হার্ট অ্যাটাক
ঠাকুরগাঁওয়ে আসামি ধরতে গিয়ে হার্ট অ্যাটাক, পুলিশ সদস্যের মৃত্যু
ঠাকুরগাঁওয়ে গভীর রাতে পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে ধরতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শহিদুল ইসলাম নামে এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ভোমরাদহ ইউনিয়নের সেনুয়া সরদারপাড়া গ্রামে গিয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে যান। পরে তাকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শহিদুল ইসলাম রংপুরের পীরগাছা উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পীরগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল হাই সরকার জানান, আজ (সোমবার) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ লাইনে পীরগঞ্জ থানায় কর্মরত এএসআই পদে শহিদুল ইসলামের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি পাঠানো হয়েছে। সেখানে দ্বিতীয় দফায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
৫ দিন আগে
ধানের শীষের পরাজয়ের খবরে হার্ট অ্যাটাকে বিএনপি কর্মীর মৃত্যু
নওগাঁ-২ (পত্নীতলা-ধামইরহাট) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মো. সামসুজ্জোহা খানের পরাজয় এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের সংসদ সদস্য হওয়ার খবর শুনে রিয়াজ উদ্দিন (৬৭) নামের এক বিএনপি কর্মীর হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে।
মৃত রিয়াজ উদ্দিন নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বদনপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবার নাম মৃত রইস উদ্দিন।
নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল হামিদ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি জানান, এক কথায় বিএনপি ও ধানের শীষের পাগল ছিলেন রিয়াজ উদ্দিন। গত ২২ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলে বিএনপি ও ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করতে দিনরাত মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন রিয়াজ উদ্দিন। তার আশা ছিল, দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এবং নওগাঁ-২ (পত্নীতলা-ধামইরহাট) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মো. সামসুজ্জোহা খান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন। এ লক্ষ্যে দিনরাত এক করে বিরামহীন প্রচার-প্রচারণায় নেমেছিলেন রিয়াজ উদ্দিন।
আব্দুল হামিদ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নওগাঁ-২ (পত্নীতলা-ধামইরহাট) আসনে ধানের শীষের পরাজয় এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর বিজয়ী হওয়ার খবর মেনে নিতে পারেননি দলভক্ত রিয়াজ উদ্দিন। গতকাল (শুক্রবার) সকালে খবর শুনেই হার্ট অ্যাটাকে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত তাকে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাতে তিনি মারা যায়। তার মৃত্যুর খবরে এলাকার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তিনি আরও জানান, রাজশাহীতে মারা যাওয়ার পর রাতে তার মরদেহ নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বদনপুর গ্রামে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। আজ (শনিবার) তাকে দাফন করা হবে।
আব্দুল হামিদ বলেন, ‘বিএনপি ও ধানের শীষ পাগল এ ধরনের একজন মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যুতে আমরা খুবই শোকাহত। দলীয়ভাবে আমরা সবকিছু খোঁজখবর রাখার চেষ্টা করছি। সাবেক সংসদ সদস্য ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. সামসুজ্জোহা খানকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তিনি এই কর্মীর মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।’
উল্লেখ্য, নওগাঁ-২ (পত্নীতলা-ধামইরহাট) ভোটকেন্দ্র ১২৪টি। সবকয়টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামির প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. সামসুজ্জোহা খান ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৩টি।
৭ দিন আগে
অনুশীলনের মাঝেই হার্ট অ্যাটাক, ঢাকার সহকারী কোচ জ্যাকি মারা গেছেন
বিপিএলে ম্যাচ শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে আকস্মিকভাবে মাঠে লুটিয়ে পড়ার পর মৃত্যুবরণ করেছেন ঢাকা ক্যাপিটালসের সহকারী কোচ মাহবুব আলি জ্যাকি। দ্রুত সিপিআর (প্রাথমিক জরুরি চিকিৎসা) দিয়ে হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ঢাকা ক্যাপিটালসের ম্যাচ শুরুর আগে অনুশীলন চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।
ম্যাচ শুরু হতে তখনও ২০ মিনিটের মতো বাকি। এমন সময় নিজ নিজ ড্রেসিং রুমের পাশে অনুশীলন করছিলেন রাজশাহী ও ঢাকার ক্রিকেটাররা। তাদের সঙ্গে ছিলেন কোচিং স্টাফের সদস্যরা।
অনুশীলন চলাকালে আচমকা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন একজন। তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকার অনুশীলকে ঘিরে জটলা তৈরি হয়।
পরে জানা যায়, অসুস্থবোধ করায় হঠাৎই মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন ঢাকার সহকারী কোচ জ্যাকি। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সিপিআর দেওয়া হয়। পরবর্তীতে দ্রুততার সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সে করে মাঠের বাইরে নিয়ে সিলেটের আল হারামাইন হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি বলে এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
বিবৃতিতে ক্লাবটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, ঢাকা ক্যাপিটালস পরিবারের প্রিয় সহকারী কোচ হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।
এই অপূরণীয় ক্ষতিতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই।’
কোচ জ্যাকির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বিসিবির চিকিৎসক ড. দেবাশীষ চৌধুরী জানিয়েছেন, মাঠে হার্ট অ্যাটাক করার পর তাকে সিপিআর দেওয়া হয়। তাৎক্ষণিক তিনি শ্বাস ফিরে পান এবং সাড়া দেন। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্সে করে জরুরিভাবে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হলেও পথেই তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়েন।
বিপিএল ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই দারুণ ব্যস্ত ছিলেন মাহবুব আলী জাকি। মাত্র দুদিন আগেও গণমাধ্যমের সামনে নিজের দলের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছিলেন। আজ ছিল তার দলের প্রথম পরীক্ষা। অথচ সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্তের ঠিক আগেই বিদায় নিলেন তিনি।
মাহবুব আলী জাকি কেবল একজন কোচই ছিলেন না, বাংলাদেশের পেস বোলিং শক্তির পেছনেও ছিল তার বড় ভূমিকা। জাতীয় দলের সাবেক এই পেসার খেলোয়াড়ি জীবন শেষে কোচিংকে পেশা হিসেবে নেন। মাশরাফি বিন মুর্তজা ও তাসকিন আহমেদদের মতো তারকা পেসারদের নিয়ে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ছিল তার। এমনকি বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী ঐতিহাসিক দলের কোচিং প্যানেলেরও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। তার এমন প্রয়াণে শোকাভিভূত পুরো বিপিএল পরিবার।
তবে দুর্ঘটনার পরও নির্ধারিত সময়েই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। টস জিতে রাজশাহীকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে ঢাকা।
৫৬ দিন আগে
সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক: কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধ
সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক, চিকিৎসা শাস্ত্রে যেটি এসএমআই (সাইলেন্ট মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন) নামে পরিচিত। আশঙ্কাজনিত কোনো উপসর্গ না থাকায় এই স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জটিলতাটি অগোচরেই থেকে যায়। হৃদরোগ জনিত এই সমস্যা আগে থেকে টের পাওয়ার কোনো উপায় বা মেডিকেল টেস্ট নেই।
কয়েক সপ্তাহ বা মাস পরে বারবার শ্বাসকষ্ট বা বুক জ্বালাপোড়ার কারণে ডাক্তারের সরণাপন্ন হলে পরীক্ষা-নিরিক্ষায় তখন ধরা পড়ে। এই স্বাস্থ্য সমস্যা বড় ধরনের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এমনকি হার্ট ফেইলিউরের মাধ্যমে মৃত্যুর কারণও হতে পারে।
তাই চলুন, পূর্ব সতর্কতার জন্য সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক সম্বন্ধে জরুরি বিষয়গুলো জেনে নেওয়া যাক।
বিশ্বজুড়ে সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু
প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ২ কোটি মানুষ নানা ধরনের হৃদরোগে মারা যায়। এগুলোর মধ্যে ৬০ শতাংশেরই মৃত্যুর কারণ হার্ট অ্যাটাক।
জেএএমএ (জার্নাল অফ অ্যামেরিকান মেডিকেল অসোসিয়েশন) কার্ডিওলজিতে ২০১৮ সালে নীরব হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি নিয়ে একটি সমীক্ষা প্রকাশিত হয়। সেখানে দেখা যায় যে, পূর্ব উপসর্গ দেখা দিয়ে যে হার্ট অ্যাটাকগুলো হয় তার ৫ বছরের মধ্যে মারা যাওয়া লোকের সংখ্যা ৮ শতাংশ। আর উপসর্গ বিহীন হার্ট অ্যাটাকের পর ৫ বছরের মধ্যে মারা যাওয়া লোকের সংখ্যা ১৩ শতাংশ।
আরও পড়ুন: উচ্চ রক্তচাপ (হাই প্রেশার) হলে যা এড়িয়ে চলা উচিত: ক্ষতিকর খাবার, পানীয়, অভ্যাস
কেবল নিউজ নেটওয়ার্কের একটি গবেষণায় দেখা যায়, আকস্মিক কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মারা যাওয়া লোকদের ৪২ দশমিক ৪ শতাংশেরই পূর্বে এসএমআইয়ের রেকর্ড আছে।
সাইলেন্ট ইস্কিমিয়া হিসেবে পরিচিত এই হার্ট অ্যাটাকের পরে বিভিন্ন হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি ৩৪ শতাংশে বেড়ে যায়।
সিডিসি (সেন্টার্স ফর ডিজিস কন্ট্রোল এ্যান্ড প্রিভেন্শন) অনুসারে, প্রতি ৫ টিতে ১টি হার্ট অ্যাটাক সাইলেন্ট হয়ে থাকে, যেখানে ব্যক্তি বুঝতেই পারেন না যে তার হৃৎপিণ্ডটি নষ্ট হয়ে গেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর নতুন হার্ট অ্যাটাক হওয়ার রোগীর সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৫ হাজার এবং একাধিকবার হার্ট অ্যাটাক হওয়া রোগীর সংখ্যা ২ লাখ। এদের মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজারই এই নিরব ঘাতকের শিকার।
আরও পড়ুন: জিমে অনুশীলনের সময় সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়ানোর উপায়
ভারতে সমস্ত হার্ট অ্যাটাকের প্রায় ৪৫ শতাংশ সাইলেন্ট ইস্কিমিয়া।
৭০০ দিন আগে
হার্ট অ্যাটাক করে সিসিইউতে অভিনেতা আফজাল হোসেন
বরেণ্য অভিনেতা ও নির্মাতা আফজাল হোসেন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তির পর তার হার্ট অ্যাটাকও হয়।
সোমবার (৪সেপ্টেম্বর) রাতে শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হলে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন একুশে পদক পাওয়া এই অভিনেতা।
আরও পড়ুন: ‘কোলাহলে’ জীবনের গল্প বললেন আফজাল হোসেন
খবরটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন আফজাল হোসেনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু মাসুম বাশার।
তিনি জানান, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও সোমবার রাতে হার্ট অ্যাটাক হয় আফজালের। পরে দ্রুত তাকে সিসিইউতে স্থানান্তর করেন চিকিৎসকরা।
জানা গেছে, বেশ ক’দিন ধরেই নিউমোনিয়ায় ভুগছিলেন আফজাল হোসেন। কিন্তু হঠাৎ করেই এ সমস্যা বেড়ে যায়।
আরও পড়ুন: আফজাল হোসেনের চলচ্চিত্রে তানভীর তারেক
৯০০ দিন আগে
ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে হার্ট অ্যাটাকে বোনের মৃত্যু
ঝিনাইদহের মহেশপুরে ভাইয়ের মৃত্যু খবর শুনে হার্ট অ্যাটাকে বোনও ঢলে পড়লো মৃত্যুরকোলে। শনিবার রাতে উপজেলার ভালাইপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ফসিয়ার রহমান ও রশিদা খাতুন সহোদর ভাই-বোন।
খবরটির সত্যতা নিশ্চত করেছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য বাবলুর রহমান।
আরও পড়ুন: কাশিমপুর কারাগারে বন্দির মৃত্যু
তিনি জানান, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পান মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর গ্রামের শামছুল ইসলামের স্ত্রী রশিদা খাতুন। তার ভাই যশোরের চৌগাছা উপজেলার চাঁনপাড়া গ্রামের ফসিয়ার রহমান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। খবরটি মুঠোফোনে শোনা মাত্রই রশিদা খাতুন জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। দ্রত তাকে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
তিনি আরও জানান, রবিবার বেলা ১১টার দিকে ভাই ফসিয়ার রহমানের দাফন সম্পন্ন হয় নিজ গ্রামে। অন্যদিকে ভাইয়ের দাফনের তিন ঘন্টা পর বোন রশিদার দাফন হয় মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর গ্রামের পারিবারিক গোরস্থানে।
কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে ভাই ও বোনের মৃত্যুতে দুই পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আরও পড়ুন: সোনারগাঁয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
মুন্সীগঞ্জে শাপলা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে মামা-ভাগনে-ভাগনির মৃত্যু
১২৫৯ দিন আগে
খালেদা জিয়ার হার্টে রিং বসানো হয়েছে: ফখরুল
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মাইল্ড হার্ট অ্যাটাক হওয়ার পর তার হার্টে রিং বসানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার এনজিওগ্রাম করে করোনারি আর্টারিতে ব্লকেজ দেখতে পান। পরে তারা সফলভাবে সেখানে একটি রিং স্থাপন করেছেন।’
শনিবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মির্জা ফখরুল।
এর আগে এক জরুরি বৈঠকে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মাইল্ড হার্ট অ্যাটাক হওয়ায় এভারকেয়ার হাসপাতালে তার চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড এনজিওগ্রাম করার সিদ্ধান্ত নেয়।
আরও পড়ুন: হৃদরোগে আক্রান্ত খালেদা জিয়া: মেডিকেল বোর্ড
তিনি বলেন, হার্ট অ্যাটাকের পর বিএনপি চেয়ারপার্সন শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, রিং বসানোয় তিনি হার্টের সমস্যা থেকে সাময়িক রিলিফ পাবেন বলে আশা করছেন চিকিৎসকরা।
উন্নত চিকিৎসা নিতে না পারলে খালেদার জীবন ঝুঁকির মুখে পড়বে উল্লেখ করে তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সনের জীবন বাঁচাতে তাকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়ার দাবি আবারও জানান।
আরও পড়ুন: খালেদার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পর্যালোচনায় মেডিকেল বোর্ড
ফখরুল বলেন, ‘অন্যথায় তার সঙ্গে খারাপ কিছু ঘটলে তারা দায়ী থাকবে।’
এর আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় খালেদা জিয়াকে শনিবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
১৩৫১ দিন আগে
দৌড়ের সময় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি: কারণ এবং ঝুঁকি কমাতে করণীয়
শারীরিক অনুশীলনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি যেটি দেখা যায় সেটি হচ্ছে দৌড়। একদম ছোট থেকে শুরু করে বৃদ্ধ; নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই ব্যায়াম বলতে দৌড়ানোকেই বুঝে থাকেন। প্রতিদিন সকাল এবং সন্ধ্যায় উদ্যানগুলোতে তাই তাদেরক ব্যস্ত-সমস্ত দেখা যায় এই অনুশীলনটিতে। বিশেষজ্ঞরাও এ ব্যাপারে ইতিবাচক পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু এই দৌড়ের সময় দেহের ভেতর যে কার্যকলাপ ঘটে তার উপকারিতার পাশাপাশি রয়েছে ভয়ানক কিছু অপকারীতাও। বিশেষত দৌড়ের সময় তরুণ, মধ্য বয়স্ক ও বার্ধক্য-পীড়িত লোকদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে। আজকের ফিচারটিতে তার কারণের পাশাপাশি জানা যাবে এই ঝুঁকি কমাতে করণীয়গুলো সম্পর্কে।
দৌড়ের সময় দেহের অভ্যন্তরে ঘটিত কার্যকলাপ
দৌড়ের সময় মস্তিষ্ক ও দেহের পেশীগুলোতে অক্সিজেন পাঠানোর উদ্দেশ্যে শরীরের মাধ্যমে রক্ত দ্রুত পাম্প করার সাথে সাথে হৃদস্পন্দনের গতি বাড়তে থাকে।
গতির সর্বোচ্চ অবস্থায় শরীর এন্ডোরফিন নামক এক ধরনের হরমোন নিঃসরণ করে। এন্ডোরফিন দৌড়ের সময় পেশীগুলোতে ব্যথা হতে দেয় না এবং মেজাজ উন্নত রাখে।
দৌড়ানোর সময় শুধু পা নয়; কাজ করে গোটা শরীর। প্রথম পদক্ষেপ ফেলার মুহূর্তে দেহের কোয়াড্রিসেপ অর্থাৎ উরুর সামনের বড় পেশীগুলো সবচেয়ে বেশি কাজ করে। শরীর এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে কোয়াড্রিসেপ থেকে গ্যাস্ট্রোকনেমিয়াস পেশীতে স্থানান্তরিত হয়। পায়ের গোড়ালি থেকে উপরের দিকে এবং হাটুর পেছন থেকে একটু নীচের অংশ যাকে পায়ের গুল বলা হয়। এই গুলের চামড়ার নীচেই থাকে গ্যাস্ট্রোকনেমিয়াস পেশী।
আরও পড়ুন: হার্ট অ্যাটাক: করণীয় এবং প্রতিরোধে যে সকল পদক্ষেপ নিতে হবে
দৌড়ের সময় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকির কারণ
দৌড়বাজদের প্রায় ২৫ শতাংশের কার্ডিওমায়োপ্যাথির ঝুঁকিতে থাকতে পারে, যা মূলত হৃৎপিণ্ডের পেশীর একটি রোগ। এর ফলে হৃদপিণ্ডের জন্য শরীরের বাকি অংশে রক্ত পাঠানো কঠিন হয়ে যায় এবং যার চূড়ান্ত ফল হার্টফেল।
এ ধরনের দৌড়বাজদের ক্ষেত্রে ডান অলিন্দ এবং ডান ভেন্ট্রিকল প্রসারিত হয়। হৃদপিণ্ডের ট্রোপোনিন পেশীর সক্রিয়তা এবং হৃদপিণ্ড নিঃসৃত বি-টাইপ নেট্রিউরেটিক পেপটাইড পদার্থের বৃদ্ধি সেই প্রসারিত কুঠুরিতে একটি অস্থায়ী আঘাতের কারণ হয়। টানা ৩ থেকে ৫ ঘণ্টা দৌড়ে সেই পেপটাইডের পরিমাণ পাতলা কুঠুরির তুলনায় অতিরিক্ত হয়ে যায়। সময়ের সাথে এই ক্ষতির পুনরাবৃত্তি ঘটলে হৃদপিণ্ডের পেশীতে ক্ষতের সৃষ্টি হয়, যা আকস্মিক মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
এছাড়া রেসিংয়ের উত্তেজনা এবং চাপ হৃদযন্ত্রে সঞ্চালিত হয়। দৌড়বাজ যখন তার সর্বোচ্চ ক্ষমতা অতিক্রম করেন এবং ভারসাম্যপূর্ণ হার্ট-রেট ছাড়িয়ে যান, তক্ষুণি চাপ পড়ে হৃদযন্ত্রে। সাথে সাথে বৃদ্ধি পায় হৃদস্পন্দন, যা ক্রমাগত কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের দিকে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: স্বামী হার্টের রোগী, সাইকেলে ফেরি করে সংসারের হাল ধরেছেন স্ত্রী
দৌড়ের সময় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে করণীয়
রেসের আগে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ নেয়া
পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ছাড়া দৌড়ানো সবচেয়ে বড় ভুল। প্রথমেই চিকিৎসকের কাছ থেকে দৌড়ের জন্য শারীরিক যোগ্যতার পরীক্ষা করে নিতে হবে। ছাড়পত্র পেলে তবেই একজন যোগ্য প্রশিক্ষকের সাথে দৌড়বাজদের দলে যোগ দেয়া যেতে পারে। শুরুটা হতে হবে অবশ্যই ধীরে ধীরে। দৌড়ের সময় বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা হলে সেখানেই সেদিনের জন্য প্রশিক্ষণ থামিয়ে দিতে হবে। প্রশিক্ষণের শুরু থেকেই প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে প্রতিযোগিতা করা যাবে না। প্রশিক্ষণে সহনশীলতা এবং অধ্যাবসায় দীর্ঘমেয়াদে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সামগ্রিক ঝুঁকির মাত্রা কমাতে সাহায্য করবে।
রেসে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ওয়ার্ম-আপ ও কিছু টেস্ট
চূড়ান্ত রেসে যাওয়ার আগে, ট্রেডমিলে বা অন্য জায়গায় হাল্কা ওয়ার্ম-আপ করে নেয়া উচিত। স্ট্রেস, কার্ডিওলজি, ইকোকার্ডিওগ্রাফি এবং আল্ট্রাসাউন্ড টেস্টগুলো করে নিতে হবে। এগুলো বিশদ স্বাস্থ্য মূল্যায়ন যেমন রক্তে শর্করার মাত্রা, রক্তচাপ, কার্ডিয়াক চেক-আপ, লিপিড নাম্বার প্রভৃতি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নেয়া যাবে। রেসের জন্য আরামদায়ক পোশাক পরা আবশ্যক।
আরও পড়ুন: শিক্ষা সনদপত্র হারিয়ে গেলে করণীয়
ছোট শারীরিক সমস্যাকেও গুরুত্ব সহকারে নেয়া
দৌড়ানোর সময় বুকে অস্বস্তি, মাথা ঘোরা, ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে সাথে সাথে দৌড় বন্ধ করে দিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। প্রাথমিক সতর্কতা যে কোন খারাপ দিকে মোড় নেয়া থেকে রক্ষা করতে পারে। অপরদিকে এই ধরনের উপসর্গ থাকা সত্ত্বেও রেসে যোগ দেয়াটা জীবনের জন্য হুমকি হতে পারে।
শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে দূরে রাখা
দৌড়বিদকে অতিরিক্ত গরম বা হাইপারথার্মিয়া এড়াতে পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। মাঝে মাঝে মাথা ও সারা শরীরে পানি ঢালা উত্তম। ডিহাইড্রেশন এবং লবণের ক্ষতি এড়াতে দৌড়ানোর সময় উপযুক্ত তরল এবং লবণ গ্রহণ বাঞ্ছনীয়।
প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর অন্তর কিছু না কিছু খাওয়া উচিত। দৌড়ের আগে অবশ্যই চর্বি ও কোলেস্টেরল যুক্ত খাবার পরিহার করা উচিত। গলা যেন শুকিয়ে না যায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। শীতকালে পানিশূন্যতার দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
দৌড়ের আদর্শ মান
প্রতি সপ্তাহে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক লোকে দৌড়ের জন্য আদর্শ দূরত্ব হচ্ছে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মাইল। আর ধৈর্য্য ধরে পুরোটা পথ এক টানা দৌড়ানোর চেয়ে গতি পরিবর্তন করে করে দৌড়ানো হৃদপিণ্ডের জন্য স্বাস্থ্যকর।
পড়ুন: রাজু ভাস্কর্যের সামনে নৃত্যরত ইরা: সপ্রতিভ উত্থানে এক বাংলাদেশি ব্যালেরিনা
দৌড় পরবর্তী প্রয়োজনীয় চেক-আপ
কার্ডিওমায়োপ্যাথির সাথে দৌড়বাজের বয়স, লিঙ্গ, শারীরিক অবস্থা বা দৌড়ের গতির সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই ঝুঁকির মাত্রার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার একমাত্র উপায় কার্ডিয়াক এমআরআই করা এবং দৌড়ের শেষে রক্ত পরীক্ষা করা।
শেষাংশ
ভারসাম্যপূর্ণভাবে পরিমিত পরিমাণে দৌড়ের অনুশীলন দৌড়ের সময় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে। মূলত এটি প্রতিটি ব্যয়ামের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। পরিমিত পরিমাণে সঠিক সুষম খাদ্য গ্রহণ যেমন দেহের জন্য উপকারী ঠিক তেমনি অতিরিক্ত ও অনিয়মিত দৌড়াদৌড়িতে হীতে বিপরীত হতে পারে। দিন দিন পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে খাদ্যে ভেজাল বৃদ্ধির কারণে স্বাস্থ্যের প্রতি আলাদাভাবে সতর্ক হতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যে, তা করতে যেয়ে যেন স্বাস্থ্যের উপর অতিরিক্ত বোধা চাপিয়ে দেয়া না হয়।
পড়ুন: মুকেশ আম্বানিকে হারিয়ে এশিয়ার শীর্ষ ধনী গৌতম আদানি
১৪৭৯ দিন আগে
যথাযোগ্য মর্যাদায় ক্যাপ্টেন নওশাদের দাফন সম্পন্ন
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ভারতের নাগপুরে মৃত্যুবরণ করা বাংলাদেশ বিমানের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিমানের ফ্লাইট বিজি-০২৬ তার মরদেহ ভারতের নাগপুর থেকে সকাল ৯ টা ১২ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়ে আসে।
এসময় বিমান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. মাহবুব আলী, এমপি, সচিব জনাব মো. মোকাম্মেল হোসেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ালাইন্স লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল ও বিমানের পাইলটসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মীগণ এ সময় উপস্থিত থেকে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
আরও পড়ুন: পাইলট নওশাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
এরপর ক্যাপ্টেন নওশাদ এর মরদেহ তাঁর বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুর ২ টায় বিমানের প্রধান কার্যালয় বলাকা ভবন প্রাঙ্গণে তার মৃত দেহ আনা হলে সেখানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লি. এর পক্ষ থেকে বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সিনিয়র সচিব (অবঃ) সাজ্জাদুল হাসান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম এর প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। অতঃপর মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিমানের পরিচালকবৃন্দ ও সর্বস্তরের কর্মীগণ উক্ত জানাজায় অংশগ্রহণ করেন এবং মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
আরও পড়ুন: মাঝ আকাশে হৃদরোগে আক্রান্ত পাইলট, নাগপুরে বিমানের জরুরি অবতরণ
জানাজা শেষে ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম এর মরদেহ বিকাল ৪ টায় বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৭ আগস্ট) নওশাদ মাস্কট থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকা আসার সময় মাঝ আকাশে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর ভারতের মহারাষ্ট্র প্রদেশের নাগপুরে নিরাপদে বিমান অবতরণের জন্য প্রশংসিত হন। ৪৪ বছর বয়সী এই পাইলট তখন থেকেই নাগপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
১৬৩২ দিন আগে
দেশে ফিরেছে ভারতে জরুরি অবতরণকারী বিমানের যাত্রীরা
অবশেষে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে ভারতে জরুরি অবতরণ করা বিমানের অপেক্ষমান যাত্রীরা। শনিবার প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ৫১ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে আটকে পড়া যাত্রীরা দেশে ফেরেন।
বাংলাদেশ বিমানের সহকারী ব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার ইউএনবিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ওমানের মাস্কাট থেকে ঢাকাগামী ফ্লাইটের ভারতের নাগপুরে জরুরি অবতরণের ফলে আটকে পড়া যাত্রীদের নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি ভারতীয় সময় ১০টা ২৫ মিনিটে উড্ডয়ন করে।
আরও পড়ুন: মাঝ আকাশে হৃদরোগে আক্রান্ত পাইলট, নাগপুরে বিমানের জরুরি অবতরণ
উল্লেখ্য, মাঝ আকাশে পাইলট হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় ঢাকাগামী বিমান বাংলাদেশের একটি যাত্রীবাহী ফ্লাইট শুক্রবার ভারতের মহারাষ্ট্র প্রদেশের নাগপুরে জরুরি অবতরণ করে। বোয়িং ৭৩৭-৮ বিমানটি মাস্কাট থেকে ১২৬ জন যাত্রী নিয়ে রওনা দিয়েছিল।
বিমান পরিবহনের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ছত্তিশগড়ের রাজধানী রায়পুরের কাছাকাছি থাকাকালীন বিমানটির সহ-পাইলট জরুরি অবতরণের জন্য কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সাথে যোগাযোগ করে।
আরও পড়ুন: কাবুলে ইউক্রেনের বিমান ছিনতাই!
পরবর্তীতে কলকাতা এটিসি সহ-পাইলটকে কাছের বিমানবন্দরে অবতরণ করতে বললে স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে যাত্রীবাহী বিমানটি নাগপুর বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে।
অবতরণের পর পাইলট নওশাদ আতাউল কাইয়ুমকে দ্রুত কাছের একটি হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা শুরু করা হয়।
১৬৩৮ দিন আগে