের লক্ষ্য: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাছির উদ্দীন বলেছেন, পূর্ববর্তী কমিশনগুলোর রীতি থেকে বের হয়ে এসে সত্যিকার অর্থে গ্রহণযোগ্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রমাণ করতে সংকল্পবদ্ধ যে, আমরা আগের দুই-তিনটি নির্বাচন কমিশনের মতো নই। আমাদের লক্ষ্য জাতিকে একটি সত্যিকারের বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া।’
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে নির্বাচনি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা, ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
জাতীয় নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ও সময় এখনো নির্ধারণ করা না হলেও সিইসি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার ১৬ ডিসেম্বরের ভাষণের ইঙ্গিতের ভিত্তিতে কমিশন ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে।
নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের বর্তমান অগ্রাধিকার হলো জাতীয় নির্বাচন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি এখনো শুরু হয়নি ‘
আরও পড়ুন: নিষিদ্ধ না হলে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে আ. লীগ: সিইসি
প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মৃত ব্যক্তি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে কমিশন।
সিইসি ভোটার তালিকায় তাদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করে তরুণদের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। জাতীয় নির্বাচনের জন্য আরও প্রস্তুতি সংস্কার কমিশনের অনুসন্ধান এবং সুপারিশের উপর নির্ভর করবে বলেও জানান তিনি।
কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দুলাল তালুকদারের সভাপতিত্বে সভায় কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ফেনীসহ এ অঞ্চলের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৪১৭ দিন আগে
প্রধান নির্বাচন কমিশনার হলেন নাসির উদ্দিন
সাবেক সচিব এ এম এম নাসির উদ্দিনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
এছাড়া পৃথক আরেকটি প্রজ্ঞাপনে আরও চারজনকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অন্য কমিশনাররা হলেন-সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ, সাবেক যুগ্ম সচিব বেগম তাহমিদা আহমদ এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
এর আগে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। প্রস্তাবিত ১০ জনের নামের একটি তালিকা রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেয় কমিটি।
৪৫৭ দিন আগে
তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ভোট পড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ: সিইসি
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে প্রায় ৩৫ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
বুধবার (২৯ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
সিইসি আরও বলেন, সঠিক ভোটার উপস্থিতি জানতে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে।
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচন চলাকালে বিক্ষিপ্ত ঘটনায় ৬ জন আহত হয়েছে, ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন অনিয়মের জন্য দুজনকে সাজা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ৩০ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়েছে: সিইসি
এর আগে নির্বাচন কমিশন সচিব জাহাংগীর আলম জানিয়েছিলেন, প্রথম ৪ ঘণ্টায় ভোট পড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ।
এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ চলে।
৮৭টি উপজেলা পরিষদে ২৬১টি পদের বিপরীতে ১ হাজার ১৯৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
প্রার্থীদের মধ্যে ৩৯৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, ৪৫৬ জন ভাইস চেয়ারম্যান ও ২৯৯ জন নারী (সংরক্ষিত) ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী।
আরও পড়ুন: উপজেলা নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৩০-৪০ শতাংশ: সিইসি
৬৩৩ দিন আগে
দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ৩০ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়েছে: সিইসি
দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ৩০ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
মঙ্গলবার (২১ মে) বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।
এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে দেশের ১৫৬টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ চলে।
দ্বিতীয় ধাপের ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি কম দেখা গেছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি বিক্ষিপ্ত সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে।
আরও পড়ুন: উপজেলা নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৩৬ শতাংশ: ইসি আলমগীর
ইসি সচিব জাহাংগীর আলম গণমাধ্যমকে বলেন, দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনের প্রথম চার ঘণ্টায় ভোট পড়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ।
নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপে ভোট হওয়া ১৫৬টি উপজেলায় ১৩ হাজার ১৬টি ভোটকেন্দ্রে পুরুষ ১ কোটি ৭৯ লাখ ৫ হাজার ৪৬৪ জন, নারী ১ কোটি ৭২ লাখ ৯৯ হাজার ৪৭ জন নারী ও ২৩৭ জন তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার রয়েছেন।
১৫৬টি উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ মোট ৪৬৮টি পদের বিপরীতে ৬০৩ জন চেয়ারম্যানসহ ১ হাজার ৮২৪ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৯টি জেলার ২৪টি উপজেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এবং বাকি উপজেলায় প্রচলিত ব্যালট পেপার ব্যবহার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ভোটার উপস্থিতির যে কোনো সংখ্যাই গ্রহণযোগ্য: নির্বাচন কমিশনার আলমগীর
৬৪১ দিন আগে
ভোটার উপস্থিতির হারকে যে কেউ চ্যালেঞ্জ করতে পারে: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হারকে যে কেউ চ্যালেঞ্জ করতে পারে।
তিনি বলেন, ‘কেউ যদি মনে করেন যে ভোট দানের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে, তাহলে তা যাচাই করতে এবং আমাদের সততা পরীক্ষা করার জন্য আপনাকে স্বাগত জানাই।’
আরও পড়ুন: ভোট দিয়ে সংসদ-সরকার গঠনে নাগরিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান সিইসির
সোমবার বিকালে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সিইসি এসব কথা বলেন।
দিনের মাঝামাঝি সময়ে বা ভোট শেষ হওয়ার ঠিক পরে যে হার দেখা গেছে, তা অবশ্যই বাস্তবের সঙ্গে মিলবে না।
সিইসি জানান, চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচনে মোট ৪১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।
আরও পড়ুন: প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পর্যবেক্ষণে সিইসিসহ অন্যদের আমন্ত্রণ জানাল রাশিয়ার নির্বাচন কমিশন
রবিবারের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরা ২২২টি আসনে জয়লাভ করে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে জয়লাভ করেন।
এছাড়া জাতীয় পার্টি মাত্র ১১টি আসনে বিজয়ী হয়েছে এবং বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ও বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি এই তিনটি দলের একক প্রার্থী তাদের নিজ নিজ আসনে বিজয়ী হয়েছেন।
নওগাঁ-২ আসনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচন স্থগিত করায় ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে রবিবার ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে, সরকারের সহযোগিতার প্রশংসা সিইসির
৭৭৫ দিন আগে
শতভাগ নিশ্চিত করতে পারি, আগের রাতে ভোট হবে না: সিইসি
শতভাগ নিশ্চিত করতে পারি, আগের রাতে ভোট হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
তিনি বলেন, ‘আগের রাতে ভোটসহ যেসব কথাবার্তা হয়েছে আমরা ৯৯ নয়, শতভাগ নিশ্চিত করতে পারি সেটি কোনো অবস্থাতেই হবে না। এজন্য অনেক কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ভোটের দিন সকালে যাবে।’
মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন প্রার্থী এবং পরবর্তী সময়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন। কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘ব্যালট পেপার সকালে না গিয়ে ১০ দিন আগে অথবা ১০ মাস আগেও যদিও যায়, তাহলেও প্রার্থীরা তাদের পোলিং এজেন্ট দিয়ে সকালে ভোটকেন্দ্রে স্বচ্ছ বাক্সগুলো খালি কি না সেটি দেখে তারপর বাক্স বন্ধ করবেন। সেক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রে অবৈধ কোনো ব্যালট বাক্স ঢোকার সুযোগ নেই। তারপরও আমরা বিশ্বাস এবং আস্থা অর্জনের জন্য বলেছি ব্যালট পেপার সকালে পাঠাব।’ তিনি বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্টরা অবশ্যই দাঁড়িয়ে থেকে দেখে নেবেন ব্যালট বাক্সগুলো খালি আছে কি না। তারা ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ গণনা ও ফল ঘোষণা পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করবেন। সবকিছু সঠিকভাবে হয়েছে কি না জানবেন। যদি গণনা যথাযথভাবে শেষ হয় তাহলে নিশ্চিতভাবে ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়ে গেল।’
আরও পড়ুন: জাতীয় নির্বাচন: হবিগঞ্জের ডিসিকে প্রত্যাহারের নির্দেশ ইসির তিনি আরও বলেন, ‘আর মাঝখানে যদি কোনো পেশীশক্তির উদ্ভব ঘটে, তাহলে প্রিজাইডিং অফিসারকে বলা হয়েছে তিনি ভোট বন্ধ করে দেবেন। তিনি যদি বন্ধ না করেন রিটার্নিং অফিসার অবহিত হলে তিনি বন্ধ করে দেবেন। তিনিও যদি বন্ধ না করেন, আমরা ঢাকা থেকে অবহিত হলে বন্ধ করে দেবো।’
সিইসি বলেন, ‘কথাগুলো বললাম কারণ আমাদের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে একটা অনাস্থার সৃষ্টি হয়েছে, সেটি যাতে দূর হয়। আমরা নির্বাহী প্রশাসন ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তাদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছি। এখানে ওসি, ইউএনও, ডিসি ও এসপিদের বক্তব্য শুনেছি। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ ভালো।’
ভোট নিয়ে অপপ্রচার হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘কতগুলো বক্তব্য আমি আরও ৬টি স্টেশনে ঘুরে শুনেছি। একটি কথা কয়েকজনে বলেছেন ভোট দিয়ে কী লাভ, ভোট তো এক জায়গায় চলে যাবে। আবার কেউ কেউ নাকি মুখে মুখেও বলেছেন, আপনারা যে যেখানে ভোট দেন, ভোট জায়গামতো চলে আসবে। আমরা বিষয়টি শুনেছি। এর মধ্যে আমরা জেনে গেছি, এটি হয়তো ইচ্ছাকৃত অপপ্রচার অথবা ভ্রান্ত ধারণা। ভোট যেখানেই দেন সেখান থেকে আরেক জায়গায় যাওয়ার সম্ভাবনা নেই, সেটি আমরা শতভাগ নিশ্চিত করতে পারি।’
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের আয়োজনে সভায় চট্টগ্রাম বিভাগের সব জেলা প্রশাসক, জেলার পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলাম সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. জাহাংগীর আলম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নূরে আলম মিনা, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান ও চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ।
আরও পড়ুন: ৪ জানুয়ারি নির্বাচন নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের ব্রিফ করবে ইসি
একটি ভোটও জাল হলে সেই কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করা হবে: ইসি আহসান হাবিব
৭৮৮ দিন আগে