সংসদ-সচিবালয়
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গণতান্ত্রিক সংস্কার করতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জনের মধ্য দিয়ে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রায় দীর্ঘ দেড় যুগ পর একটি স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সরকার গঠিত হয়েছে। তাই আমাদের নিকট জনগণের প্রত্যাশা অনেক। সে প্রত্যাশা পূরণে আমরা দ্রুত আমাদের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে যে জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী গণতান্ত্রিক সংস্কার করতে চাই, প্রথমে তার অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানসমূহের পুনর্গঠন ও নৈতিকতা উন্নতকরণের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে চাই। এ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দিতে হবে। এখানে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বাজেট মঞ্জুরির বিষয়ও রয়েছে। নতুন জনবল নিয়োগের মাধ্যমে এবং সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আমরা লক্ষ্য অর্জন করতে চাই।
তিনি বলেন, পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যুগোপযোগী উন্নয়নে আমাদের একটি সঠিক পরিকল্পনা দরকার। মন্ত্রী এসময় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধানদের পরামর্শ ও সুপারিশমালা তৈরির নির্দেশ দেন। মন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে আমরা যে সংস্কার করতে চাই, তার অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে।
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (নিয়মিত দায়িত্ব) মো. দেলোয়ার হোসেন, আইজিপি বাহারুল আলমসহ বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধান ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট অনু্বিভাগের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিচারকদের উদ্দেশে বলেছেন, কেউ দুর্নীতি করলে তার বিরুদ্ধে শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থাই নেওয়া হবে না, দুর্নীতির মামলাও দেওয়া হবে। দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না।
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রথম কর্মদিবসে উভয় বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে, উভয় বিভাগের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মন্ত্রীকে আইন মন্ত্রণালয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
আইনমন্ত্রী বলেন, সবাই বলে দুর্নীতিবাজ বিচারপতি, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। কিন্তু বিচারপতি মানেই আসলে সৎ বিচারপতি। সৎ বিচারপতির কোনো সংজ্ঞা নেই। বিচারক শব্দটার সঙ্গেই সততার বৈশিষ্ট্য জড়িত। বিচারকদের সৎ, অসৎ— এই জায়গায় আমি দেখতে চাই না।
বিচারক মানেই সৎ উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাদের মনে হবে যে চাকরির টাকায় সংসার চলে না, যাদের এই টাকায় পোষাবে না, তাদের চাকরি করার দরকার নেই। তারা ওকালতি করুক, কারণ তাদের অবসরের পরে ওকালতি করার সুযোগ থাকে। এটা আমার ‘কমন মেসেজ’।
দুর্নীতি প্রসঙ্গে আসাদুজ্জামান বলেন, যদি কেউ মনে করেন যে, দুর্নীতি করে পার পাবেন, এটা এখানে পাবেন না। কেউ দুর্নীতি করলে তার বিরুদ্ধে শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থাই নেব না, সঙ্গে একটি দুর্নীতির মামলাও দেওয়া হবে। এই বিষয়টি সবাইকে স্মরণ রাখতে হবে।
৩ দিন আগে
মব জাস্টিস নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করতেই হবে: মির্জা ফখরুল
নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মব জাস্টিস নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যতটুকু খারাপ ছিল, সেটাকে উন্নত করার চেষ্টা করতেই হবে।
বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সরকার গঠনের পর প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
সবকিছু মিলিয়ে আপনার এই সময়ের চ্যালেঞ্জ, সরকারের চ্যালেঞ্জটা কী—প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসছি আমরা। চ্যালেঞ্জটা হচ্ছে, টু বিল্ড দ্য নেশন (দেশকে গড়ে তোলা)। আমাদের প্রধানমন্ত্রী, যিনি আমাদের এখন নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তার প্রথম কথাটি ছিল— বাংলাদেশের জন্য, আই হ্যাভ এ প্ল্যান (আমার একটা পরিকল্পনা আছে)। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য তিনি তার মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। মন্ত্রিসভা তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে, বাংলাদেশের মানুষের সমস্যাগুলো সমাধান করার চেষ্টা করবে এবং বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে সামনের দিকে।’
তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেসি (গণতন্ত্র) হচ্ছে আমাদের প্রধান ইনগ্রেডিয়েন্ট (উপাদান), যাকে নিয়ে আমরা সামনে এগোচ্ছি। অর্থাৎ আমাদের সবকিছুর মধ্যেই গণতন্ত্র থাকবে। আমরা সেই গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করি। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়; এটার পুরোপুরি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক, একেবারে গ্রাসরুট (তৃণমূল) মানুষের সঙ্গে।
‘আমার একটা অ্যাডভান্টেজ (সুবিধা) আছে, আমি কিন্তু একসময় নিজে লোকাল গভর্নমেন্টে (স্থানীয় সরকার) ছিলাম। তাই আমরা এই জিনিসগুলো সম্পর্কে কিছু ধারণা রাখি। আমি বিশ্বাস করি যে, আপনাদের এই মন্ত্রণালয়কে অত্যন্ত ডাইনামিক (গতিময়) একটা মন্ত্রণালয়ে পরিণত করতে পারব। মানুষের যে সমস্যাগুলো আছে, সেই সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা কাজ করতে পারব।’
দেশের ‘আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতি ভঙ্গুর’ দাবি করে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘না না, অতটা খারাপ না। আপনারা যতটা খারাপভাবে দেখছেন, অতটা খারাপ না। আমাদের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ইমপ্রুভ (উন্নতি) হয়েছে। অর্থনীতি—ম্যাক্রো ইকোনমিক স্ট্যাবিলিটি (ব্যাষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা)—এটা অনেক ফিরে এসেছে। ব্যাংক তো অনেকটা কন্ট্রোলে (নিয়ন্ত্রণে) এসেছে। এগুলো তো ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। আমরা মনে করি, সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় এটাকে আরও ভালো করতে পারব।’
গেল দেড় বছর ব্যাপক মব জাস্টিস হয়েছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্যই। এটাকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যতটুকু খারাপ ছিল, এটাকে ইমপ্রুভ করার চেষ্টা করতেই হবে। একটা বড় ঝড় গেছে আমাদের। একটা বিপ্লব হয়েছে, বিদ্রোহ হয়েছে, গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। এসব মুহূর্তের মধ্যে সব ঠিক হয়ে যাবে—এটা মনে করার কারণ নেই। এক-দেড় বছর আমরা পার হয়েছি একটা ইন্টারিম গভর্নমেন্টের (অন্তর্বর্তীকালীন সরকার) অধীনে। তারা একটা ইলেকশন দিয়ে গেছে। ইলেকশন করে একটা গভর্নমেন্ট হয়েছে—ইলেকটেড গভর্নমেন্ট (নির্বাচিত সরকার) হয়েছে। এটাই তো একটা বড় অ্যাচিভমেন্ট (অর্জন)। আমি তো মনে করি, দ্যাটস অলসো এ ভেরি বিগ অ্যাচিভমেন্ট (এটা একটা বড় অর্জন)।’
আওয়ামীলীগ বিহীন নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়েছে কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, এটা কিন্তু জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সবাই বলছে—এটা ইনক্লুসিভ ইলেকশন (অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন) হয়েছে। এবং এটা ইনক্লুসিভ ইলেকশন হয়েছে বলেই আজকে এটা একসেপ্টেবল টু অল (গ্রহণযোগ্য) হয়েছে, সকলের কাছে।’
আওয়ামী লীগের বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত কী হবে, প্রশ্নের উত্তরে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা আমরা রাজনৈতিকভাবে পরে আপনাদের জানাব। আমাদের সরকারের আলোচনার পরে জানাব।
অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রয়োজন নেই। কারণ তারা একটা বিশেষ মুহূর্তে দায়িত্ব নিয়েছে। সেই সময়, আমি মনে করি, আমার দলও মনে করে, যতটুকু প্রয়োজন ছিল, তারা সেই কাজের সিংহভাগ করতে পেরেছে। মূল সমস্যাটা কী ছিল? ট্রানজিশন টু ডেমোক্রেসি (গণতন্ত্রে রূপান্তর)। সেটা তো তারা করে দিয়ে গেছে। সুতরাং ইউ মাস্ট গিভ ক্রেডিট টু দেম (তাদের সেই কৃতিত্ব), দিতেই হবে। তারা অনেক ভালো কাজ করেছে।
৩ দিন আগে
সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তিনি ভাষণ দেবেন বলে এক বার্তায় জানিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়।
দেশের সকল সম্প্রচারমাধ্যমকে বিটিভির সৌজন্যে ভাষণটি সম্প্রচারের জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে ।
এর আগে, আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তিনি। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে আবারও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তারেক রহমান।
এ সময় তিন বাহিনীর একটি সুশৃঙ্খল চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে; বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।
পরে প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে সংরক্ষিত দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি পারিজাতের চারাও রোপণ করেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দুপুর ১টার দিকে সচিবালয়ে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত দপ্তরে প্রথমবারের মতো অফিস করবেন তিনি।
সচিবালয়ে গিয়ে তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হবেন এবং একটি সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। দুপুরের পর বিকেল ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী।
সূত্র আরও জানিয়েছে, বৈঠকের নির্দিষ্ট কোনো এজেন্ডা নেই। মূলত এটি হবে পরিচিতিমূলক। এরপর বিকেল ৪টায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেন। এরপর রাতে মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৩ দিন আগে
নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক বিকেলে
নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে আজ বুধবার বিকেলে। সচিবালয়ে নতুন ১ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে এ বৈঠক হবে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় বৈঠকটি শুরু হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে তথ্য জানা গেছে আজ (বুধবার) সচিবালয়ে অফিস করবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শপথ নেওয়ার পর দিন তিনি সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এরপর মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক এবং সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী।
দায়িত্ব গ্রহণের পরদিন আজ (বুধবার) বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন। সেখানে মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি দুপুর ১টার দিকে সচিবালয়ে পৌঁছাবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত দপ্তরে প্রথমবারের মতো অফিস করবেন।
সচিবালয়ে গিয়ে তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হবেন এবং একটি সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। দুপুরের পর বিকেল ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী।
সূত্র আরও জানিয়েছে, বৈঠকের নির্দিষ্ট কোনো এজেন্ডা নেই। মূলত এটি হবে পরিচিতিমূলক। এরপর বিকেল ৪টায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেন। এরপর রাতে মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৩ দিন আগে
তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিয়ে গেজেট প্রকাশ
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তারেক রহমানকে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগদান করেছেন।
অপর প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ-সদস্য তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন এবং তার নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের জন্য সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। নতুন সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ বিলুপ্ত হয়ে গেছে বলে গণ্য হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে গতকাল (মঙ্গলবার) বিকেলে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। ৫০ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
গতকাল বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ শুরু হয়। তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ত্রয়োদশ সংসদ নেতা তারেক রহমান। শপথ শেষে করমর্দনের মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপতি। এ সময় উপস্থিত সবাই হাততালি দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান।
শপথ গ্রহণের পর শপথপত্রে স্বাক্ষর করে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত আসন গ্রহণ করেন তারেক রহমান।
৩ দিন আগে
দেশের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান, শপথ নিলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরাও
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ শুরু হয়। তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ত্রয়োদশ সংসদ নেতা তারেক রহমান। শপথ শেষে করমর্দনের মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপতি। এ সময় উপস্থিত সবাই হাততালি দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান।
শপথ গ্রহণের পর শপথপত্রে স্বাক্ষর করে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত আসন গ্রহণ করেন তারেক রহমান।
এরপর মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি। ত্রয়োদশ সংসদের মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান, আবদুল আওয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মো. আমিনুর রশিদ আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আসাদুল হাবীব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দিপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম ও শেখ রবিউল আলম।
মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ ও শপথপত্রে স্বাক্ষর শেষ হওয়ার পর আসে প্রতিমন্ত্রীদের পালা। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম শপথ নেন।
৪ দিন আগে
সচিবালয় থেকে সংসদ ভবনের উদ্দেশে ৫০ গাড়ির বহর
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের ৫০টি গাড়ি যাচ্ছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের দক্ষিণ প্লাজায়। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫ মিনিট থেকে গাড়িগুলো সচিবালয় ছাড়তে শুরু করে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাড়িগুলো শপথের পর নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে তাদের বাড়িতে যাবে। প্রতিটি গাড়ির সঙ্গে একজন লিঁয়াজো অফিসার রয়েছেন। গাড়িগুলোর মধ্যে ৩৩টি টয়োটা ক্যামরি এবং ১৭টি মিৎসুবিশি ল্যান্সার।
শপথ অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বেলা ১২টার পর থেকে একাধিক মাইক্রোবাসে সচিবালয় ছেড়ে সংসদ ভবনের উদ্দেশে যাত্রা করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার থেকে গাড়িগুলো পরিবহন পুল থেকে সচিবালয়ে আসতে শুরু করে। পরিবহন পুলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ৬৮টি গাড়ি প্রস্তুত রেখেছিলেন। এর মধ্যে ৪৫টি গাড়ি প্রথমে সচিবালয়ে এনে রাখা হয়। এরপর আরও কয়েকটি গাড়ি আসে।
৪ দিন আগে
মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত ৪৫ গাড়ি
শপথ অনুষ্ঠানের আগেই নতুন মন্ত্রিসভার প্রস্তুতি দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে প্রশাসনের ভেতরে। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের জন্য সচিবালয়ে ৪৫টি সরকারি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চাহিদা অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিবহন পুলের মাধ্যমে গাড়িগুলো প্রস্তুত করা হয়। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে একে একে গাড়িগুলো সচিবালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সচিবালয়ে নতুন ১ নম্বর ভবনের নিচে এবং সামনে গাড়িগুলো রাখা হচ্ছে।
তারা জানিয়েছেন, মোট ৬৮টি গাড়ি রয়েছে, এর মধ্যে ৪৫ টি গাড়ি সচিবালয়ে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। তবে ৪৫টি গাড়িই লাগবে না, এর মধ্যে চার-পাঁচটা বেশি রাখা হয়েছে। কারণ, কোনো গাড়িতে সমস্যা দেখা দিলে যাতে এখানে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
গাড়ির মধ্যে বেশিরভাগই টয়োটা ক্যামরি, কিছু ল্যান্সারও রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গাড়িগুলো সচিবালয় চত্বরে প্রস্তুত থাকছে। নির্দেশনা পেলে একজন লিঁয়াজো কর্মকর্তাসহ ড্রাইভার গাড়ি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীর বাসায় চলে যাবেন।
৪ দিন আগে
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা
ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি (ইউএনবি)— ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ সোমবার। এদিন সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে তারা শপথ গ্রহণ করেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।
প্রথমে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপির সংসদ সদস্যরা শপথ নেন। কিছুক্ষণ পর জামায়াতে ইসলামী ও পরবর্তীতে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ অন্য দল, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা শপথ নেন।
এদিন সকাল সাড়ে দশটার কিছু সময় পরে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা।
শপথ গ্রহণ শেষে শপথপত্রের নির্ধারিত স্থানে নিজ নির্বাচনি এলাকা উল্লেখ করে তারিখসহ স্বাক্ষর করেন সংসদ সদস্যরা।
একই দিন বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও একই সময়ে শপথ পড়ানো হবে।
সংসদ সচিবালয় ইতোমধ্যে এই আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
নতুন সরকারে শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় নেওয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। স্ট্যান্ডবাই থাকবে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ও কেনাইনের মতো বিশেষায়িত ইউনিট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হচ্ছে নতুন সরকারের শপথ। আজ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হচ্ছেন এক হাজারেরও বেশি দেশি-বিদেশি অতিথি।
এদিকে, শপথ আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও লেকরোডে আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। গতকাল সোমবার ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ থেকে যানচলাচলের ডাইভারশন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।
৪ দিন আগে