বিশ্ব ভালোবাসা দিবস
পহেলা ফাল্গুনে ব্যতিক্রমী আনন্দে রঙিন ‘বেলা শেষে’ বৃদ্ধাশ্রম
জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী আবহে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আর বসন্ত উৎসব একসঙ্গে এসে যেন রঙ ছড়িয়ে দিল নড়াইলের এক নিরিবিলি কোণে। বসন্তের রঙ ছড়িয়ে গেল তরুণ থেকে বয়স্ক, আদরে লালিতদের থেকে অবহেলিত—সবার হৃদয়ে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নড়াইল সদরের গোপিকান্তপুর গ্রামের ‘বেলা শেষে’ বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে দেখা যায় এমনই এক ভিন্ন ছবি। নিঃসঙ্গতার চেনা পরিসর ভেঙে সেখানে হচ্ছে প্রাণের বিচ্ছুরণ; হাসি আর গানে সব দুঃখ, ক্লেশ ভুলে আনন্দে মেতে উঠেছেন আশ্রমের বয়োবৃদ্ধ বাসিন্দারা।
তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘স্বপ্নের খোঁজে ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় এ ব্যতিক্রমী আয়োজন। ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে ছিল কেক কাটা, নতুন পোশাক উপহার, উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, খেলাধুলা, পুরস্কার বিতরণ ও গান; সব মিলিয়ে এক আন্তরিক, হৃদয়ছোঁয়া মিলনমেলা। নবীন-প্রবীণের এই মিলন এমন এক সেতুবন্ধন তৈরি করে, যেখানে সময়ের ব্যবধান মুছে গিয়ে একাকার হয়ে গিয়েছিল প্রজন্মের দূরত্ব।
এদিন সকাল থেকেই সাজ-সজ্জায় রঙিন করে তোলা হয় বৃদ্ধাশ্রমটি। রঙিন কাগজ, বেলুন আর ব্যানারে সেজে ওঠা প্রাঙ্গণ অপরিচিত আগন্তুককেও বুঝিয়ে দিচ্ছিল—আজকের দিনটি অন্যরকম। দীর্ঘদিনের নিস্তব্ধতা ভেঙে সেখানে শুরু হয় এক আনন্দোৎসব। প্রবীণদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ফুল, কাঁধে জড়িয়ে দেওয়া হয় ভালোবাসার স্পর্শ। কেক কাটার মুহূর্তে করতালিতে খান খান হয়ে যায় বৃদ্ধাশ্রমের নিঃসঙ্গতার আবেশ।
শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না এই আয়োজন। গান গেয়ে, বেলুন ফাটিয়ে, হাসি-ঠাট্টা আর গল্পে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠেন সবাই। নিদারুণ বর্তমানের মধ্যে এক টুকরো স্মৃতি যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছিল সবার হৃদয়ে। একসময় যারা সংসার, সমাজ ও পরিবারের কল্যাণে ব্যস্ত ছিলেন, বৃদ্ধাশ্রমে আসার পর মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখলেও বিশেষ এই দিনে তারা ফিরে গিয়েছিলেন ফেলে আসা রঙিন দিনগুলোতে। মুহূর্তের জন্য হলেও ভুলে যান বার্ধক্যের একাকিত্ব, অবহেলার বোঝার ভার নেমে যায় তাদের কাঁধ থেকে।
৬ দিন আগে
খুলনায় সুন্দরবন দিবস পালিত
বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে কেবল মানুষকে নয়; প্রকৃতিকে ভালোবাসুন, সুন্দরবনকে ভালোবাসুন- এ আহ্বান জানিয়ে খুলনায় সুন্দরবন দিবস পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দিবসটি পালন উপলক্ষে খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০১ সাল থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটসহ বিভিন্ন জেলায় বেসরকারিভাবে সুন্দরবন দিবস পালিত হচ্ছে।
তারা বলেন, সুন্দরবন নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সুন্দরবনকে টিকিয়ে না রাখতে পারলে পরিবেশের বিপর্যয় নেমে আসবে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সুন্দরবনের ওপর প্রভাব পড়ছে।
আরও পড়ুন: সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে র্যাবের বিশেষ অভিযান
এছাড়া বিষ দিয়ে মাছ শিকারের ফলে রেনু ও পোনা পর্যন্ত মারা যাচ্ছে। এছাড়া সুন্দরবনে রাস উৎসব, মাছ, গোলপাতা, মধু সংগ্রহ এবং হরিণ ও বাঘ শিকার করা হচ্ছে। কেটে ফেলা হচ্ছে গাছ। এছাড়া, সুন্দরবনের রোগাক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন গাছ মারা যাচ্ছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।
তারা বলেন, সুন্দরবন আমাদের রক্ষাকবজ। এটি আমাদের মায়ের মতো। প্রাকৃতিক দুর্যোগে সুন্দরবন আমাদের রক্ষা করে আসছে। এজন্য সুন্দরবনকে টিকিয়ে রাখতে হবে।
সুন্দরবন সুরক্ষার জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে 'সুন্দরবন দিবস' পালন করা জরুরি।
কিন্তু গত ২১ বছরেও দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পায়নি। অনেক দিবস পালন করা হয়। সভায় সুন্দরবন দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন-স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. ইউসুপ আলী।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সুন্দরবন একাডেমির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির।
বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. নাজমুস সাদাত।
জানা গেছে, সুন্দরবন ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এর মোট আয়তন ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার। এর মধ্যে বাংলাদেশ অংশের আয়তন প্রায় ৬ হাজার ১৭ বর্গ কিলোমিটার।
বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছাড়াও নানান ধরণের পাখি, চিত্রা হরিণ, কুমির, বানর ও সাপসহ অসংখ্য প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল সুন্দরবন।
এই বনভূমিতে বিখ্যাত সুন্দরী ও গোলপাতা গাছও পাওয়া যায়। ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনে রয়েছে পাঁচ হাজার প্রজাতির উদ্ভিদ, ১৯৮ প্রজাতির উভচর প্রাণী, ১২৪ প্রজাতির সরীসৃপ, ৫৭৯ প্রজাতির পাখি, ১২৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী ও ৩০ প্রজাতির চিংড়ি মাছ রয়েছে।
আরও পড়ুন: খুলনায় সুন্দরবন দিবস উদযাপন
বর্ণাঢ্য আয়োজনে খুলনায় ‘সুন্দরবন দিবস’ পালিত
১১০৩ দিন আগে
এবার ৩০০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা গদখালীর ফুলচাষীদের
ফেব্রুয়ারি মানেই বসন্ত উৎসব, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। অন্য সব মাসের তুলনায় এ মাসে বাংলাদেশে ফুলের চাহিদা থাকে অনেক বেশি।
এই তিন দিবসে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে দিন রাত ফুল বাগানের পরিচর্যায় ব্যস্ত গদখালীর ফুল চাষিরা।
বাংলাদেশ ফুল চাষি সমিতির সভাপতি আ. রহিম জানান, দেশের গোলাপ ফুলের চাহিদার সিংহভাগ আসে যশোরের গদখালী থেকে। শুধু গোলাপই নয়, এই এলাকা জুড়ে অনেক ধরনের ফুল চাষ হয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এই তিন দিবসে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে দিন রাত ফুল ও ফুলগাছের পরিচর্যা করে যাচ্ছেন চাষিরা।
আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে গদখালি ফুল চাষিরা বসন্ত বরণ, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের জন্য বাজারে ফুল সরবরাহ করবেন।
ফুল চাষি বাবলুর রহমান জানান, ইতোমধ্যে প্রতিদিন সূর্য অস্ত যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা ফুল কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন ঝিকর গাছার গদখালী বাজারে।
দেশের সর্ব বৃহৎ পাইকারী ফুলের বাজার এই গদখালি। এই কারণে গদখালিকে দেশের ফুলের রাজ্য বা রাজধানী বলা হয়ে থাকে।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরে জনপ্রিয় হচ্ছে সূর্যমুখী ফুল চাষ
যশোর শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে ঝিকরগাছা উপজেলার ৭৫টি গ্রামের সাড়ে ছয় হাজার হেক্টর জমিতে চাষ করা হয় হরেক রকমের ফুল।
গদখালির গ্রামগুলোর রাস্তার দুইপাশে দিগন্ত বিস্তৃত জমিতে লাল, নীল, হলুদ, বেগুনি আর সাদা রঙের ফুলের সমাহার দেখে মন্ত্রমুগ্ধের মত তাকিয়ে থাকতে হয়।
যশোর-বেনাপোল রোড ছেড়ে ডানে, বায়ের গ্রামগুলোয় ঢুকে কিছুদূর এগিয়ে গেলেই দেখা মিলবে দিগন্ত জোড়া ফুলের মাঠ। রজনীগন্ধা, গ্লাডিওলাস, গোলাপ আর গাঁদা ফুল চাষ হয় এসব গ্রামে।
প্রতিবছর ৫০০ কোটি টাকার ফুল উৎপাদন হয় এসব মাঠ থেকে। শত শত বিঘা জমি নিয়ে গাঁদা, গোলাপ, গ্লাডিওলাস, রজনীগন্ধা, জারবেরা, ডেইজি জিপসি, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকাসহ আরও বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের চাষ।
পানিসারা গ্রামের ফুল চাষি ইসমাইল হোসেন জানান, এবছরে ফুলের রাজ্যে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে টিউলিপ ফুল। শীত প্রধান দেশের ফুল টিউলিপ এদেশে ফুটবে ভাবেনি কেউ! টিউলিপ ফুল বাংলাদেশে প্রথমে ঢাকার গাজীপুরে পরীক্ষামূলক ভাবে চাষ করা হয়, এরপরে দ্বিতীয় বারের মত যশোরের গদখালীতে গত বছর চাষ হয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এ বছরও চাষ করা হয়েছে টিউলিপ।
আরও পড়ুন: সরিষা ফুলের হলুদ হাসিতে রঙিন যশোরে দিগন্তজোড়া মাঠ
ব্যবসায়ীরা এই ফুল কিনে দেশের সর্ববৃহৎ ফুল মার্কেট ঢাকার শাহবাগে সরবরাহ করেন। এছাড়াও চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহীসহ সড়ক পথে দেশের বিভিন্ন স্থানে ফুল সরবরাহ করে আসছেন পাইকাররা।
গদখালির বিরলিয়া গ্রামের ফুল চাষি আনোয়ার হোসেন জানান, , ১৯৯০ সালে ঢাকার কয়েকজন যুবক অন্যের জমি লিজ নিয়ে এই এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে প্রথম গোলাপ চাষ শুরু করেন। ফলন ভালো আর ওই যুবকদের সফলতা দেখে স্থানীয়রাও ধীরে ধীরে বাণিজ্যিকভাবে গোলাপ চাষ শুরু করেন। খুব কম সময়ের মধ্যে গ্রামটিতে গোলাপের চাষ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
এবছরও গদখালি এলাকার প্রায় ৬০০ হেক্টর জমিতে গোলাপসহ নানা রকম ফুল চাষ করেছেন স্থানীয় চাষিরা। এ গ্রামের ৯০ শতাংশ মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন এই ফুল চাষ করে।
ফুলচাষিরা বলেন, সারাদেশে বিভিন্ন দিবস উপলক্ষে যে ফুল বেচা-কেনা হয় তার অনেকটাই পূরণ করে বিরলিয়ার উৎপাদিত ফুল। আসছে ১৩ ফেব্রুয়ারি বসন্ত বরণ, ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে এ অঞ্চলের ফুলচাষিরা কমপক্ষে ৩০০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির টার্গেট নিয়েছেন।
সফল ফুল চাষি নাসরিন নাহার এবং সাজেদা খাতুন বলেন, কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার হওয়ায় অসংখ্য দর্শনার্থী বিরলিয়ার ফুল বাগান দেখতে আসেন।
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুম হোসেন পলাশ জানান, উপজেলার গদখালীতে এবার সাড়ে ছয় হাজার হেক্টর জমিতে ফুল চাষের আওতায় আনা হয়েছে। গদখালির কয়েকটি গ্রাম ও বাজার সড়কের পাশে, বাড়ির সামনে এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনের ফাঁকা জায়গাতেও ফুলের চাষ করা হয়েছে। দুপুরের পর প্রতিটি বাগানেই শ্রমিকদের ব্যস্ততা শুরু হয়ে যায়। ফুল কাটা, বাছাই, ভেজানো, বাঁধা সবকিছুই কৃষক সন্ধ্যার আগেই শেষ করেন। কারণ সন্ধ্যার পরই জমে ওঠে গদখালীর ফুলের বাজার।
আরও পড়ুন: জবা ফুলের চা: গুণাগুণ, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও বানানোর পদ্ধতি
১১০৯ দিন আগে
ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে রাজধানীতে উৎসবের আমেজ
বাহারি ফুল ও রঙিন পোশাকে তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে ঢাকা। সোমবার বসন্তের প্রথম দিন ও ভালোবাসা দিবস উদযাপন উপলক্ষে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে রাজধানী শহর।
গত কয়েক বছর ধরে, বিশেষ করে বাংলাদেশের মানুষ ১৪ ফেব্রুয়ারি দুটি দিবস পালন করে আসছে। একটি ভ্যালেন্টাইনস ডে অন্যটি পহেলা ফাল্গুন। বাংলা ক্যালেন্ডারে পরিবর্তনের কারণে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনস ডে’র সঙ্গে পালিত হচ্ছে পহেলা ফাল্গুন।
বসন্তের প্রথম মাস ও বাংলা ক্যালেন্ডারের একাদশ মাস ফাল্গুন। ফাল্গুনের আগমনে আম্র মুকুলের ঘ্রাণ, ফুলের সমারোহ ও পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠে পরিবেশ। প্রকৃতি শিমুল, পলাশ, গাঁদা প্রভৃতি নতুন রঙিন ফুল দিয়ে সাজিয়ে তুলে নিজেকে।
আরও পড়ুন: সিঙ্গেলদের ভ্যালেন্টাইন ডে কেমন হতে পারে
ফাল্গুন প্রকৃতি ও জীবন উভয় ক্ষেত্রেই যেন আনন্দ ও রঙ নিয়ে আসে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশিরাও তাদের প্রিয়জনদের সঙ্গে ভ্যালেন্টাইনস ডে উদযাপন করে আসছে কিছু বছর ধরে।
১৪৬৮ দিন আগে
গোপন-গহীনের ভালবাসা প্রকাশের দিন আজ
‘যত গোপনে ভালোবাসি পরাণ ভরি-পরাণ ভরি উঠে শোভাতে,যেমন কালো মেঘে অরুণ-আলো লেগে-মাধুরী উঠে জেগে প্রভাতে,’ প্রেমাবেগের তুমুল উচ্ছ্বাস বইয়ে দিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এভাবেই লিখেছেন ‘মানসী’ কাব্যগ্রন্থে। গোপন গহীনের ভালোবাসা প্রকাশের সেইদিন আজ।
২১৯৯ দিন আগে