সিরাজদিখান
মুন্সীগঞ্জে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী নিখোঁজ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় রাজানগর ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজানগর গ্রামে মা ও মেয়ে হত্যার শিকার হয়েছেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে গৃহবধূর স্বামী নিখোঁজ রয়েছেন।
নিহতরা হলেন— আমেনা বেগম (৩২) ও তার মেয়ে মরিয়ম (৮)।
নিহত আমেনার স্বামীর নাম মিজান মিয়া। তিনি কাঠমিস্ত্রী কাজ করেন। তারা ওই গ্রামের নুরুজ্জামান সরকারের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, চার মাস ধরে আমেনা ও তার পরিবার ওই এলাকার ভাড়া বাসায় থাকেন। আজ (সোমবার) দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয়রা তাদের বাসায় গিয়ে ডাকাডাকি করা হয়। তবে কারো সাড়া না পেয়ে দরজা ধাক্কা দিয়ে খুলে ভেতরে মা ও মেয়ের মরদেহ দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে সিরাজদিখান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান বলেন, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহ বা পরকীয়াজনিত কারণে হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তার স্বামীর ব্যাপারেও খোঁজখবর করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।
৩৩ দিন আগে
সিরাজদিখানে অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের ইছাপুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় সেন্টু ঘোষ (৪০) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন মোটরসাইকেলচালক প্রসেনজিৎ ঘোষ (৩০)।
শনিবার (৮ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে ইছাপুরা-সিরাজদিখান সড়কে ইছাপুরা গ্রামের নান্টুর দোকানের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
আহত প্রসেনজিৎকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহেদ আল মামুন জানান, শনিবার দুপুর ১টার দিকে ইছাপুরা-সিরাজদিখান সড়কে মোটরসাইকেলে তারা সন্তোষ পাড়ার দিকে যাচ্ছিল। ইছাপুরা গ্রামের নান্টুর দোকানের সামনে পৌঁছলে অপর দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির অটোরিকশার ধাক্কায় দুজনেই রক্তাক্ত জখম হয়।
পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সেন্টু ঘোষকে মৃত ঘোষণা করেন।
মোটরসাইকেলচালক প্রসেনজিৎকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নিহত সেন্টু ঘোষ নবাবগঞ্জ উপজেলার কৈইলাইল গ্রামের সুভাষ ঘোষের ছেলে। আহত প্রসেনজিৎ কেরাণীগঞ্জের রোহিতপুর এলাকার কানাই ঘোষের ছেলে।
আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান ওসি।
৩৫০ দিন আগে
সিরাজদিখানে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত সৌদি প্রবাসীর মৃত্যু
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত সৌদি প্রবাসী সৈকত মাহমুদ ১২ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয়। রবিবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
সৈকত মাহমুদ উপজেলার চিত্রকোট ইউনিয়নের খালপাড় গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, গত ১৫ জানুয়ারি পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে কাদের বেপারীর সঙ্গে সৈকত মাহমুদের মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সৈকত মাহমুদ গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে পঙ্গু হাসপাতালে, পরে ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালে ভর্তি করে।
নিহত সৈকত মাহমুদের বড় ভাই জহিরুল হক জহির বলেন, আমার ভাই মাত্র ২০দিন আগে সৌদি আরব থেকে ছুটিতে বাড়ি আসে। কাদের বেপারী ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার ভাইকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে ট্রাকচাপায় প্রবাসী যুবকের মৃত্যু
চিত্রকোট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শামসুল হুদা বাবুল বলেন, তাদের উভয় পক্ষের বাড়ি একই গ্রামে। পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে এই ঘটনা।
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, এ ঘটনা নিহতের বড় ভাই জহিরুল হক জহির বাদী হয়ে রবিবার রাতে কাদের বেপারীকে ১ নম্বর আসামি করে আরও পাঁচ জনের নাম উল্লেখসহ মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।
৩৯০ দিন আগে
সিরাজদিখানে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মো. নাজমুল মিয়া (৩২) নামে এক নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (৩১ জুলাই) লতব্দী নতুন চর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
আরও পড়ুন: পাবনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ভাই-বোনের মৃত্যু
নাজমুল মিয়া গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যপুর থানার পশ্চিম কেশালী ডাঙ্গা গ্রামের কাসেম মিয়ার ছেলে।
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ভবনের ছাদে রড নিয়ে কাজ করার সময় বিদ্যুতের মেইন লাইনের তারের সঙ্গে রড লেগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়।’
আইনি প্রক্রিয়ার পর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
আরও পড়ুন: নরসিংদীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ২, আহত ৫
লালমনিরহাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নারীর মৃত্যু
৫৭০ দিন আগে
সিরাজদিখানে ২ দলের সংঘর্ষে ৯ জন টেঁটাবিদ্ধসহ ২০ জন আহত
মুন্সীগঞ্জে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দলের সংঘর্ষে ৯ জন টেঁটাবিদ্ধসহ ২০ জন আহত হয়েছেন।
সিরাজদিখান পূর্ব চান্দেরচরে বুধবার (১০ জুলাই) ঘটনাটি ঘটে।
এই ঘটনায় পুলিশ ৯ জনকে আটক করেছে। এছাড়া ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ ১, আটক ৩
পুলিশ জানায়, প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে পূর্ব চান্দেরচর গ্রামে দুই দলের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় দলের ৯ জন টেঁটাবিদ্ধসহ ২০ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গিয়ে ২৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে।
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
এ ঘটনায় তথ্য সংগ্রহের সময় স্থানীয় সাংবাদিক সালাউদ্দিন সালমানকে ডেকে নিয়ে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে ওসির বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটা একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।’
এর আগে একই কারণে গত ২১ জুন উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ৪ জন টেঁটাবিদ্ধসহ ১০ জন আহত হয়।
আরও পড়ুন: মাগুরায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২০, আটক ৪
জমি নিয়ে বিরোধ: মুন্সীগঞ্জে টেঁটাবিদ্ধ যুবক নিহত, আহত ১১
৫৯১ দিন আগে
সিরাজদিখানে একই বাড়ি থেকে মাসহ ২ সন্তানের লাশ উদ্ধার
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে একই বাড়ি থেকে মা সালমা বেগমের ঝুলন্ত লাশসহ তার দুই সন্তানের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার সকালে উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের উত্তর ইসলামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া তিনজন হলেন- সৌদি প্রবাসী অলি মিয়ার স্ত্রী সালমা বেগম, তার মেয়ে সায়মুনা আক্তার ও ছেলে তাওহীদ। প্রায় ৭ বছর আগে সৌদি যাওয়ার সময় ঋণ করেন বিভিন্ন এনজিও থেকে।
আরও পড়ুন: শেবাচিমের কোয়ার্টার থেকে আইএইচটি ছাত্রীর লাশ উদ্ধার
স্থানীয়রা জানান, প্রায় ৭ বছর আগে সালমা বেগমের স্বামী অলি মিয়া ঋণ করে সৌদীতে যান। সেই ঋণের টাকা দিনে দিনে বাড়তে থাকে। সেই ঋণের চাপ সইতে না পেরে এই ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সিরাজদিখান সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান রিফাত জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই শিশু সন্তানসহ মায়ের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পারায় সালমা বেগম প্রথমে বিষ খাইয়ে দুই সন্তানের মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে নিজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। ঘর থেকে বিষের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ভারত সীমান্তের ভেতরে পড়ে থাকা বাংলাদেশি কিশোরের লাশ হস্তান্তর
সাতক্ষীরার ইছামতি নদী থেকে বিএসএফ সদস্যের লাশ উদ্ধার
৭২৭ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে বজ্রপাতে দুই বন্ধুর মৃত্যু
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় বজ্রপাতে দুই বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের দক্ষিণ কুসুমপুর মাদরাসা রোডের দেলোয়ারের লাকড়ির দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই বন্ধু হলেন- লৌহজং উপজেলার কনকসার ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মোসলেম সরদারের ছেলে মো. জুম্মন (৪৫) ও মো. শাহজাহানের ছেলে মো. কাউসার (৫০)। তারা পরস্পর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও অটোরিকশার চালক ছিলেন।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে বজ্রপাতে দুই স্কুলছাত্র নিহত
প্রত্যক্ষদর্শী আসলাম ভূঁইয়া জানান, জোহরের নামাজ শেষে দেখি দুই বন্ধু এক নারীসহ দেলোয়ারের লাকড়ির দোকানে দাঁড়িয়ে আছে।
এ সময় ওই নারী বাসে করে চলে যায়। এর মধ্যেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এরা দুইজন দোকানের মাঝে শুয়ে পড়ে। দৌড়ে এসে দেখি দুইজনই মারা গেছে।
এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মিজানুল হক জানান, আমরা ৯৯৯ এ কল পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই।
দুই ব্যক্তি বজ্রপাতে মারা গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
টেকনাফে বজ্রপাতে ২ জন নিহত
১০০০ দিন আগে