তাসনিম জারা
ঢাকা-৯: নারী পোলিং এজেন্টদের হয়রানির অভিযোগ তাসনিম জারার
ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা অভিযোগ করেছেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী পোলিং এজেন্টরা হয়রানি ও প্রবেশে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে খিলগাঁও মডেল কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব অভিযোগ করেন।
তাসনিম জারা বলেন, ‘আমাদের ভোটকেন্দ্র প্রতিনিধিদের বিভিন্ন অজুহাতে কেন্দ্রের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। নারী প্রতিনিধিরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।’
তিনি বলেন, ‘বেশ কিছু জটিলতার মধ্যে আমাদের যেতে হচ্ছে। বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বা বের করে দেওয়া হচ্ছে। বানোয়াট কিছু নিয়ম বানিয়ে এসব অজুহাত তৈরি করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পোলিং এজেন্ট যারা আছেন, তাদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। বলা হচ্ছে, উনারা এখানকার ভোটার না, কিন্তু এমন কোনো নিয়ম নেই যে পোলিং এজেন্ট হতে হলে ওই আসনের ভোটার হতে হবে। পুরুষ কেন্দ্রে নারী এজেন্টের নিয়ম দেখিয়ে আমার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে।
‘বিভিন্নভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ফোন নিয়ে ঢোকা যাবে না। অথচ ফোন নিয়ে ঢোকা যাবে, ব্যবহার করা যাবে না।’
এ সময় নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেন তাসনিম জারা। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের যারা পোলিং এজেন্ট আছে, তাদের বের করে দেওয়া হয়েছে কিন্তু ভেতরে মানুষ ভোট দিচ্ছে, নির্বাচন হচ্ছে। এটা সুষ্ঠু প্রক্রিয়া কিভাবে হয়! যখন নিয়ম জানতে চাচ্ছি, তখন বলতেও পারছে না।’
জারা বলেন, ঢাকা-৯ আসনের অনেক কেন্দ্র থেকেও অনুরূপ অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারা বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশীদ হাবিব এবং এনসিপির জাবেদ রাসিনের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৯ দিন আগে
ঢাকা-৯ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন তাসনিম জারা
ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আপিল শুনানি শেষে জারার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে আজ (শনিবার) আপিল শুনানি নিচ্ছে কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে শুনানিতে অন্য নির্বাচন কমিশনাররাও অংশ নিয়েছেন।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর তাসনিম জারা বলেন, ‘ইসিতে আমাদের যে আপিল সেটা মঞ্জুর হয়েছে। আমার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে আসলে খুব একটা অন্যরকম অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। দেশে-বিদেশে সবাই অনেক শুভকামনা জানিয়েছেন, অনেক দোয়া করেছেন। যখন রাস্তায় মানুষের সঙ্গে কথা বলছিলাম অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেছেন, কষ্ট পেয়েছেন, বলছেন দোয়া করছেন। তাদের সকলকে ধন্যবাদ।’
পছন্দের মার্কার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে যে মার্কা সেটার জন্য আবেদন করতে পারব। আমরা সেই প্রক্রিয়ায় আমাদের পছন্দ ফুটবল মার্কা নিয়ে আবেদন করব। তারপর নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত থাকবে। নির্বাচন কমিশনকেও ধন্যবাদ। উনারা আমাদের যুক্তিগুলো শুনেছেন।’
সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে বেশ জনপ্রিয় তাসনিম জারা। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গঠিত রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপিতে যোগ দেন তিনি, পান জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব পদ। দলটি থেকেই নির্বাচন করার কথা ছিল এই চিকিৎসকের। তবে, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির জোট ঘোষণার পরপরই তিনি দল ছাড়েন। এরপর স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনের ঘোষণা দেন এই নারী।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরও বড় ধাক্কা খান এই নেত্রী। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। এরপর আপিল করেছিলেন জারা।
মনোনয়নপত্র বাতিল নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের সময় ছিল গত ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর আজ (১০ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে আপিল শুনানি, যা চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। শুনানির প্রথম দিনেই প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন তাসনিম জারা।
তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি, যা চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। এরপর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
৪২ দিন আগে
হাসনাত, সারজিস, জারাসহ এনসিপির পাঁচ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারাসহ দলটির শীর্ষ পাঁচ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৬ আগস্ট) এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত পৃথক পাঁচটি বিজ্ঞপ্তিতে এই নোটিশ দেওয়া হয়।
নোটিশে বলা হয়েছে, ৫ আগস্ট ‘জুলাই অভ্যুত্থান দিবস’ রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হওয়ার দিনে উপস্থিত না থেকে ওই পাঁচ নেতা ব্যক্তিগত সফরে কক্সবাজারে যান। তবে এই সফরের বিষয়ে তারা দলের রাজনৈতিক পর্ষদকে কোনো তথ্য কিংবা ব্যাখ্যা দেননি।
আরও পড়ুন: এনসিপির প্রতি অন্তর্বর্তী সরকার পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে: নুর
এ কারণে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা এবং যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসে উপস্থিত না থেকে কক্সবাজার সফরের সিদ্ধান্তের কারণ ও প্রেক্ষাপট সম্পর্কে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব আখতার হোসেনের সামনে সশরীরে হাজির হয়ে এ ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
১৯৯ দিন আগে