বেনাপোল
ভারতে পালানোর সময় হত্যা মামলার আসামি দুই ভাই বেনাপোলে গ্রেপ্তার
সুনামগঞ্জ জেলার হত্যা মামলার আসামি আপন দুই ভাই সাদিকুর রহমান শামিম (৩৬) ও সাজিদুর রহমানকে (৩২) ভারত পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার করেছে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সাদিকুর রহমান শামিম ও সাজিদুর হালুরগাঁন এলাকার জালাল উদ্দিনের ছেলে।
শামিম হোসেন বলেন, তারা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পারিবারিক মারামারির একটি মামলা রয়েছে তাদের নামে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, গ্রেপ্তার দুই ভাই বেনাপোল ইমিগ্রেশন ডেস্কে তাদের পাসপোর্ট জমা দিলে যাচাই-বাছাইয়ের সময় তাদের নামে হত্যা মামলা পাওয়া যায়। এছাড়া কালো তালিকায় তাদের দুই ভাইয়েরই নাম রয়েছে। পরে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
বেনাপোল পোর্ট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খায়রুল ইসলাম জানান, সুনামগঞ্জ জেলা থেকে আসা দুই ভাইকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তারা দুই ভাই হত্যা মামলার আসামি। সুনামগঞ্জ থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করে আসামিদের তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৩ দিন আগে
দেশে ফিরল ভারতে পাচার হওয়া ২৮ শিশু-কিশোর
ভারতে পাচার হওয়া ২৮ বাংলাদেশি শিশু-কিশোরকে বিশেষ অনুমতির মাধ্যমে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ। এদের মধ্যে ১৭ জন শিশু ও ১১ জন কিশোর।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভারত-ফেরত ২৮ শিশু-কিশোর বিভিন্ন সীমান্তপথে বাবামায়ের সঙ্গে, কেউ আবার দালালের মাধ্যমে ভারতে যায়। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে। পরে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠায়। কারাভোগ শেষে ভারতের একটি বেসরকারি এনজিও তাদের নিজস্ব আশ্রয়কেন্দ্রে রাখে। এরপর আজ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফিরেছে।
তিনি বলেন, ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে রাইটস, জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার এবং মহিলা আইনজীবী সমিতি নামে তিনটি এনজিও তাদের গ্রহণ করে নিজ নিজ পরিবারে কাছে হস্তান্তর করবে।
৩ দিন আগে
বেনাপোল দিয়ে দেশে ঢুকেছে ২১০০ টন ভারতীয় চাল
দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ৬ দিনে ১৫টি চালানের মাধ্যমে ভারত থেকে মোট ২ হাজার ১০০ টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। আমদানি করা চালের এসব চালান বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইর্য়াডে প্রবেশ করেছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন।
হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসব চাল আমদানি করেছে। আর আমদানি করা চাল ছাড়করণের কাজ করছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মের্সাস ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৬ কার্যদিবসে ১৫টি চালানের মাধ্যমে ২ হাজার ১০০ টন চাল আমদানি করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ টন। এরপর চলতি মাসের ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার।, যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে।
হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ জানান, ভারত থেকে ৬ দিনে ৫৮টি ট্রাকে ২ হাজার ১০০ টন মোটা চাল আমদানি করেছি। আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানি খরচ পড়েছে ৫০ টাকা। খোলা বাজারে এই চাল প্রতি কেজি ৫১ টাকায় বিক্রি হবে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, আমদানি করা চাল দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
৪ দিন আগে
ভারত থেকে ১২৫ টন বিস্ফোরক আমদানি, বেনাপোল বন্দরে বিশেষ সতর্কতা
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ১২৫ টন বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ৮টি ভারতীয় ট্রাকে করে বিস্ফোরক দ্রব্যের ওই চালানটি বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে। আমদানিকৃত পণ্য চালানটি অত্যন্ত বিপজ্জনক শ্রেণিভুক্ত হওয়ায় বন্দর এলাকায় বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং প্রকল্পের খনন কাজ পরিচালনার জন্য এই বিস্ফোরকগুলো আমদানি করা হয়েছে। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড’ এবং রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের ‘সুপার শিভ শক্তি কেমিক্যাল প্রাইভেট লিমিটেড’।
বিপজ্জনক পণ্য হওয়ায় জনবহুল বন্দর এলাকায় এই বিস্ফোরক রাখা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, বিস্ফোরকের চালানটি বন্দরে প্রবেশের পর থেকেই কাস্টমস, বন্দর নিরাপত্তা বিভাগ, পুলিশ, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নিয়মিত তদারকি ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
২৭ দিন আগে
বেনাপোল দিয়ে দেশে ঢুকছে না ভারতীয় পেঁয়াজ, দাম বাড়ার আশঙ্কা
দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। আগের আমদানির অনুমতি ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বলবৎ থাকলেও গত ২৪ ডিসেম্বরের পর এই বন্দর দিয়ে একটি পেঁয়াজের ট্রাকও দেশে আসেনি। এর ফলে দেশের পেঁয়াজের বাজার আবারও অস্থিতিশীল হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আমদানিকারকেরা।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নতুন করে ভারত থেকে কোনো পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়নি সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর। সর্বশেষ ২৪ ডিসেম্বর ৬০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। গত ১৫ থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬টি চালানে ১৩টি ট্রাকে করে মোট ৩৯০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়।
গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যায় রয়েল ইসলাম নামের এক আমদানিকারক বলেন, দেশে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠলে তা নিয়ন্ত্রণে সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছিল। এর ফলে ৩ মাস বন্ধ থাকার পর আবারও গত ৭ ডিসেম্বর থেকে বেনাপোলসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়।
তিনি বলেন, প্রথমদিকে আমদানির অনুমতির পরিমাণ কম দেওয়ায় চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছিল না। পরে বেশি আমদানির অনুমতি দিলে দেশের সব বন্দর দিয়ে আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দামও কমতে শুরু করে। এক সপ্তাহ আগেও ৩৫-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে পেঁয়াজ। বর্তমানে আমদানি বন্ধ থাকায় দাম বেড়ে ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার আবারও পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা সকাল থেকে আমদানির অনুমতি চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেছি, কিন্তু কোনো আবেদন মঞ্জুর হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত কোনো প্রজ্ঞাপন বা চিঠিও ইস্যু করা হয়নি।
‘তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি, পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যদি তাই হয়, তাহলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ে আবারও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকার অজুহাত দেখিয়ে তা আবারও ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে। ইতোমধ্যেই আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধের খবরে কেজিতে বন্দরে ১০ টাকার মতো বেড়ে গেছে।’
বেনাপোল স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে ভারত থেকে বেনাপোল বন্দরে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। নতুন করে কোনো পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবে আগের ইস্যু করা আমদানির অনুমতির বিপরীতে চলতি মাসের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি করা যাবে।
৪১ দিন আগে
যশোরে বিএনপি নেতা খুন: বেনাপোল সীমান্তে সতর্ক বিজিবি
যশোর সদরের শংকরপুর এলাকায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে (৫৫) গুলি করে হত্যার ঘটনায় বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি তল্লাশি কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল থেকেই অতিরিক্ত চেকপোস্ট স্থাপন করে সীমান্তের প্রতিটি পয়েন্টে তল্লাশি চালাচ্ছে বিজিবি।
গতকাল (শনিবার) রাত ৮টার দিকে শংকরপুর এলাকার হুদা মেমোরিয়াল একাডেমির সামনে আলমগীর হোসেনকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তিনি শংকরপুর গোলপাতা মসজিদ এলাকার মৃত ইন্তাজ আলীর ছেলে ছিলেন। আলমগীর যশোর পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং নগর বিএনপির সাবেক সদস্য ছিলেন। এলাকায় জমি কেনা-বেচার ব্যবসা করতেন তিনি।
নিহতের বড়ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, গতকাল সন্ধ্যার পর আলমগীর একটি মোটরসাইকেলে চড়ে শহরের বটতলা থেকে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন। হুদা মেমোরিয়াল একাডেমির সামনে পৌঁছালে তাকে গুলি করা হয়। সংবাদ পেয়ে আমি যশোর জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে ভাইয়ের মরদেহ দেখতে পাই।
সীমান্তে নরজদারি বৃদ্ধির বিষয়ে আজ সকালে যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী জানান, আলমগীর হোসেন হত্যার ঘটনায় জড়িত আসামিরা যাতে কোনোভাবেই সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পালাতে না পারে, সেজন্য বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তের প্রতিটি পয়েন্টে নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
তিনি জানান, সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সেইসঙ্গে সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া যেসব স্থানে ভারতের কাঁটাতারের বেড়া নেই, সীমান্তের সেসব স্থানে ব্যাপক নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
৪৮ দিন আগে
বেনাপোল বন্দরে আজ আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। তবে দুদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, সারা দেশে আজ সাধারণ ছুটি থাকায় বেনাপোল বন্দর দিয়ে সকাল থেকে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। একইসঙ্গে বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে যথারীতি এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, সাধারণ ছুটিতে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক রয়েছে।
৫২ দিন আগে
আগামীকাল বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আগামীকাল (মঙ্গলবার) যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সেই সঙ্গে বন্ধ থাকবে বেনাপোল কাস্টমস হাউস ও বন্দরের কার্যক্রম। তবে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত চালু থাকবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি হবে না। বন্দর ও কাস্টমসের সকল কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে। তবে আগামী বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল থেকে পুনরায় এই বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলবে বলে জানান তিনি।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, বিজয় দিবসের ছুটিতে দু-দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও বেনাপোল দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।
৬৮ দিন আগে
বেনাপোলে হুন্ডির ১৭ লাখ টাকাসহ দুই ভারতীয় নারী আটক
যশোরের বেনাপোল চেকপোস্টে হুন্ডির ১৭ লাখ টাকাসহ দুই ভারতীয় নারীকে আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (১৫ (ডিসেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চেকপোস্ট কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন।
এর আগে গতকাল (রবিবার) রাত ৮টার দিকে টাকাসহ তারা আটক হন।
আটক দুই নারী হলেন— ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনার বনগাঁ থানার রায়পুর গ্রামের আনন্দ বৈদ্যর স্ত্রী রীনা বৈদ্য (৩৭) ও একই এলাকার মৃত সানোয়ার শাহাজীর স্ত্রী মুক্তি শাহাজি (৫৪)।
রাজস্ব কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, রবিবার ভারতের পাসপোর্টধারী দুই নারী বাংলাদেশে প্রবেশের পর ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কাস্টমস স্ক্যানিং তল্লাশি কেন্দ্রে তাদের ব্যাগ তল্লাশি করে ১৭ লাখ টাকা জব্দ করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, তারা এক হাজার টাকার বিনিময়ে ওই টাকা বাংলাদেশে নিয়ে আসছিলেন।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, জব্দ করা টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
৬৮ দিন আগে
বেনাপোল দিয়ে ৬০ টন পেঁয়াজ আমদানি, বাজারে কমছে দাম
আড়াই বছর পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পুনরায় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। তিনটি পৃথক চালানে মোট ৬০ টন পেঁয়াজ বন্দরে প্রবেশ করেছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে তৃতীয় চালানে একটি ট্রাকে ১৫ টন পেঁয়াজ বন্দরের ৩১ নম্বর ইয়ার্ডে প্রবেশ করে।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে বেনাপোল বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী শ্যামল কুমার নাথ জানান, গত ২৫ আগস্ট ভারত থেকে প্রথম চালানে একটি ট্রাকে ১৫ টন পেঁয়াজ, ২৮ আগস্ট রাত ৮টার দিকে দ্বিতীয় চালানে দুটি ট্রাকে ৩০ টন পেঁয়াজ বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। এ নিয়ে তিন চালানে মোট ৬০ টন পেঁয়াজ ভারত থেকে আমদানি হয়েছে। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এস এম ওয়েল ট্রেডার্স। মান পরীক্ষা শেষে পেঁয়াজ খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: আড়াই বছর পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু
পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান, আড়াই বছর পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। পেঁয়াজ আমদানির খবরে স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।
প্রতি টন পেঁয়াজ ৩০৫ মার্কিন ডলারে আমদানি মূল্য দেখানো হয়েছে, যা বাংলাদেশি টাকায় ৩৭ হাজার ৪২৯ টাকা। সে ক্ষেত্রে প্রতি কেজি পেঁয়াজের আমদানি মূল্য পড়েছে প্রায় ৩৮ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজ মানভেদে ৫৭-৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি করা সম্ভব।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ‘আমদানি করা পেঁয়াজ দ্রুত ছাড় করতে বন্দর কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
১৭২ দিন আগে