দাঁড়িপাল্লা
চুয়াডাঙ্গার দুই আসনেই দাঁড়িপাল্লার জয়, বিএনপির ভরাডুবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মাদ কামাল হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীদের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং সহনশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।
চুয়াডাঙ্গা-১ (সদর-আলমডাঙ্গা) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল ২ লাখ ১১ হাজার ১৫৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের শরীফুজ্জামান পেয়েছেন ১ লাখ ৫১ হাজার ৮৪৮ ভোট।
এই আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ৬ হাজার ৩৩৭ জন। ভোটগ্রহণ হয়েছে প্রায় ৭৪ শতাংশ। পোস্টাল ব্যালটে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছে ২ হাজার ৭৪১ ভোট, ধানের শীষ ৮১১ ভোট এবং হাতপাখা ৮৯ ভোট।
অপরদিকে, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী রুহুল আমিন ২ লাখ ১০ হাজার ১১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের মাহমুদ হাসান খান বাবু পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ২৯৯ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৮৭ হাজার ২১২ জন। ভোট প্রদানের হার ছিল প্রায় ৭৮ শতাংশ।
দুই আসনেই বড় ব্যবধানে জয় পাওয়ায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। তবে চূড়ান্ত ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।
৮ দিন আগে
ঝালকাঠিতে ‘দাঁড়িপাল্লা’র নির্বাচনি কার্যালয়সহ দলীয় দুই কর্মীর দোকানে আগুন
ঝালকাঠির রাজাপুরের সাতুরিয়া ও সদর উপজেলার বেসাইনখান এলাকায় দাঁড়িপাল্লার একটি নির্বাচনি কার্যালয় ও দুইজন জামায়াতের দুই কর্মীর দোকানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচনে বিরোধী পক্ষ এই নাশকতা করেছে বলে অভিযোগ করেছে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভোরে রাজাপুরের সাতুরিয়া এবং সদরের কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নে পৃথক স্থানে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
ঝালকাঠি-১ আসনের জামায়াতের প্রার্থী ড. ফয়জুল হক অভিযোগ করেন, নির্বাচনের শেষ সময়ে, এই মুহূর্তে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই বিএনপি প্রার্থীর লোকজন এই অগ্নিসংযোগের করেছে যাতে করে সাধারণ ভোটাররা আতঙ্কিত শঙ্কিত হয়ে পড়েন।
জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান জানান, এ ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের পরিবেশে ওপর প্রভাব পড়বে।
১১ দিন আগে
বেকারদের ভাতা দিলে বেকারত্ব বাড়বে, আমরা কর্মসংস্থান করব: ডা. শফিকুর
বেকারদের বেকারভাতা দিলে দেশে বেকারত্ব বেড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, আমরা নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করে বেকারদের সাবলম্বী করে তুলব।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে যশোরের ঐতিহাসিক ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন।
জনসভায় শফিকুর রহমান বলেন, ‘একটা দল সরকারে আসার আগে ১০ টাকা কেজি দরে চাল খাওয়ার কথা বলছে। বলছে কৃষক কার্ড দেবে, দেবে বেকারভাতা। ওই সব ধোঁকা আর বাংলাদেশের জনগণ দেখতে চায় না। বেকারদের বেকারভাতা দিলে বেকারত্ব বেড়ে যাবে। আমরা নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করে বেকারদের সাবলম্বী করে তুলব।’
তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ তাআলা যদি আমাদের দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেন, আমরা এই যশোরকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করব, ৫শ’ বেড হাসপাতাল, ভবদহ সমস্যার সমাধান করা হবে। যশোরবাসীর এসব ন্যায্য অধিকার।’
পরে তিনি যশোরের বিভিন্ন আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের হাতে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন।
২৫ দিন আগে
দাঁড়িপাল্লা প্রতীকসহ নিবন্ধন ফিরে পেল জামায়াত
রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ফেরত দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে দলটির ঐতিহ্যবাহী নির্বাচনী প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লাও’ পুর্নবহাল করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) নির্বাচন কমিশনের জারি করা এক গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে ২০১৮ সালের ২৮ অক্টোবরের পুরোনো গেজেট বাতিল করা হয়েছে। ওই গেজেটের মাধ্যমে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছিল।
গেজেটে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে দেওয়া রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ও নির্বাচনী প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ পুর্নবহাল করা হয়েছে।
ফলে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং ঐতিহ্যবাহী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে।
আরও পড়ুন: নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা ভালো থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন দেয় ইসি (নিবন্ধন নম্বর: ১৪) যা ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২’-এর ৯০বি অনুচ্ছেদের আওতায় ছিল।
তবে, ২০০৯ সালের এক রিট আবেদনের ভিত্তিতে ২০১৩ সালে হাইকোর্টের রায়ের আলোকে ২০১৮ সালের ২৮ অক্টোবর দলটির নিবন্ধন বাতিল করা হয়।
গত ১ জুন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ হাইকোর্টের সেই রায় বাতিল করে। ফলে দলটির নিবন্ধন এবং প্রতীক পুনরুদ্ধারের পথ উন্মুক্ত হয়।
এরই ধারাবাহিকতায়, ৪ জুন অনুষ্ঠিত ইসির বৈঠকে জামায়াতের নিবন্ধন ও প্রতীক ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় এবং মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে তা কার্যকর হলো।
২৪২ দিন আগে
নিবন্ধন ও নির্বাচনী প্রতীক ফিরে পাবে জামায়াত: নির্বাচন কমিশনার
রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নিবন্ধন ও নির্বাচনী প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ খুব শিগগিরিই ফিরে পাবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের একজন সদস্য।
বুধবার (৪ জুন) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এক বৈঠকের পর কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামি শিগগিরই তার নিবন্ধন ফিরে পাবে। আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছি। নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্য কমিশনার এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দলের নির্বাচনী প্রতীক সম্পর্কে বলতে গিয়ে কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, দলের নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লা জামায়াতে ইসলামীর কাছে ফেরত দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।
আরও পড়ুন: বাজেটে দেশ পুনর্গঠনের প্রত্যয় প্রতিফলিত হয়নি: জামায়াত
জামায়াতকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নির্বাচন কমিশন আপিল বিভাগের পূর্বের অবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ, ২০০৮ সালের ৫ নভেম্বর জারি করা নিবন্ধন বিজ্ঞপ্তি, জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২ এর ৯০এফ (১) (খ) অনুচ্ছেদ বিবেচনায় নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, উল্লেখিত বিধিবিধান ও রায়ে বলা হয়েছে, বরাদ্দকৃত প্রতীকগুলো তাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে, যদি না তারা অন্য কোনো নির্ধারিত প্রতীক পছন্দ করে। এছাড়া আদালতের অন্যান্য নির্দেশনা এবং পর্যবেক্ষণ বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন এই নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কমিশনার আরও জানান, ‘‘সব কিছু বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন জামায়াতে ইসলামীকে তাদের আগের 'দাঁড়িপাল্লা' প্রতীক ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মানে হলো তারা তাদের দলীয় নিবন্ধন এবং প্রতীক ফিরে পাবে।’’
তবে, তিনি উল্লেখ করেছেন যে, নির্বাচন কমিশন প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ ফিরিয়ে দিতে কিছু সময় নেবে, কারণ দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
এছাড়া, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন জন্য নিবন্ধিত নির্বাচন প্রতীকের সংখ্যা ৬৯ থেকে বৃদ্ধি করে ১০০ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
গত ১ জুন আপিল বিভাগ ২০১৩ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্টের রায়কে বাতিল করে দেয়।
২৬২ দিন আগে