নড়াইল-২
নড়াইলে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় আহত ১৪
নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নড়াইল-২ আসনে সদর উপজেলার গাবতলা এলাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কলস প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার গাবতলা এলাকায় এ সংঘর্ষ ঘটে। এ ঘটনায় দুপক্ষই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে।
কলস প্রতীকের প্রার্থী মনিরুল ইসলামের সমর্থকরা জানান, গতকাল (শুক্রবার) বিকেলে চায়ের দোকানে বসে ছিলাম। এ সময় হঠাৎ করে ধানের শীষের লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় ২ নারীসহ আমাদের ৯ জন আহত হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ধানের শীষের সমর্থকরা দাবি করেন, কলস প্রতীকের সমর্থকেরা আমাদের ধানের শীষের অফিস ভাঙচুর করতে আসে। আমরা বাধা দিলে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আমাদের ৫ জন আহত হয়েছে।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, কলস সমর্থক ও ধানের শীষের সমর্থকদের মাঝে মারামারি হয়েছে। এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৭ দিন আগে
নড়াইল-১ আসনে বিএনপি, ২ আসনে জামায়াত বিজয়ী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইলের দুটি সংসদীয় আসনের মধ্যে নড়াইল-১ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (ধানের শীষ) এবং নড়াইল-২ আসনে জেলা জামায়াতের আমির মো. আতাউর রহমান বাচ্চু (দাঁড়িপাল্লা) বিজয়ী হয়েছেন। নড়াইলের দুটি আসনে মোট ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২ টায় আসন দু'টির বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম।
ঘোষিত ফলাফলে নড়াইল-১ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১১২টি কেন্দ্রে (পোস্টাল ভোটসহ) ৯৯ হাজার ৯৭৫ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ওবায়দুল্লাহ কায়সার দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ২২৫ ভোট। এ আসনে ১১২টি কেন্দ্রে মোট ভোট দেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭৫৫ জন ভোটার।
নড়াইল-২ আসনে জেলা জামায়াতের আমির মো. আতাউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১৪৮টি কেন্দ্রে (পোস্টাল ভোটসহ) ১ লাখ ১৮ হাজার ১৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী কলস প্রতীকের মো. মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৪৫৭ ভোট এবং ধানের শীষের প্রার্থী ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৪৬৩ ভোট। আসনটির ১৪৮টি কেন্দ্রে মোট ভোট দেন ২ লাখ ৫২হাজার ৭৮১ জন ভোটার।
৮ দিন আগে
নড়াইল-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আ. লীগ নেতা লিটু
দীর্ঘ ২৪ দিন দৌড়ঝাঁপের পর হাইকোর্টের আদেশে প্রার্থিতা ফেরত পেলেন নড়াইল-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু।
বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. ইকবাল কবির ও বিশ্বজিৎ দেবনাথের দ্বৈত বেঞ্চ সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটুর মনোনয়ন গ্রহণ এবং প্রতীক বরাদ্দের আদেশ দেন।
গত ৪ ডিসেম্বর নড়াইলের রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়ন যাচাই-বাছাইকালে এক শতাংশ ভোটারের সইসহ কয়েকটি জটিলতায় লিটুর প্রার্থিতা বাতিল করেন।
প্রসঙ্গত, গত ২৬ ডিসেম্বর অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নূর ইসলাম প্রার্থিতা ফিরে পান।
নড়াইল-২ আসন থেকে মোট ৮ জন প্রার্থী নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন: নড়াইলে মাশরাফীসহ ৩ প্রার্থীকে জরিমানা
প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান এমপি মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, ওয়ার্কার্স পার্টির শেখ হাফিজুর রহমান, জাতীয় পার্টির ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ, ইসলামী ঐক্যজোটের মাহাবুবুর রহমান, এনপিপির মনিরুল ইসলাম, গণফ্রন্টের মো. লতিফুর রহমান, স্বতন্ত্র মো. নূর ইসলাম ও সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু।
প্রসঙ্গত, লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু ২০১৪ সালে লোহাগড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
২০২২ সালের ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে পরাজিত হন।
এ বিষয়ে ফয়জুল আমীরের প্রতিক্রিয়া জানতে তাকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটুর প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, তাকে ট্রাক প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: খুলনা-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আকরাম হোসেনের গুলি করার হুমকি!
রাজশাহীতে নৌকার সমর্থকদের হামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৭ নেতা-কর্মী আহত
৭৮৬ দিন আগে