বিএনপিকর্মী
শেরপুরে বিএনপি কর্মীর ওপর হামলা, অভিযোগের আঙুল জামায়াত সমর্থকদের দিকে
শেরপুরে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে এক বিএনপি কর্মীর ওপর হামলা চালিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের হেরুয়া-বালুরঘাট এলাকার কান্দাপাড়া-নামাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত গিয়াস উদ্দিন রাসেল মিয়াকে (৩৫) শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার মাথায়, নাকে-মুখে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও জখমের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
রাসেল মিয়া শেরপুর-১ (সদর) আসনে হেরুয়া বালুরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট ছিলেন। তিনি ইদ্রিস গ্রুপের জিহান অটো রাইস মিলের ব্যবস্থাপক হিসেবে চাকরি করেন।
হাসপাতালের বেডে থেকে তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় তিনি শেরপুর শহর থেকে মোটরসাইকেলে করে হেরুয়া এলাকার নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। এ সময় হামলাকারীরা তার পকেটে থাকা নগদ ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন এবং মোটরসাইকেলটিও ভাঙচুর করেন।
তিনি বলেন, আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছে। আমি বিএনপি করি, ধানের শীষের নির্বাচনি এজেন্ট ছিলাম, এ কারণেই রাতে বাড়ি ফেরার পথে আমার ওপর জামায়াত সমর্থকরা অতর্কিত হামলা চালিয়েছেন। জাময়াত সমর্থক স্থানীয় কেরামত, জামাল, সোহেল, মনির ও তার ভাইসহ ১২/১৩ জন মিলে আমার ওপর এ হামলা চালিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আমার মোটরসাইকেলের পিছু পিছু একটি মোটরসাইকেলে করে ৩ জন আসছিলেন। তারা আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন এবং সামনে তখন আরও ৮/৯ জন ছিলেন। তারা সবাই মিলে লাঠিসোটা নিয়ে আমার ওপর আক্রমণ করলে আমি দৌড়ে পাশের একটি দোকানে আশ্রয় নেই। সেই দোকানে ঢুকেও তারা আমাকে মারধর করেছেন। স্থানীয়রা তাদের কবল থেকে আমাকে উদ্ধার করেছেন। এ সময় তার ওপর হামলাকারীদের বিচার ও শাস্তির দাবি করেন তিনি।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা রাতেই জেলা সদর হাসপাতালে আহত রাসেল মিয়াকে দেখতে যান এবং ঘটনার বিস্তারিত শুনেন।
ওসি সোহেল রানা বলেন, ঘটনাটি জেনেছি। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
৬ দিন আগে
গাইবান্ধায় বিএনপিকর্মীকে গ্রেপ্তার, স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মোটরসাইলে অগ্নিসংযোগ
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় মামলার আসামি এক বিএনপিকর্মীকে গ্রেপ্তারের পর গভীর রাতে গাইবান্ধা-৫ আসনের (সাঘাটা-ফুলছড়ি) বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী নাহিদুরজামান নিশাতের সমর্থকদের সাতটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের নুরুজামান হাজী বাদী হয়ে ১৮ জনের বিরুদ্ধে সাঘাটা থানায় মামলা করেন। মামলার পর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ফয়সাল নামের এক বিএনপিকর্মীকে গ্রেপ্তার করে।
স্থানীয়রা জানান, গ্রেপ্তারের পর গতকাল (মঙ্গলাবার) গভীর রাতে ফয়সালের লোকজন কচুয়া ইউনিয়নের নুরুজামান হাজীর বাড়িতে রাখা সাতটি মোটরসাইকলে অগ্নিসংযোগ করে।
এ ঘটনায় নাহিদুরজামান নিশাত বলেন, ‘আমার জনপ্রিয়তা ঠেকাতে প্রতিপক্ষের লোকজন এ ধরনের হামলা করছেন।’
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ফয়সাল নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
২৪ দিন আগে
নোয়াখালীতে বিএনপিকর্মীকে গুলির পর গলা কেটে হত্যা
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে কবির হোসেন নামের এক বিএনপিকর্মীকে গুলি করার পর গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সুজায়েতপুর গ্রামের পূর্ব জামে মসজিদের সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত কবির হোসেন ওরফে ছালি কবির (৩৫) ইউনিয়নের সুজায়েতপুর গ্রামের মৃত নুরনবীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি এলাকায় ফেরেন।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে তিনি বাড়ির পাশের মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে যান। ইমামের পেছনে জুমার ফরজ নামাজ আদায় করেই তিনি মসজিদ থেকে বাড়ির উদ্দেশে বের হয়ে যান। এ সময় মুখোশ পরা ৫-৬ জন ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে সেখানে গিয়ে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে কবির মাটিতে লুটিয়ে পড়লে দুর্বৃত্তরা তার বাঁ পায়ের রগ ও গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: পাবনায় চরমপন্থি নেতাকে গলা কেটে হত্যা
তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা ছিল বলে জানান স্থানীয়রা। তবে পুলিশ ও তার স্বজনরা এ হত্যাকাণ্ডের কোনো কারণ জানাতে পারেননি।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুল্লাহ্-আল-ফারুক বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ডের কারণ জানাতে পারব।’
৪২১ দিন আগে