এনসিপি
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদের প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে রিট
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ এনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে রিট করেছেন ঢাকা ১১ আসনের জাতীয় পার্টির (জাপা) সমর্থিত প্রার্থী শামীম আহমেদ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দেশের সর্বোচ্চ আদালতে এ রিট করা হয়। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নাহিদ ইসলামকে বিবাদী করা হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়, নাহিদ ইসলাম ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল ক্যারিবিয়ান দ্বীপ রাষ্ট্র ডোমিনিকার নাগরিকত্ব নেন। রিটটি গতকাল (রবিবার) দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শামীম আহমেদের আইনজীবী মোহাম্মদ মজনু মোল্যা।
তিনি বলেন, আগামীকাল (মঙ্গলবার) রিটটি শুনানির জন্য হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হবে।
আইনজীবী মজনু মোল্যা অভিযোগ করে বলেন, নাহিদ ইসলাম ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট উপদেষ্টা পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অপব্যবহার করে রাতারাতি কমনওয়েলথ অব ডমিনিকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। নির্বাচনি হলফনামায় তিনি তা গোপন করেন, যা সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ২(গ)-এর সরাসরি লঙ্ঘন। সংবিধানের ৬৬(২) (গ) অনুযায়ী তিনি নির্বাচনের অযোগ্য। তাই বিষয়টি নিয়ে আবেদনকারী আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।
গুলশান এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২১, ২২, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১ ও ৪২ এবং সবুজবাগ এলাকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১১ আসন। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন। নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন। আর তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন ভোটার রয়েছেন।
প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির এম এ কাইয়ুম, এনসিপির মো. নাহিদ ইসলাম, স্বতন্ত্র কোহিনূর আক্তার বীথি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী মো. শহীদুল্লাহ, গণফোরামের মো. আবদুল কাদের, গণঅধিকার পরিষদের মো. আরিফুর রহমান, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. জাকির হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির মো. মিজানুর রহমান, জাতীয় পার্টির শামীম আহমেদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ।
১২ দিন আগে
এনসিপির আখতার হোসেনকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি
জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থী আখতার হোসেনকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রংপুরের পীরগাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন আখতার।
জিডিতে আখতার উল্লেখ করেছেন, আমি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬ উপলক্ষ্যে সংসদীয় আসন নম্বর ২২, রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) থেকে ১১ দল সমর্থিত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী। শনিবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে পীরগাছা থানাধীন ছাওলা ইউনিয়নের কিশামত গ্রামে নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর সময় অপরিচিত একটি মোবাইল নম্বর থেকে আমার ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে ফোন করে প্রাণনাশের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে কল কেটে দেওয়া হয়। এই অবস্থায় ওই অপরিচিত মোবাইল ফোন নম্বরের ব্যক্তির দ্বারা আমার যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বিধায় বিষয়টি ভবিষ্যতের জন্য সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা প্রয়োজন।
জিডিতে বিষয়টি ভবিষ্যতের জন্য সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করতে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর আবেদন করা হয়েছে।
আজ (রবিবার) সকালে এক ভিডিওবার্তায় হুমকির বিষয়টি জানিয়েছেন আখতার হোসেন। সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ভয় দেখিয়ে জয়যাত্রা থামিয়ে দেওয়া যাবে না।
পীরগাছা থানার ওসি খন্দকার মহিবুল্লাহ বলেন, হুমকির ঘটনায় আখতারের পক্ষ থেকে একটি জিডি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
১৩ দিন আগে
কেউ ভোট চুরির চেষ্টা করলে পরিণতি হবে ফ্যাসিস্টদের মতো: নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, কেউ ভোট চুরি করার চেষ্টা কিংবা জালিয়াতি করার চেষ্টা করলে তার পরিণতি হবে ফ্যাসিস্টদের মতো। আসন্ন নির্বাচন হবে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন, সংস্কারের নির্বাচন, ঋন-খেলাপীদের বিরুদ্ধে জনগণের রায়ের নির্বাচন। মা-বোনদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে রায়ের নির্বাচন। দেশকে আধিপত্যবাদী ও ফ্যাসীবাদী মুক্ত করার নির্বাচন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সাভারের শাহীবাগে মাতৃবাগান মসজিদ সংলগ্ন মাঠে ঢাকা-১৯ আসনে ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী দিলশানা পারুলের নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, একটি পক্ষ আমাদের মা-বোনদের ভয় পাচ্ছে। তাই তারা মা-বোনদের প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে। তারা ভয় পেয়ে শেরপুরে আমাদের এক ভাইকে হত্যা করেছে। যারা হত্যার মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে চায় তাদের রাজনীতি রুখে দিতে হবে।
সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, শহিদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের এখনও ধরতে পারেনি সরকার। বিচার দাবিতে তার পরিবার যমুনার সামনে অবস্থান করেছে। হত্যাকারীদের ধরতে না পারা অন্তবর্তীকালীন সরকারের অন্যতম ব্যর্থতা। ওসমান হাদির হত্যাকারীদের বিচার দাবীতে এখনও দেশবাসী ও তার পরিবার রাজপথে রয়েছে। হাদির নীতি, আদর্শ ও জুলাই অভ্যুত্থানের আদর্শে নির্বাচনে রায় আসবে।
তিনি বলেন, আমরা আজাদী ও আধিপাত্যবাদ বিষয়ে এক বিন্দুও ছাড় দেব না। আপনারা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসবেন। আমাদের বিরুদ্ধে ভোট দিলেও আসবেন। ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভোট কেন্দ্রে যাবেন। গোলামির বিরুদ্ধে রায় দিতে ভোট কেন্দ্রে যাবেন।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আপনারা দেশের মানুষ দাবি প্রতিষ্ঠায় জালেমের বিরুদ্ধে রায় দিবেন। বর্তমান সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময়। আসন্ন সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে আধিপত্য দূর করতে পারব। দিল্লীর তাবেদারি দূর করতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা কোনো রক্ত চক্ষুকে ভয় পাইনা। একটি দলের নেতা বিদেশ থেকে এসে বলেছেন, আমার একটি প্লান আছে। আমরা সাধুবাদ জানিয়েছিলাম। সম্প্রীতির রাজনীতি করতে চেয়েছিলাম। তাই বলেছিলাম শেয়ার করেন। কিন্তু এখন দেখছি তিনি দেশের কোথায় চিনি কল আছে, কোথায় ইপিজেড আছে, কোথায় সয়াবিন চাষ হয়, কোথায় ভুট্টা চাষ বেশি হয় তা কিছুই তিনি জানেন না। তিনি দেশ ও জনগণ সম্পর্কে জানেন না। তিনি ১৭ বছর দেশে ছিলেন না। এমন কোনো প্লান আমরা কাউকে বাস্তবায়ন করতে দেব না যাতে দেশে আবার ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠা পাবে; দুর্নীতির রাজনীতি আবার ফিরে আসবে। দেশ পিছিয়ে যাবে এমন প্লান বাস্তবায়ন হতে দেব না।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আর কোনো দুর্বৃত্ত যেন দেশের রাজনীতিতে ফেরত না আসে। এ দেশের মানুষ আর কোনো বেইমান-প্রতারকের হাতে ক্ষমতা দিতে চায় না। ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে দক্ষ লোকের অভাব হবে না। দেশের ও বিদেশের অভিজ্ঞ লোকদের সংযুক্ত করা হবে।
সাভার উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক জুলকারনাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা-১৯ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপি নেত্রী দিলশানা পারুল, জায়াতের কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও ঢাকা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আফজাল হোসেন, জেলা জামায়াতের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম, সাভার জেলা রাজনৈতিক সেক্রেটারী হাসান মাহবুব মাস্টারসহ স্থানীয় নেতারা।
১৫ দিন আগে
হবিগঞ্জে এনসিপি থেকে ১২ জনের পদত্যাগ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) হবিগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক কমিটির ১২ জন সদস্য পদত্যাগ করেছেন। এদের মধ্যে ২ জন যুগ্ম আহ্বায়ক, ৪ জন যুগ্ম সদস্য সচিব ও ৬ জন সদস্য ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) জেলা আহ্বায়কের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক বরাবর দেওয়া পদত্যাগ পত্রে তারা ব্যক্তিগত অসুবিধার কথা উল্লেখ করেছেন। জেলা আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পদত্যাগকারীরা হচ্ছেন— যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক টিপু ও আব্দুল পয়াহি মনির, যুগ্ম সদস্য সচিব সিরাজুল হক সজীব, শেখ রুবেল আহমদ, সালমা আহসান ও সঞ্জয় দাশ, সদস্য হারুন মিয়া, কামাল উদ্দিন আহমেদ, জসিম উদ্দিন, শফিউল আলম খান, জাহিদ মিয়া ও সোফায়েল আহমদ।
এ ব্যাপারে যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুল ওয়াহেদ মনির বলেন, ‘স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যক্রম নিয়ে মতবিরোধের কারণে আমাদের এ দলে থাকা সম্ভব না হওয়ায় আমরা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
উল্লেখ বিগত ১৯ নভেম্বর ৯১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটি।
২৩ দিন আগে
আ.লীগ ১৭ বছরে যে নির্যাতন করেছে, ১৭ মাসে আরেকটি দল তা করছে: আসিফ মাহমুদ
এনসিপির নির্বাচনি প্রধান সমন্বয়ক ও সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব বলেছেন, ‘আমরা ১৭ বছর হত্যা, গুম ও জুলুমের নির্যাতন দেখিছি। আমরা চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসের স্বীকার হয়েছি। বর্তমানে গেল ১৭ মাসেও একটি দল ক্ষমতায় না থাকা সত্ত্বেও এসব অভিজ্ঞতা আমাদের দিয়েছে।’
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বারে এনসিপির ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা গাড়িবহর কুমিল্লার দেবিদ্বারে পৌঁছালে সেখানে আয়োজিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা ১৭ বছরের নিপীড়ন দেখেছি। বাংলাদেশের মানুষ ১৭ বছরের নিপীড়নের পর গত ১৭ মাসে আবার আরেক ধরণের নিপীড়নের শিকার হয়েছে। ১৭ বছরে আমরা দেখেছি গুম, খুন, নির্যাতন, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি, যত ধরণের অন্যায়, অনাচার আছে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের পক্ষ থেকে সেগুলো আমরা পেয়েছি। কিন্তু গত ১৭ মাসে ক্ষমতায় না থাকা স্বত্ত্বেও একটি দল ঠিক একই রকমের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জনগণকে দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যন্ত অঞ্চলের অলিগলি থেকে উঠে আসা নেতৃত্ব। আমরা মানুষকে ভয় দেখিয়ে নয়, মানুষের দরজায় দরজায় গিয়ে ম্যান্ডেট চাওয়া নেতৃত্ব। আমরা জুলাই অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের অংশগ্রহণে শেখ হাসিনার মতো শক্তিশালী ফ্যাসিবাদকে বিতাড়িত করেছি। আমরা তাদের মতো বিভিন্ন আজগুবি বক্তব্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাই না। আমরা মাটি থেকে উঠে এসেছি। আমরা জানি মাটি ও মানুষের কী কী সমস্যা আছে এবং তার কী কী বাস্তবসম্মত সমাধান হতে পারে।’
এ সময় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অলিগলি, রাস্তাঘাট একটু হেঁটে দেখুন। বাংলাদেশকে আগে চিনুন, তারপর আমরা ভরসা করতে পারব যে, আপনি আমাদের জন্য কিছু করতে পারবেন কি না।
এনসিপির এই নির্বাচনি সমন্বয়ক বলেন, মুরাদনগর আমার জন্মস্থান। আমি বাংলাদেশের যেখানেই থাকি সব সময় আপনাদের কথা আমার হৃদয়ে থাকে। গত বছর দায়িত্বে ছিলাম, উন্নয়নবঞ্চিত বৈষম্যের স্বীকার মুরাদনগরের জন্য কাজ করে গেছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা দেখলাম, এক দলের জনপ্রতিনিধি ছিল এবং সামনেও হতে চায়, তারা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নালিশ দিয়েছিল—কেন এত বাজেট দেওয়া হয়। যারা আপনাদের উন্নয়ন চায় না, তাদের কি ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন?
তিনি আরও বলেন, যারা প্রবীণ আছেন আপনারা তো আরও ভালো বলতে পারবেন। মুরাদনগরে একটা বাহিনী ছিল দাদা বাহিনী। বাহিনীর সদস্যদের নাম ছিল টার্মিনাল অমুক, পিস্তল তমুক। মুরাদনগরে আর কোন অমুক তমুকের জায়গা হবে না। আপনাদের শুধু নিশ্চিত করতে হবে মুরাদনগরের জনগণ যেন ভয়ডরহীনভাবে ভোট দিতে পারে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখ্য সমন্বয়কারী ও যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব লুৎফর রহমান, যুগ্ম সদস্যসচিব ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত প্রমুখ।
২৪ দিন আগে
দলে অনুপ্রবেশ করে একটি গোষ্ঠী অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে: নাহিদ ইসলাম
জুলাই যোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভীর সঙ্গে ন্যায়বিচার করা হয়নি এবং পুরো বিষয়টি বানোয়াট ছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
সেমাবার (৫ জানুয়ারি) রাতেই জামিনে মুক্তি পাওয়া তাসলিমাকে দেখতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, কিছু কিছু মিডিয়া জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে গণঅভ্যুত্থানের সামনের সারিতে থাকা ব্যক্তিদের চরিত্র হননের চেষ্টা করছে। সুরভীর ঘটনাটিও তারই ধারাবাহিকতা বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, দলের মধ্যে অনুপ্রবেশ করে একটি গোষ্ঠী দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে। সে ব্যাপারে সবাইকে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গতকাল সকালে এক সাংবাদিকের করা অপহরণ ও চাঁদাবাজীর মামলায় আদালতে তোলে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এমন খবরে ততক্ষণে বিক্ষোভ শুরু করেন ছাত্র জনতা। পরে রিভিশন আবেদন করলে এদিন রাতেই তার রিমান্ড বাতিল করে জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।
এর আগে, গত ২৫ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১২টার দিকে টঙ্গী পূর্ব থানার গোপালপুর টেকপাড়া এলাকার নিজ বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সুরভী ওই এলাকার সেলিম মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ জানায়, সুরভীর বিরুদ্ধে কালিয়াকৈর থানায় নাইমুর রহমান দুর্জয় নামের এক যুবকের করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। মামলায় চাঁদাবাজি, অপহরণ করে অর্থ আদায় ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া তিনি সেনাবাহিনী প্রধানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করতেন বলেও দাবি পুলিশের।
৪৬ দিন আগে
এবার এনসিপি ছাড়লেন তাজনূভা জাবীন
এবার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন। পদত্যাগের পাশাপাশি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। ঢাকা-১৭ আসন থেকে এনসিপির হয়ে নির্বাচন করার কথা ছিল তার।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এই ঘোষণা দেন তিনি।
দীর্ঘ পোস্টের একাংশে পদত্যাগের বিষয়ে তিনি লিখেছেন, আমি আজকে পদত্যাগ করেছি এনসিপি থেকে। অত্যন্ত ভাঙা মন নিয়ে জানাচ্ছি আমি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছি না।
তিনি লিখেছেন, এই দল ছেড়ে দেওয়া ছাড়া আমার সামনে আর কোনো সম্মানজনক অপশন নাই। দলের খারাপ সময়ে দল ছেড়ে দিয়ে অরাজনৈতিক, অপরিপক্কতার পরিচয় ইত্যাদি বয়ান দেবে অনেকে। জাস্ট বুলশিট। শুধু এটুকু বলি, আমি বহিরাগত ওখানে, আমাকে প্রতারিত করলে মেইক সেন্স; কিন্তু এক শীর্ষ নেতা আরেক শীর্ষ নেতার সঙ্গে যে মাইনাসের রাজনীতি করে ওখানে, সেটা ভয়ঙ্কর। এরা নিজেদের মধ্যে রাজনীতি করতে এত ব্যস্ত যে এরা কখনো দেশের জন্য নতুন একটা মধ্যপন্থার বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি করতে পারবে না।
তাজনূভা জাবীন বলেন, পুরোনো ফাঁকা বুলির রাজনীতি করতে হলে পুরোনো দলই করতাম, নতুন কেন? এবার আবারও আসি জামায়াতের সঙ্গে জোট প্রসঙ্গে, এনসিপি স্বতন্ত্র স্বকীয়তা নিয়ে দাঁড়িয়ে গেলে যে কারো সঙ্গে রাজনৈতিক জোটে অসুবিধা ছিল না। সেটা ৫ বছর পরে হতো, ঠিক প্রথম নির্বাচনেই কেন? কিন্তু আর সব অপশনকে ধীরে ধীরে রাজনীতি করে বাদ দেওয়া হয়েছে যাতে জামায়াতের সঙ্গে জোট ছাড়া কোনো উপায় না থাকে। সুনিপুণভাবে এখানে এনে অনেককে জিম্মি করা হয়েছে। যাই হোক, এটা কোনো রাজনৈতিক কৌশল না, এটাই পরিকল্পনা।
তিনি বলেন, নিজেরও ভালো লাগছে না এভাবে ছেড়ে যেতে, কিন্ত যারা এই দেশ, এই সংসদই চায় নাই, তাদের সমঝোতায় একদম শুরুতেই এমপি হতে চাওয়া, বা যারা এদের কল্যাণে এমপি হওয়ার জন্য হাভাইত্তার মতো করছে, তাদের নেতৃত্ব মানা আমার পক্ষে ঠিক গণঅভ্যুত্থানের পরের বছর অসম্ভব। এই জিনিস হজম করে মরতেও পারব না আমি। আমার নেতা হবে মাজাওয়ালা, জুলাই রাজনীতির ধারক। কিন্তু পুরো জুলাইকে নিয়ে রাজনৈতিক কৌশলের নাম করে তুলে দিচ্ছে জামায়াতের হাতে।…যেখানে এনসিপিকে বলাই হয় জামায়াতের আরেকটা দোকান, তাহলে কেন এনসিপি আগে নিজের স্বকীয়তা, নিজের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা না করে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জামায়াতকে বেছে নিতে মরিয়া হয়ে যাচ্ছে? তিনজন মন্ত্রী ছিল না ক্ষমতায়? পারে নাই তো।
তিনি আরও বলেন, যাই হোক, আমি আজকে পদত্যাগ করেছি এনসিপি থেকে। অত্যন্ত ভাঙা মন নিয়ে জানাচ্ছি, আমি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছি না। সবচেয়ে কষ্ট লাগছে আজকেই আম্মু চট্টগ্রাম থেকে আসছে আমার নির্বাচন করা উপলক্ষ্যে, আর আজকেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম। আমি জানি অনেকে ভীষণ কষ্ট পেয়েছেন আমার এই সিদ্ধান্তে। কিন্তু এটাই আমার জন্য সঠিক।
পাঠানো ডোনেশন ফেরত দেবেন জানিয়ে তাজনুভা বলেন, আমি আপনাদের পাঠানো ডোনেশন ফেরত দেব এক এক করে। আমাকে একটু সময় দেবেন। সেটার জন্য বিস্তারিত লিখে আপডেট দেব কিভাবে ধীরে ধীরে ফেরত দেব। প্রত্যেকটা পয়সা ফেরত দেব। আপনাদের সমর্থন, আপনাদের ভালোবাসার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।
শেষে তিনি বলেছেন, আমি আগে কখনো রাজনীতি করি নাই। জুলাই এ আমার রাজপথে নামা, পরিবর্তনের লক্ষ্যে নতুন কিছুর জন্য। আমি মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত সেই চেষ্টা করতে থাকব। আমার আওয়াজ, দেশের গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের জন্য কাজ আরো জোরালোভাবে জারি থাকবে। মধ্যপন্থার বাংলাদেশপন্থী নয়া বন্দোবস্তের রাজনীতির জায়গাটা খালিই পড়ে থাকল। আমি ওই জায়গা পূরণ করার চেষ্টায় থাকব। সময় বলে দেবে বাকিটা।
এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারাও পদত্যাগ করেছেন। শনিবার সন্ধ্যায় এক ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান,আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে লড়বেন। তার আগে গত বৃহস্পতিবার দলটি থেকে পদত্যাগ করেন এনসিপিতে জামায়াতবিরোধী অংশের নেতা হিসেবে পরিচিত জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব মীর আরশাদুল হক।
৫৫ দিন আগে
হাজারীবাগের হোস্টেলে এনসিপি নেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
রাজধানীর হাজারীবাগের জিগাতলা এলাকার একটি হোস্টেল থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত ওই নেত্রীর নাম জান্নাতারা রুমী (৩০)। তিনি এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ধানমণ্ডি শাখার সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর সোয়া ৪টার দিকে খবর পেয়ে জিগাতলার পুরাতন কাঁচাবাজার সড়কে অবস্থিত জান্নাতী ছাত্রী হোস্টেলের পঞ্চম তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে হাজারীবাগ থানা পুলিশ।
জান্নাতারা রুমী নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার নাজিরপুরের মো. জাকির হোসেনের মেয়ে।
হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, পাঁচতলা ওই হোস্টেলের একটি কক্ষে রুমী একাই থাকতেন। ৯৯৯-এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাই।
ওসি জানান, তিনি ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৬৫ দিন আগে
হাসিনা রায়ের পর আওয়ামী লীগের বিচারও হওয়া উচিত: নাহিদ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গণহত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে তারা সন্তুষ্ট, তবে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকেও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘যেদিন আমাদের ভাই আবু সাঈদ শহীদ হয়েছিলেন, সেদিন আমরা শপথ নিয়েছিলাম যে, এই হত্যার বিচার আদায় করেই ছাড়ব। জুলাই বিপ্লবে যে হাজারো শহীদ এবং কয়েক হাজার আহতের ওপর যে জুলুম করা হয়েছিল, সেই জুলুমের রায় আমরা আজকে পেয়েছি।
‘বিগত ১৬ বছর ধরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এদেশের সাধারণ মানুষের ওপর যে জুলুম-নির্যাতন করেছিল, গুম-খুন ও মানবাধিকার হরণসহ পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা ও জুলাইয়ের গণহত্যা করেছিল—এসব কিছুর বিচারের রায় আমরা পেয়েছি। আমরা এই রায়কে স্বাগত জানাই। এ দেশের বিচারিক ইতিহাসে এই রায় একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।’
এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, ‘আমরা কেবল এই রায় পেয়েই সন্তুষ্ট নই। আমরা সেদিনই সন্তুষ্ট হব, যেদিন এই রায় কার্যকর করা হবে। আমরা যেদিন আমাদের জীবদ্দশায় শুনতে পাব যে, শেখ হাসিনাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রায় কার্যকর করা হয়েছে, সেদিনই আমরা শান্তি পাব। সেদিনই জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মা শান্তি পাবেন, শহীদ পরিবার ও আহতরা শান্তি পাবেন।’ এ সময় তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে রায় কার্যকর করার দাবি জানান।
তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়, বরং জুলাই-আগস্টের ভিক্টিম হিসেবে বিচারের রায় ও তা কার্যকর দেখতে চাই। দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আজকের রায়ে ব্যক্তি হিসেবে শেখ হাসিনাকে অপরাধী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে এই রায়ের মধ্য দিয়ে এটা স্পষ্ট হয়েছে যে, শেখ হাসিনা শুধু ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং দল ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এই গণহত্যার নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারী ছিলেন। ফলে আওয়ামী লীগও দল হিসেবে এই মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত।’
৯৬ দিন আগে
বাংলার মাটিতে আওয়ামী লীগকে আর ফিরতে দেওয়া হবে না: আখতার
বাংলার মাটিতে আওয়ামী লীগকে কোনোভাবেই ফিরতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন। এ লক্ষ্যে তার দলের সব নেতা-কর্মীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এনসিপির এই শীর্ষ নেতা।
বুধবার (১২ নভেম্বর) বিকেলে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার পারুল ইউনিয়নে নির্বাচনী উঠান বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার হোসেন বলেন, যারা বাংলাদেশের মানুষের ওপর গণহত্যা চালিয়েছে, সেই আওয়ামী লীগ আবারও নাশকতা চালাচ্ছে। বাংলার মাটিতে আওয়ামী লীগকে কোনোভাবেই ফিরতে দেওয়া হবে না।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপি ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা আমাদের নিজস্ব সক্ষমতা ও অবস্থান থেকেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে জাতীয় স্বার্থে ও দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশকে নতুন পথে এগিয়ে নিতে হলে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়েও আমরা ওপেন (উন্মুক্ত) রয়েছি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে, যদিও এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি রাখিনি আমরা এককভাবেও নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত।
দলের প্রার্থী বাছাই প্রসঙ্গে এনসিপির এই নেতা বলেন, সারা দেশ থেকে এমন প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতে চাই যারা জনগণের কথা ভাববে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি টিম গঠন করা হয়েছে, তারা মনোনয়নপত্র বিতরণ করছে। সারা দেশের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা ফরম সংগ্রহ করছেন। ইতোমধ্যে অনেক যোগ্য প্রার্থী মনোনয়নপত্র নিয়েছেন। যাচাই-বাছাই শেষে ১৫ নভেম্বরের পর প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হবে।
গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে দলের অবস্থান জানতে চাইলে আখতার হোসেন বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশটি সঠিকভাবে জারি করা। সরকার কীভাবে এই আদেশ জারি করবে, তাতে কী থাকবে আর কী থাকবে না—সেটি এখনো পরিষ্কার নয়। যদি সরকার জুলাই সনদের আদেশ যথাযথভাবে জারি করে, তাহলে সংকটের সমাধান সম্ভব এবং এর মাধ্যমেই গণভোটের প্রশ্ন নির্ধারিত হবে।
তিনি আরও বলেন, গণভোট নির্বাচনের দিনই হোক বা আগে, তাতে তেমন প্রভাব পড়বে না, যদি জুলাই সনদের আদেশ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়। কিন্তু আদেশটি সঠিকভাবে জারি না হলে গণভোটও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াকে টেকসই করতে পারবে না। আমরা আশা করি, সরকার দ্রুত জুলাই সনদের আদেশ জারি করবে এবং জনগণের পক্ষেই অবস্থান নেবে।
এর আগে উঠান বৈঠকে আখতার হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হওয়াই বড় সংকট। নির্বাচনের আগে এ বিষয়ে সুরাহা না হলে নির্বাচনের বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন উঠবে। তাই এনসিপি নির্বাচনের আগে গণভোটের পক্ষে।
১০১ দিন আগে