ভোটগ্রহণ
ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা
কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এবার শুরু হয়েছে গণনা।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয় ভোটগ্রহণ। এরপর বিকেল সাড়ে ৪টায় দেশের সব ভোটকেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কথা।
আজ সকালে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটকেন্দ্রের সামনে ভিড় বাড়তে থাকে। দেশের সব জেলায় এদিন কমবেশি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমূখর পরিবেশেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অবশ্য ব্যতিক্রম যে কিছু ছিল না, তা নয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোটখাট হাতাহাতি, সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণের মতো খবর পাওয়া গেছে। দেশের চার স্থানে ভোট দিতে গিয়ে চারজনের মৃত্যুর খবরও পাওয়া যায়, তবে সেগুলোর কোনোটিই সহিংসতার কারণে মৃত্যুর ঘটনা ছিল না। সবগুলো মৃত্যুই ঘটেছে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে।
কোনো কোনো ভোটকেন্দ্রের সামনে থেকে প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের টাকাসহ আটক করে জরিমানাসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। অনিয়ম ও পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন কোনো কোনো প্রার্থী।
এর আগে, আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানায় নির্বাচন কমিশন।
এ বিষয়ে এক ব্রিফিংয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে মোট ৪২ হাজার ৬৫১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রের ভোট প্রদানের তথ্য আমরা পেয়েছি। আমরা যে খবর পেয়েছি, সে অনুযায়ী ভোট প্রদানের হার ৩২.৮৮ শতাংশ।’
কিছু স্থানে বিচ্ছিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে আখতার আহমেদ বলেন, সেগুলো দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনার কথা জেনেছি। এখন পর্যন্ত কোনো ভোট কেন্দ্রের ভোট স্থগিত হয়নি, সবগুলো কেন্দ্রের ভোট চলমান আছে।’
শেরপুর-৩ আসন ছাড়া সব আসনে একযোগে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনে জামায়াতের প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে সেখানে নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে।
৯ দিন আগে
অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই রংপুর বিভাগে চলছে ভোটগ্রহণ
ভোট শুরুর আগেই লাইনে দাঁড়িয়েছেন ভোটাররা। লাইনে পুরুষদের থেকে নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশি লক্ষ করা গেছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ভোটারের সংখ্যা। বেশ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। রংপুর বিভাগের ৩৩টি নির্বাচনি আসনের ভোটকেন্দ্রগুলোর চিত্র মোটামুটি এমনই।
বিভাগের কোনো জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোটকেন্দ্রে আসতে পারায় খুশি ভোটাররা।
এ বিভাগের ৩৩ টি আসনে ৪ হাজার ৫৪৫টি ভোটকেন্দ্রে ১ কোটি ৪৫ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ঝুঁকিপূর্ণ ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টায় নগরীর ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। সকাল থেকেই ভিড় রয়েছে বলে জানান প্রিসাইডিং কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভোটকেন্দ্রের আশপাশে প্রার্থীদের বুথ করা হয়েছে। সেই বুথ থেকে ভোটারদের স্লিপ সরবরাহ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, রিকশা ও ব্যাটারিচালিত রিকশায় করে ভোটারদের বাড়ি থেকে নিয়ে আসছেন প্রার্থীদের কর্মীরা।
ভোটার আঞ্জুমান বলেন, সকালেই ভোট দিয়েছি। এখন সারা দিন বাড়ির কাজ করা যাবে নিশ্চিন্তে। একই কথা জানান রহিমা বেগম। তিনিও সকালে শুরুতেই ভোট দিয়েছেন বলে জানান।
আজিজুল ইসলাম বলেন, পরিবারসহ সকালেই কেন্দ্রে এসেছি যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারি। সেই অনুযায়ী ভোটও দিয়েছি। কোনো ভয় নাই, উৎসবমুখর পরিবেশেই ভোট হচ্ছে।
ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান বলেন, এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ৫২৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ হাজার ২৫৪ জন এবং মহিলা ভোটার ১ হাজার ২৭১ জন। কেন্দ্রে সকালে ভোটারদের উপস্থিতি ভালো ছিল। বিশৃঙ্খলার কোনো আশঙ্কা নেই। ভোটের পরিবেশ ভালো।
রিটার্নিং কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, রংপুর জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ২০২ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১৩ লাখ ৬ হাজার ৩৩৩ জন এবং পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১২ লাখ ৯২ হাজার ৮৩৮ জন। হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৩১ জন। জেলায় মোট ৮৭৩টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৯৮৮টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে ৮৭৩ জন প্রিসাইডিং, ৫ হাজার ১৮ জন সহকারী প্রিসাইডিং এবং ১০ হাজার পোলিং কর্মকর্তা ভোটগ্রহণের দায়িত্ব পালন করছেন।।
এদিকে, ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের জন্য রংপুর জেলার ভোটকেন্দ্রে পুলিশ মোতায়েনসহ কেন্দ্রের বাইরে সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ দল, স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তত রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি বডি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এসব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
পুলিশের রংপুর রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আমিনুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। ভোটকেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে, যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
৯ দিন আগে
নির্বিঘ্নে ভোট হলে ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব: তারেক রহমান
দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী তারেক রহমান। এ সময় দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিয়ে তার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ৯টা ৪৫ মিনিটে গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে তিনি ভোট দেন। এর আগে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে নিয়ে সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেন তিনি।
ভোট দিয়ে বের হয়ে সাংবাদিকদের তারেক রহমান বলেন, ‘বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের মানুষ এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।’ দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
৯ দিন আগে
উৎসাহ-উদ্দীপনায় সারা দেশে ভোটগ্রহণ চলছে
নানা জল্পনা-কল্পনা আর অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ। আগামী ৫ বছর কারা দেশ শাসন করবে, এই নির্বাচন তা ঠিক করে দেবে। পাশাপাশি গণভোটের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে, কেমন হবে আগামীর বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে একযোগে দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
ভোটগ্রহণের প্রথম প্রহর থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ভোটকেন্দ্রের সামনে ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। শুরুতে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটকেন্দ্রগুলোর সামনে দেখা যাচ্ছে লম্বা লাইন।
রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে নারী ও তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। প্রথমবারের মতো ভোট দিতে আসা অনেক তরুণ ভোটার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। গলঅভ্যুত্থানের পর দেশের দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের মতো এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে গর্বিত বলে জানান তাদের অনেকে
৯ দিন আগে
জকসুর ৮ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা: ভিপি পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে আটটি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। দুই প্রধান প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ছয় ভোটের ব্যবধান রয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, সহ-সভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) এ তিনটি শীর্ষ পদেই শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ পরিষদ এগিয়ে রয়েছে।
ভিপি পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম ৮১০ ভোট পেয়েছেন। তবে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী একেএম রকিব মাত্র ৬ ভোট কম পেয়ে ৮০৪ ভোট পেয়েছেন।
জিএস পদে শিবির সমর্থিত প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ ৮২৫ ভোট পেয়েছেন। অপরদিকে ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ৪২২ ভোট । এজিএস পদে শিবির প্রার্থী মাসুদ রানা ৭৯৯ ভোট নিয়ে এগিয়ে আছেন, ছাত্রদলের প্রার্থী আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ৬৯০ ভোট।
শীর্ষ তিনটি পদ ও বেশিরভাগ সম্পাদক পদে পিছিয়ে থাকা সত্ত্বেও, ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল পাঠাগার সম্পাদক ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে এগিয়ে রয়েছে। কার্যনির্বাহী সদস্য পদেও ছাত্রদলের কিছু প্রার্থীও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন।
যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জকসু নির্বাচনের ভোট গণনা দীর্ঘ সময় স্থগিত রাখা হয়েছিল । পরে ম্যানুয়াল ও মেশিন উভয় পদ্ধতিতে গণনা পুনরায় শুরু হয়।
পাঁচ ঘণ্টার বিরতির পর গতকাল মঙ্গলবার রাত পৌনে ১টার দিকে গণনা আবার শুরু হয়, তবে আজ সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত শুধু ৮টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ৩১টি ভোটকেন্দ্রের ভোট গণনা এখনও চলছে।
এখন পর্যন্ত নৃবিজ্ঞান বিভাগ, লোক প্রশাসন, ভূগোল ও পরিবেশ, ফার্মেসি, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, মাইক্রোবায়োলজি, ফাইন্যান্স এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।
৪৫ দিন আগে
উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জকসুর ভোটগ্রহণ চলছে
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী (জকসু) সংসদের প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে যা চলবে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। মোট ৩৯টি কেন্দ্রে ১৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ হচ্ছে।
শীতের মধ্যেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র আবাসিক হল নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী হল সংসদ নির্বাচনও হচ্ছে।
এই নির্বাচনে মোট ১৬ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এছাড়া হল সংসদে ১ হাজার ২৪২ জন শিক্ষার্থী ভোট প্রদান করবেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি ভবনের ৩৯টি ভোটকেন্দ্রে ১৭৮টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৮টি কেন্দ্র কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের জন্য এবং একটি পৃথক কেন্দ্র হল সংসদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্বাচনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবক দল মোতায়েন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে তোলা ও নেতৃত্ব বিকাশে এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি আশা করি, ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে শৃঙ্খলার সঙ্গে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক জানান, নির্বাচন উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহাল থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে লড়ছেন মোট ১২ জন প্রার্থী। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯ জন। আর সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে লড়ছেন ৮ জন।
অন্যদিকে, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক পদে ৪ জন, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক পদে ৯ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ৫ জন, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ৫ জন, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে ৪ জন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে ৮ জন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ৭ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ৭ জন, পরিবহন সম্পাদক পদে ৪ জন, সমাজসেবা ও ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক পদে ১০ জন, গপাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক পদে ৭ জন এবং সাতটি কার্যনির্বাহী সদস্য পদে মোট ৫৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অপরদিকে, নারী হল সংসদে ১৩টি পদের মধ্যে ভিপি পদে ৩ জন, জিএস পদে ৩ জন, এজিএস পদে ২ জন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ২ জন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ৪ জন, পাঠাগার সম্পাদক পদে ২ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ২ জন, সমাজসেবা ও ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক পদে ২ জন, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ৪ জন এবং চারটি সদস্য পদে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদের ভোট দুটি আলাদা ব্যালটে নেওয়া হবে। আবাসিক হলের ছাত্রীরা দুটি ব্যালটে হল সংসদের ১৩ পদের ভোটসহ মোট ৩৪টি ভোট দিতে পারবেন। আর অনাবাসিক ভোটাররা শুধু কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি পদে ভোট দিতে পারবেন।
উল্লেখ্য, জবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল।
৪৬ দিন আগে
৩৫ বছরের অচলায়তন ভেঙে আজ চাকসুর ভোট
দীর্ঘ ৩৫ বছরের অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ।
তফসিল অনুযায়ী, আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সপ্তম চাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলবে।
ভোটগ্রহণ শেষে হবে গণনা। কেন্দ্রীয় সংসদের ফলাফল ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে এবং হল সংসদের ফলাফল নিজ নিজ কেন্দ্র থেকে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এবার চাকসুর মোট ভোটার ২৭ হাজার ৫১৬ জন। কেন্দ্রীয় সংসদে ২৬ পদের বিপরীতে ৪১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।
ভোটকেন্দ্র
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪টি আবাসিক হল রয়েছে। এর মধ্যে ৯টি ছাত্রদের ও ৫টি ছাত্রীদের। এছাড়া রয়েছে শিল্পী রশিদ চৌধুরী হোস্টেল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, বিজ্ঞান অনুষদ এবং কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের দুটি ভবন মিলিয়ে মোট পাঁচটি ভবনের ১৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১৪টি কেন্দ্রে হল সংসদ ও একটি কেন্দ্রে হোস্টেল সংসদ নির্বাচন হবে।
আরও পড়ুন: ৩৫ বছর পর চাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ১২ অক্টোবর
এ ছাড়া প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে চাকসু ভবনে একটি অতিরিক্ত কেন্দ্র স্থাপন করেছে নির্বাচন কমিশন। এসব কেন্দ্রের জন্য ৬০ কক্ষে ৭০০টি বুথ প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি কক্ষে থাকবে পাঁচটি ব্যালট বাক্স এবং পাঁচ জন করে এজেন্ট। একটি কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ৫০০ ভোটার ভোট দিতে পারবেন।
চাকসুতে মোট ভোটার রয়েছেন ২৭ হাজার ৫১৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ভোটার আছেন ১৬ হাজার ১৮৯ এবং ছাত্রী ভোটার রয়েছেন ১১ হাজার ৩২৯ জন।
পদ ও প্রার্থীর সংখ্যা
এবারের চাকসুতে অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সংসদে মোট পদসংখ্যা ২৬টি। কেন্দ্রীয় সংসদে ১৩টি প্যানেল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট প্রার্থী সংখ্যা ৪১৫ জন।
এর মধ্যে, সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ২৪ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ২২ জন, সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ২১ জন, খেলাধুলা ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১২ জন, সহ-খেলাধুলা ও ক্রীড়া সম্পাদক ১৪ জন, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ১৭ জন, সহ-সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ১৫ জন, দপ্তর সম্পাদক পদে ১৭ জন, সহ-দপ্তর সম্পাদক পদে ১৪ জন, ছাত্রীকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক পদে ১৩ জন, সহ-ছাত্রীকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক পদে ১০ জন, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ১১ জন, গবেষণা ও উদ্ভাবনবিষয়ক সম্পাদক পদে ১২ জন, সমাজসেবা ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক ২০ জন, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ১৫ জন, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ১৭ জন, ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ১৬ জন, যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক ১৭ জন, সহ-যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক ১৪ জন, আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক ৯ জন, পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়াবিষয়ক সম্পাদক ২০ জন। এ ছাড়া নির্বাহী সদস্য পদে লড়ছেন ৮৫ জন।
আরও পড়ুন: চাকসু নির্বাচনের লক্ষ্যে নীতিমালা প্রণয়নে ৫ সদস্যের রিভিউ কমিটি
অন্যদিকে, হল ও হোস্টেল সংসদে পদ সংখ্যা ১৪টি করে যার বিপরীতে মোট প্রার্থী ৯০৮ জন।
ভোটদান
প্রত্যেক ভোটার ৫টি ব্যালটে চাকসু ও হল সংসদে ৪০ জন প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন। ভোট দিতে একেকজন ভোটার ১০ মিনিট সময় পাবেন। অর্থাৎ, একজন ভোটারকে প্রতি ২০ সেকেন্ডে একটি করে ভোট দিতে হবে।
এ নির্বাচনের ভোট হবে ব্যালট পেপারে। গণনা হবে ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) পদ্ধতিতে। এ পদ্ধতিতে ভোটারদের বৃত্ত পূরণ করে ভোট দিতে হবে।
ভোটের সরঞ্জাম এর মধ্যেই কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠিয়ে দিয়েছে চাকসু নির্বাচন কমিশন।
ভোটের দিন শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ১১ বার করে চট্টগ্রাম শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা–যাওয়া করবে শাটল ট্রেন। এ ছাড়া চলাচল করবে ৩০টি বাস।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো হয়েছে পুরো ক্যাম্পাস। চলছে পুলিশ ও র্যাব সদস্যদের টহল।
নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাজারখানেক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। র্যাব, পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা দলও ক্যাম্পাসে টহল দিচ্ছে।
আরও পড়ুন: রাত পেরোলে ডাকসু নির্বাচন, নতুন ভোরের অপেক্ষায় ক্যাম্পাস
ভোটের দিন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র্যাব, এপিবিএন, বিজিবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বাহিনী, রোভার স্কাউট ও বিএনসিসি মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ৭০০ জন সদস্য মোতায়েন থাকবেন।
গত ২৮ আগস্ট চাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এরপর ১ সেপ্টেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর যাচাই-বাছাই শেষে ১১ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়।
ওই মাসের ১৪ তারিখ থেকে মনোনয়ন পত্র বিতরণ শুরু হয়ে চলে ১৭ সেপ্টেম্বর। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে ২১ সেপ্টেম্বর প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হয়। পরে ২৫ সেপ্টেম্বর প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।
নির্বাচনের জন্য ১২ অক্টোবর দিন ঠিক করা হলেও পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে সেটি পিছিয়ে ১৫ অক্টোবর করা হয়।
সার্বিক বিষয়ে চাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রফেসর ড. মুনির উদ্দিন বলেন, ৫টি ফ্যাকাল্টিতে ভোট গ্রহণ করা হবে। এসব ফ্যাকাল্টির ৬০ কক্ষে ৭০০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে আসা যাওয়ার জন্য বাড়তি শাটল ট্রেন ও বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুরো ভোটকেন্দ্র থাকবে সিসিটিভির আওতায়।
১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর প্রথম চাকসু নির্বাচন হয় ১৯৭০ সালে। এরপর থেকে প্রতি শিক্ষাবর্ষে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত হয়েছে মোটে ছয়বার।
সর্বশেষ চাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। ওই নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্র শিবিরকে পরাজিত করে চাকসু ও হল সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য।
ষষ্ঠ চাকসু নির্বাচনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের প্রার্থী জাতীয় ছাত্রলীগের নাজিম উদ্দিন ভিপি নির্বাচিত হন। আর জিএস নির্বাচিত হন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি আজিম উদ্দিন আহমদ।
১২৯ দিন আগে
ডাকসু নির্বাচন: দুটি ব্যালট দেওয়ায় পোলিং অফিসারকে অব্যাহতি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। ভোট চলাকালে একজন শিক্ষার্থীকে ‘অনিচ্ছাকৃতভাবে’ একাধিক ব্যালট পেপার দেওয়ার ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পোলিং অফিসারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাবির কার্জন হলের দ্বিতীয় তলায় অমর একুশে হলের ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের উপপরিচালক ফররুখ মাহমুদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: ডাকসু নির্বাচন: উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে
বিজ্ঞপ্তিতে ঢাবি প্রশাসন জানিয়েছে, ভোট চলাকালে কার্জন হলের দ্বিতীয় তলায় অমর একুশে হলের ভোটকেন্দ্রে একজন শিক্ষার্থীকে অনিচ্ছাকৃতভাবে দুইটি ব্যালট পেপার দেওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পোলিং অফিসার জিয়াউর রহমানকে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি যে অনিচ্ছাকৃত ভুল তা অভিযোগকারী ভোটারও বুঝতে পারেন উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, তারপরও ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসন বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নিষ্পত্তি করে।
নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
১৬৫ দিন আগে
ডাকসু নির্বাচন: উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে
বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আটটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
আজ সকাল ৮টা থেকেই শিক্ষার্থীরা ভোট দিচ্ছেন। দীর্ঘ প্রচার-প্রচারণার পর আজকের দিনটি ক্যাম্পাস রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
ভোট দেওয়ার পর এক শিক্ষার্থী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘এই প্রথমবার আমি ভোট দিলাম, আর আমি খুবই আনন্দিত যে এমন একজন নেতাকে বেছে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি যিনি আমার কণ্ঠকে প্রতিনিধিত্ব করবেন।’
সহপাঠীদেরও ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি নিজের পছন্দমতো স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পেরেছি। আগের দিনে শুনতাম, কিছু সংগঠন শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে ভোট দিতে বাধ্য করত, এমনকি তাদের হয়ে ব্যালটে ছাপ মেরে দিত। কিন্তু এবার এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।’
এদিকে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী শিক্ষার্থীদের পছন্দের প্রার্থীদের সমর্থন করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘এই ডাকসু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা একটি ইতিবাচক গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’
আরও পড়ুন: ডাকসু নির্বাচন: শান্তিপূর্ণ ভোটের আহ্বান সাদিকের, আচরণবিধি লঙ্ঘনের নিন্দা
ছাত্রদল সমর্থিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিম সামগ্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ ভোটার উপস্থিতির পূর্বাভাস দিয়ে নিজের সম্ভাবনা নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ছয় বছর পর অনুষ্ঠিত এ ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে পুরো জাতির দৃষ্টি এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে। দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিকাশের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই এ নির্বাচনকে দেখা হচ্ছে।
১৬৫ দিন আগে
ডাকসুর ভোটগ্রহণ শুরু
দীর্ঘ ৬ বছরের অনেক জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ৩৮তম নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আটটি কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স খুলে সবাইকে দেখিয়ে সিলগালা করে দেওয়া হয়। এ সময় গণমাধ্যমকর্মী এবং প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টরা উপস্থিত ছিলেন।
নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী কেন্দ্রীয় এবং হল সংসদের দুইটি বাক্স সিলগালা করে দেন।
আরও পড়ুন: রাত পেরোলে ডাকসু নির্বাচন, নতুন ভোরের অপেক্ষায় ক্যাম্পাস
এ সময় তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন ব্যালট বাক্স সম্পূর্ণ ফাঁকা রেখে সিলগালা করা হয়েছে। এর মধ্যে বড় বাক্সটি কেন্দ্রীয় সংসদ এবং ছোটটি হল সংসদের জন্য। ভোট গ্রহণ শেষে যখন ভোট গণনা হবে, তখন সবাইকে নিয়ে বাক্সটি খোলা হবে।
১৬৫ দিন আগে