গোলাগুলি
মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে আহত সেই হুজাইফা মারা গেছে
সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে গুরুতর আহত হুজাইফা আফনান (১৩) ঢাকার জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ২৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে হার মেনেছে মেয়েটি।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌন ১০টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
হুজাইফার চাচা শওকত আলী বলেন, সকালে চিকিৎসকরা হুজাইফাকে মৃত ঘোষণা করেছেন। মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার প্রস্তুতি চলছে। আপনারা সবাই আমার ভাতিজির জন্য দোয়া করবেন।
গত ১১ জানুয়ারি সকালে টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে তেচ্ছিব্রিজ এলাকায় মিয়ানমারের ওপার থেকে আসা গুলিতে গুরুতর আহত হয় স্থানীয় জসিম উদ্দিনের মেয়ে হুজাইফা আফনান। তাকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। তার দুই দিন পর ১৩ জানুয়ারি বিকেলে মাথায় বিদ্ধ গুলিটি অপসারণ করা সম্ভব না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য হুজাইফাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।
চমেক হাসপাতালের অ্যানেসথেশিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ সে সময় সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, হুজাইফার অস্ত্রোপচার করা হলেও ঝুঁকি থাকায় মস্তিষ্কে ঢুকে যাওয়া গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে মাঝেমধ্যেই সশস্ত্র সংঘর্ষ বাঁধে। বাংলাদেশ সীমান্তে এই সংঘর্ষ হলে ছুটে আসা গুলিতে মাঝেমধ্যেই টেকনাফ অঞ্চলে বাংলাদেশিদের হতাহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।
হুজাইফা গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরের দিন একই এলাকায় সীমান্তে স্থল মাইন বিষ্ফোরণে আবু হানিফ নামে এক জেলের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর গত ২৭ জানুয়ারি কনাফ উপজেলার নাফ নদের সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার থেকে সীমান্তের দিক থেকে ছোড়া গুলিতে সোহেল (১৫) ও ওবায়দুল্লাহ (১৪) নামে দুই কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্ত অঞ্চলে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা আতঙ্কে দিন পার করে আসছেন।
সীমান্তে চলমান এই ধরনের সহিংসতা স্থানীয়দের জীবন ও নিরাপত্তাকে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে বলে মনে করছে স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টির দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তারা।
১৪ দিন আগে
মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলি: টেকনাফে কিশোরী নিহতের খবর সঠিক নয়, চমেকে চিকিৎসাধীন
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। এ ঘটনায় ছুটে সীমান্ত পেরিয়ে ছুটে আসা গুলিবিদ্ধ হয়ে বাংলাদেশি এক শিশু নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। তবে ওই খবর সঠিক নয়, কিশোরীটি আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
আহত মেয়েটির নাম তানজিনা আফরিন (১৩)। সে লম্বাবিল এলাকার জসীমউদ্দীনের মেয়ে। আরাকান আর্মির ছোড়া গুলি মাথায় লেগে সে আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
এ ঘটনায় হোয়াইক্যং লম্বাবিল এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিজিবি, সেনাবাহিনী ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় বাসিন্দাদের শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানান।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস জানান, শিশুটি গুলিবিদ্ধ হয়েছে। প্রথমে মারা যাওয়ার কথা শোনা গেলেও তা সঠিক নয়। শিশুটিকে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, হোয়াইক্যংয়ে এক কিশোরী আহত হওয়ার খবরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
সীমান্তে চলমান এই ধরনের সহিংসতা স্থানীয়দের জীবন ও নিরাপত্তাকে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে বলে মনে করছে স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টির দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তারা।
৪১ দিন আগে
কাশ্মীর সীমান্তে ফের গোলাগুলি, ভারত-পাকিস্তানের উত্তেজনা চরমে
কাশ্মীর সীমান্তের নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর ভারত ও পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে ফের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সময় শনিবার (২৬ এপ্রিল) গভীর রাতে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ২৬-২৭ এপ্রিল রাতে পাকিস্তান সেনারা অস্ত্রবিরতি ভেঙে বিনা উসকানিতে গুলি ছোড়া শুরু করে। ভারতীয় সেনারা হালকা অস্ত্র ব্যবহার করে কার্যকরভাবে পাকিস্তানকে জবাব দিয়েছে।
অন্যদিকে, চীনের সংবাদসংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, কোনো প্ররোচনা ছাড়াই নিয়ন্ত্রণরেখায় গুলি চালাতে শুরু করে ভারতীয় সেনারা, পরে পাকিস্তানও পাল্টা গুলি চালিয়ে জবাব দিয়েছে।
আরও পড়ুন: মধ্যরাতে খুলনায় যৌথবাহিনী-সন্ত্রাসী গোলাগুলি, আটক ১১, অস্ত্র উদ্ধার
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দিবাগত রাতে কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর দুই দেশের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলি হয়। সম্প্রতি অধিকৃত কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর বন্দুকধারীদের হামলার জেরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।
গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই পর্যটক ছিলেন। এ ঘটনায় পাকিস্তান জড়িত বলে অভিযোগ করেছে চিরবৈরী ভারত। যদিও হামলার সঙ্গে কোনোরকম সংশ্লিষ্টতার দায় অস্বীকার করেছে পাকিস্তান।
পহেলগামের ভয়াবহ ওই হামলার জেরে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি স্থগিত করেছে ভারত। জবাবে সিমলা চুক্তি স্থগিত ও ভারতীয় বিমানের জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধের ঘোষণা দেয় পাকিস্তান।
তাছাড়া, হামলার পরে দুই দেশই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেশী দেশের নাগরিকদের ভিসা বাতিল করে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। এতে ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিকেরা নিজ নিজ দেশে ফিরে যেতে শুরু করেন।
আরও পড়ুন: রাঙ্গামাটিতে ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলিতে নিহত ১
চলমান উত্তেজনা নিরসনে দুই দেশকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে মিত্র দেশ সৌদি আরব ও ইরান। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে দেশদুটির মধ্যে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছে তারা। পাশাপাশি দুই প্রতিবেশীর মধ্যকার এই উত্তেজনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনে তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
৩০০ দিন আগে
মধ্যরাতে খুলনায় যৌথবাহিনী-সন্ত্রাসী গোলাগুলি, আটক ১১, অস্ত্র উদ্ধার
খুলনার সোনাডাঙ্গায় যৌথবাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলা গোলাগুলির পর ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া উদ্ধার করা হয়েছে অস্ত্র ও গুলি।
শনিবার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাত ১২টার পর সোনাডাঙ্গা থানার আরামবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আজম খান।
গোলাগুলিতে তিন পুলিশ সদস্য, নৌবাহিনীর একজন সদস্য এবং চার সন্ত্রাসী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
এসি আজম খান জানান, আরামবাগ মসজিদের অপর পাশে একটি বিল্ডিংয়ে কালা লাভলু সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা গোপন বৈঠক করছে—গোপন সূত্রের মাধ্যমে খবর পেয়ে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের সদস্যরা সেখানে অভিযান চালান। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে সন্ত্রাসীরা। সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক পুলিশ সদস্য আহতও হন।
আরও পড়ুন: ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের গোলাগুলি, আহত ৮
পরবর্তীতে নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। যৌথবাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি চলার একপর্যায়ে রাত সাড়ে তিনটার দিকে অভিযান শেষ হয়। এ সময় ১১ জন সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়। এছাড়া তাদের কাছ থেকে তিনটি পিস্তল, একটি একনলা শটগান, একটি কাটা বন্দুক, একটি চাইনিজ কুড়াল, কয়েক রাউন্ড গুলি ও সাতটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয় বলে জানান তিনি।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, আটক সন্ত্রাসীদের মধ্যে চারজন গুলিবিদ্ধ ছিল। তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া ৩ জন পুলিশ সদস্য ও নৌবাহিনীর একজন সদস্যও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত পুলিশ সদস্যদের পুলিশ হাসপাতালে এবং নৌবাহিনীর সদস্যকে নেভি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আটক সন্ত্রাসীরা হলেন— শেখ পলাশ, কালা লাভলু, আরিফুল, ফজলে রাব্বি, শরীফ, ইমরানুজজান, রিপন, ইমরান, সৈকত রহমান, সহিদুল ইসলাম ও গোলাম রব্বানী।
৩২৮ দিন আগে
রাঙ্গামাটিতে ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলিতে নিহত ১
রাঙ্গামাটির মানিকছড়িতে পার্বত্যাঞ্চলের পাহাড়ি আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট ইউপিডিএফ (প্রসীত) গ্রুপের সঙ্গে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) গোলাগুলির ঘটনায় এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হয়েছেন।
রবিবার (১৬ মার্চ) সকালে রাঙ্গামাটি জেলার মানিকছড়ি খামারপাড়া তৈমিদুং এলাকায় এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
নিহত ইউপিডিএফ সদস্যের নাম নির্মল চাকমা।
আরও পড়ুন: ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের গোলাগুলি, আহত ৮
এই বিষয়ে ইউপিডিএফের মুখমাত্র অংগ্য মারমা বলেন, জনসংহতি সমিতির সশস্ত্র সদস্যদের হামলায় আমাদের একজন কর্মী নিহত হয়েছেন। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।
রাঙ্গামাটি কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাহেদ উদ্দীন জানান, মানিকছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলিতে ইউপিডিএফের একজন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। স্থানীয় ইউপি মেম্বার আমাকে নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে বিস্তারিত জানাতে পারব।
৩৪২ দিন আগে
নরসিংদীতে আ.লীগের দুপক্ষে গোলাগুলি, নিহত ২
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নরসিংদীর রায়পুরায় আওয়ামী লীগের দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ও টেঁটাযুদ্ধ হয়েছে। এ ঘটনায় দুজন নিহত ও আরও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
পূর্বঘোষিত সংঘর্ষের ডাক দিয়ে রবিবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৮টার দিকে বাঁশগাড়ি ইউনিয়নে সংঘর্ষে জড়ায় আওয়ামী লীগের দুটি গ্রুপ।
নিহতরা হলেন- আলী আহমদ, আলমগীর হোসেন আলম।
আরও পড়ুন: শেরপুরে দুপক্ষের ঝগড়া থামাতে গিয়ে মাছ ব্যবসায়ী নিহত, আহত ৪
রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘বাঁশগাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন রাতুল ও সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফুল ইসলামের মধ্যে টেঁটা ও বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত হন। এ সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।’
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল মাহমুদ বলেন, ‘বাঁশগাড়িতে সংঘর্ষের ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছে বলে শুনেছি। আমরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছি, পরে বিস্তারিত বলা যাবে।’
৩৯১ দিন আগে
সাজেকে গোলাগুলি, আটকা পড়েছেন ৫ শতাধিক পর্যটক
পার্বত্য শান্তি চুক্তির অনুষ্ঠানে আসা না আসা নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক দুটি দলের মধ্যে দফায় দফায় বন্দুকযুদ্ধ চলছে। ফলে সাজেকে পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) রাতে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট জোবায়দা আক্তার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) একদিনের জন্য সাজেক ভ্রমণে নিরুসাহিত করেছে জেলা প্রশাসন।
আঞ্চলিক এই দলের গোলাগুলির ১ জন নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন প্রকার তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকা নিয়ন্ত্রণে বিগত কয়েকদিন ধরে সাজেক ও মাচালং এলাকায় সন্তু লারমা জেএসএস ও প্রসীত দলের ইপিডিএফ দুই অঞ্চলিক দল দফায় দফায় গোলা বর্ষণ করেছে। তবে আঞ্চলিক দুই দলের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় এক জনের প্রাণহাণির খবর পাওয়া গেলেও দুর্গম এলাকা হওয়ায় প্রশাসনের কেউ তা নিশ্চিত করতে পারেনি।
আরও পড়ুন: সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াল জেলা প্রশাসন
সাজেকে আটকা পড়া চালকরা বলেন, সকালে খাগড়াছড়ি থেকে ২৭টি গাড়ি সাজেক গিয়েছে। এই গাড়িগুলোতে করে আসা প্রায় ৪ শতাধিক পর্যটক সাজেকে অবস্থান করছে।
দুই আঞ্চলিক দলের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। তবে মঙ্গলবার সকাল থেকে এই গোলাগুলির ঘটনা আরও বেড়ে যায়। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিকালে কোনো পর্যটক গাড়ি সাজেক থেকে খাগড়াছড়ি আসেনি।
সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা জানান, সাজেক ও মাচালং সড়কের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শীপপাড়া নামক এলাকায় এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। যা পর্যটন কেন্দ্র থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। এই গোলাগুলির ঘটনার কারণে কোনো গাড়ি ছেড়ে যায়নি। রাতে প্রায় পাঁচ শতাধিক পর্যটক সাজেক অবস্থান করছেন।
রাঙ্গামটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান জানান, দুই আঞ্চলিক দলের গোলাগুলির ঘটনায় পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বুধবার একদিন সাজেকে পর্যটক ভ্রমণে নিরুসাহিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যারা আছেন তাদের পরিস্থিতি বিবেচনা করে নিরাপদে আজ ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: এক মাসেরও বেশি সময় পর খুলে দেওয়া হলো সাজেক পর্যটন কেন্দ্র
৪৪৪ দিন আগে
সালমান খানের মুম্বাইয়ের বাড়ির সামনে গুলি
বলিউড অভিনেতা সালমান খানের মুম্বাইয়ের বাড়ির সামনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে শহরটির পুলিশ।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, রবিবার ভোর ৫টার দিকে দুই অজ্ঞাত ব্যক্তি একটি মোটরসাইকেলে করে এসে সালমান খানের বান্দ্রার বাসভবনের বাইরে ৫টি গুলি ছুঁড়ে পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: ফের সালমান খানকে হত্যার হুমকি, অভিযুক্ত আটক
পুলিশ জানিয়েছে, সালমান খানের বাসভবনের প্রথম তলায়ও একটি গুলি লাগে। বিদেশি অস্ত্র ব্যবহার করে গুলি চালানো হয়েছে। মুম্বাই পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং কারা গুলি চালিয়েছে তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।
গত বছর ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) জানায়, ১৯৯৮ সালে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের ঘটনার কারণে কারাগারে বন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের হত্যার উদ্দেশ্যে শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে একজন হলেন সালমান খান। হরিণ শিকারের ঘটনা বিষ্ণোই সম্প্রদায়কে ক্ষুব্ধ করেছিল বলে দাবি ওই গ্যাংস্টারের।
বিষ্ণোই জানিয়েছেন, তাঁর অনুচর সম্পাত নেহরা হামলার উদ্দেশ্যে খানের বান্দ্রার অ্যাপার্টমেন্টে নজরদারি চালাচ্ছিলেন। তবে হরিয়ানা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স নেহরাকে গ্রেপ্তার করেছে।
আরও পড়ুন: হুমকির পর সালমান খানের নিরাপত্তা জোরদার
গত বছরের ১১ এপ্রিল আরেকটি হত্যার হুমকির চিঠি পাওয়ার পরে মুম্বাই পুলিশ সালমান খানের নিরাপত্তা লেভেল ওয়াই+ এ উন্নীত করে।
খবরে বলা হয়েছে, সালমানকে হুমকির ই-মেইল পাঠানোর অভিযোগে যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী এক ভারতীয় ছাত্রকে লুকআউট সার্কুলার (এলওসি) দেওয়া হয়েছিল।
আরও পড়ুন: বলিউড অভিনেতা সালমান খানকে হত্যার ষড়যন্ত্র!
৬৭৮ দিন আগে
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে ৫ রোহিঙ্গা নিহত
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘আধিপত্য বিস্তারকে’ কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে পাঁচ রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে।
শুক্রবার (৭ জুলাই) ভোর ৬টার দিকে উখিয়ার ক্যাম্প-৮ ওয়েস্টে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ক্যাম্প-৮ ডাব্লিউ এর এইচ-৪৯ ব্লকের আনোয়ার হোসেন (২৪), এ-২১ ব্লকের মোহাম্মদ হামীম (১৬), ক্যাম্প-১০ এর এইচ ৪২ ব্লকের নজিবুল্লাহ, ক্যাম্প-৩ এর বি-১৭ ব্লকের নুরআমিন ও অপরজনের পরিচয় তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এআরএসএ ও আরএসও গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত: পুলিশ
বিষয়টি নিশ্চিত করেন ৮ এপিবিএন অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) আমির জাফর।
৮ এপিবিএন অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) আমির জাফর বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তারকে’ কেন্দ্র করে ভোর ৬টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন জনের লাশ উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় আহত আরও দুই জনকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তারাও সেখানে মারা যান। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তবে বিবাদমান কোন সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য তা নিশ্চিত করা যায়নি।
স্থানীয়দের বরাতে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠি আরসা এবং আরএসওর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, পরে খবর পেয়ে এপিবিএন ও পুলিশের যৌথ টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থলে ৫ জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, গুলিবিদ্ধদের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইওএম পরিচালিত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। ক্যাম্প এলাকায় পুলিশের নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত ১
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত
৯৬০ দিন আগে
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই গ্রুপের গোলাগুলি, যুবক নিহত
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের গোলাগুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছে। শুক্রবার (১২ মে) বিকাল ৪টার দিকে উখিয়ার পালংখালীর জামতলি ক্যাম্প-১৫ এর ব্লক জি/৪ এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শুক্কুর রহমান (২২) ওই এলাকার ফয়জুল করিমের ছেলে।
আরও পড়ুন: উখিয়ায় গোলাগুলিতে রোহিঙ্গা নিহতের ঘটনায় ৭৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
স্থানীয় রোহিঙ্গারা জানান, বিকাল ৪টার দিকে উখিয়ার ১৫ নম্বর ক্যাম্প জামতলি ব্লক ই/৩-তে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আরসা (আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি) ও আরএসও (রোহিঙ্গা সলিডারিটি অরগানাইজেশন) সন্ত্রাসীদের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়।
এক পর্যায়ে শুক্কুর রহমান গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হন।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সহকারী পুলিশ সুপার ফারুক আহমদ বলেন, জামতলি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলিতে একজন নিহত হয়েছেন বলে শুনেছি। এছাড়া পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সসবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুলিশের সঙ্গে আরসার গোলাগুলি, নিহত ২
বান্দরবানে ইউপিডিএফ-কেএনএফ এর গোলাগুলিতে নিহত ৮
১০১৫ দিন আগে