অর্ধগলিত মরদেহ
খালে ভাসছিল নিখোঁজ যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় শিমুল (৪০) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কালা গ্রামের একটি খালে স্থানীয়রা কচুরিপানার ভেতরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে তারা বিষয়টি দ্রুত জীবননগর থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত শিমুল মনোহরপুর ইউনিয়নের ধোপাখালি গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে।
নিহতের স্বজনরা জানায়, গত শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ১ সপ্তাহ পর খালে তার মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, শিমুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে খালে ফেলে রাখা হয়েছে।
জীবননগর থানা পুলিশের ওসি সোলায়মান শেখ জানান, নিখোঁজ থাকার পর অর্ধগলিত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৭ দিন আগে
বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ীকে হত্যার পর অর্ধগলিত মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ
নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর সীমান্তে ইব্রাহিম (৪০) নামের এক বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যার ৩দিন পর অর্ধগলিত মরদেহ ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শনিবার (৫ জুলাই) রাত ১০টার পর নিতপুর সীমান্তের ২৩২নং পিলার এলাকার কাতলামারী নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার সকালে নিতপুর সীমান্তের রোদগ্রামের সৈয়দ মন্ডলের ছেলে ইব্রাহিম গরু নিয়ে ঘাস খাওয়াতে গেলে বিএসএফ আগ্রাবাদ ক্যাম্পের সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলে নিহত হন ইব্রাহিম।
আরও পড়ুন: তিন মাস পর বাংলাদেশি যুবকের লাশ ফেরত দিল বিএসএফ
ঘটনার পর ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় দিনভর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী। যেহেতু ঘটনাস্থল ভারতের অভ্যন্তরে, সেহেতু বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফকে পাতাকা বৈঠকের আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ইব্রাহিমকে গুলি করে হত্যার বিষয়টি জানতে বিএসএফ’র আগ্রাবাদ ক্যাম্পের কাছে জানতে চায় বিজিবি। কিন্তু তারা এই হত্যার বিষয়টি অস্বীকার করে। পরে চিঠি চালাচালির দুদিন পর এই হত্যার কথা স্বীকার করে এবং তিনদিন পর মরদেহ ফেরত দেয়।
১৬ বিজিবি নিতপুর ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার মাহফুজুর রহমান বলেন, মরদেহ হস্তান্তরের সময় পোরশা থানা পুলিশ, বিজিবি, আগ্রাবাদ ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা ও নিহতের পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
২৩০ দিন আগে