মন্ত্রিপরিষদ সচিব
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্বে থাকা ২ সচিবের পদত্যাগ
প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়ার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়েছে। এর আগে তিনি প্রধান উপদেষ্টার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তার আবেদন করা পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) একইভাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্বে থাকা শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে সরকার। তিনিও পদত্যাগপত্র দেওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ওইদিন শেখ আব্দুর রশীদের স্থলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়াকে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তবে দায়িত্ব পাওয়ার ২ দিনের মাথায় তিনিও পদত্যাগপত্র জমা দেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২ অক্টোবর ২ বছরের চুক্তিতে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব নিয়োগ পান সাবেক আমলা মো. সিরাজ উদ্দিন মিয়া। সে অনুযায়ী চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তার চাকরির মেয়াদ ছিল।
৪ দিন আগে
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্বে সিরাজ উদ্দিন মিয়া
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নিজ পদের অতিরিক্ত হিসেবে এ দায়িত্ব দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তিনিও চুক্তিভিত্তিতে নিয়োগ পেয়েছিলেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করেছে সরকার। গতকাল (শনিবার) তার চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর আব্দুর রশীদকে ২ বছরের জন্য চুক্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী তার চলতি বছরের ৭ অক্টোবর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আট মাস আগেই সরে যেতে হলো তাকে।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
৬ দিন আগে
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সংবিধান অনুযায়ী নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের রাষ্ট্রপতি শপথ পড়াবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব রয়েছেন আওয়ামী লীগ আমলে নিয়োগ পাওয়া মো. সাহাবুদ্দিন। নতুন মন্ত্রিসভার শপথের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তুতি আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন জানতে চাইলে সাংবাদিকদের শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই পড়াবেন।’ নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের জন্য কমবেশি এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে বলেও এ সময় জানান তিনি।
মন্ত্রিসভার সদস্য কতজন হবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেটা নির্ভর করে যিনি সংসদ নেতা, যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, তার ওপর; এটা তার ইচ্ছা। উনি কতজনকে মন্ত্রী হিসেবে এখন দেখতে চান বা পরে দেখতে চান।’
মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ ১৭ তারিখ না ১৮ তারিখ, কোন দিন ধরে কাজ করছেন—প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটা তো বলতে পারছি না। বললাম তো, যদি আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয় বা ইঙ্গিতও দেওয়া হয় যে অমুক তারিখে অমুক সময়ে হবে, আমরা সেই মোতাবেক কাজ করব। সেটা কালকে হলেও কালকে কাজ করতে হবে। দুই দিন পরে হলে দুই দিন পরের জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। জানার পরে সেটা বলতে পারব, তার আগে কোনো তারিখ না।
৭ দিন আগে
বর্তমান প্রশাসনের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে চলমান আলোচনা ও প্রশ্নের মধ্যেই আশার বার্তা দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ। বর্তমান প্রশাসনের অধীনেই একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নির্বাচন-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তফসিল ঘোষণার আগে নিয়োগ পাওয়া জেলা প্রশাসকদের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, আমি এখনও নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে আশাবাদী। আমি মনে করি, এটি করা সম্ভব।
জেলা প্রশাসকদের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাস্তব পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই একজন কর্মকর্তার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা গড়ে ওঠে। সবাই অভিজ্ঞ হয়ে আসে না। দায়িত্ব পালনের সময়ই অভিজ্ঞতা তৈরি হয়। যদি তাদের মনোভাব সঠিক থাকে এবং তারা সঠিক পথে চলেন, তাহলে তারা শতভাগ সফল হতে পারবেন।
এ সময় মাঠ প্রশাসনের কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কোনো ক্ষেত্রে নির্দিষ্টভাবে বিচ্যুতি বা অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ঢালাওভাবে কারও বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সামগ্রিকভাবে সরকার মনে করছে মাঠপর্যায়ের প্রশাসন নির্বাচনের দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত ও সক্ষম। তবে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এলে সেটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
৪৪ দিন আগে
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, বুধবার সাধারণ ছুটি
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত (৩১ ডিসেম্বর এবং ১ ও ২ জানুয়ারি) তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। এছাড়া বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারা দেশে সাধারণ ছুটি থাকবে।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকাল মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ এ তথ্য জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ৩১ ডিসেম্বর এবং ১ ও ২ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। এছাড়া আগামীকাল (৩১ ডিসেম্বর) সরকারি ছুটি। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা হবে। সংসদ ভবন প্লাজায় তার জানাজা হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার রহমানের মাজারের (জিয়া উদ্যানে) ওখানেই তাকে দাফন করা হবে।
জানাজা কখন হবে জানতে চাইলে আব্দুর রশিদ বলেন, সেই সিদ্ধান্তটা একটু পর হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটা মিটিং আছে; সাড়ে ১২টায় সেখানে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে সম্ভাব্য সময় বলতে পারি আগামীকাল জোহরের নামাজের পর।
তিনি বলেন, তার মরদেহ এখন এভারকেয়ার হাসপাতালে থাকবে। সেখানে যে সকল প্রস্তুতিমূলক কাজ হওয়া দরকার সেগুলো হবে। এরপর কাল সকালে সেখান থেকে রওনা দিয়ে জাতীয় সংসদে নেওয়া হবে। মূল রাস্তা দিয়েই তার মরদেহ সেখানে নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা আছে, সেজন্য হয়তো একটু বেশি সময় লাগবে।
৫৩ দিন আগে
কর্মচারীদের দাবি প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব
‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিল করার বিষয়ে কর্মচারীদের দাবি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অবহিত করা হবে। তার কাছে দাবিগুলো তুলে ধরবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
বুধবার (২৮ মে) সকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বাতিল করার বিষয়ে কর্মচারীদের দাবিগুলো তুলে ধরেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদসহ কয়েকজন সচিব।
এর আগে, গতকাল (মঙ্গলবার) আন্দোলনরত সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন তারা। বৈঠকে কর্মচারীরা অধ্যাদেশটি সম্পূর্ণ বাতিলের দাবি জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সালেহ আহমেদ বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে কর্মচারীদের দাবিসহ গতকালের আলোচনার বিষয়টি জানিয়েছি। এখন এ বিষয়ে তার পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। তাই তিনি বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার কাছে তুলে ধরবেন।’
আরও পড়ুন: সচিবালয়সহ সারা দেশে মঙ্গলবার বিক্ষোভের ডাক
স্থানীয় সময় বুধবার (২৮ মে) দুপুর ২টা ৫মিনিটে চার দিনের সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা। ৩১ মে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
সালেহ আহমেদ আরও বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা দেশে ফেরার পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব বিষয়টি তার কাছে তুলে ধরবেন।’
এদিকে, গতকাল ভূমি সচিবের সঙ্গে আলোচনা পরিপ্রেক্ষিতে আজকের কর্মসূচি স্থগিত করেন কর্মচারীরা। চলমান পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান জানাতে আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলনও ডেকেছেন সচিবালয়ের আন্দোলনরত কর্মচারীরা।গত রবিবার (২৫ মে) চার ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধের জন্য বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধুমাত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে চাকরিচ্যুত করা যাবে—এমন বিধান রেখে 'সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫' জারি করে সরকার।
তবে ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদনের পর থেকেই সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আইনটি প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়ে বিক্ষোভ করে আসছিলেন।
২৬৯ দিন আগে
সরকারি চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে আন্দোলন স্থগিত
সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বাতিলের দাবিতে চলমান আন্দোলন আপাতত স্থগিত করেছেন কর্মচারীরা। মঙ্গলবার (২৭ মে) বিকেলে সচিবালয়ে সরকারের তিন সচিবের সঙ্গে কর্মচারীদের বৈঠক শেষে এমন সিদ্ধান্ত এসেছে।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘তাদের সঙ্গে আমাদের ভালো আলোচনা হয়েছে। এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে তাদের দাবিগুলো মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে তুলে ধরা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামীকাল (বুধবার) কোনো কর্মসূচি নেই। তারা আন্দোলন স্থগিত করেছেন। সরকার যা সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই চূড়ান্ত। আমাদের কারো সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই, আমরা সবাই সহকর্মী।’আরও পড়ুন: সচিবালয়ে আজ কোনো দর্শনার্থী ঢুকতে পারবেন না
এ সময় আন্দোলনকারীদের পক্ষে দুইজন কথা বলেন, তারাও আন্দোলনের স্থগিতের বিষয়ে সম্মত হয়েছেন বলে জানান।
সচিবালয়ে কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলনের মধ্যে মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ বেশ কয়েকজন সচিবকে নিয়ে জরুরি সভা করেন।
ওই সভায় সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ পর্যালোচনায় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। সেই সভা থেকেই কর্মচারী নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে ভূমি সচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এর আগে বিকেল পৌনে ৩টায় সচিবালয়ের ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব।
আন্দোলনের চতুর্থ দিনে মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের পাশে বাদামতলায় জড়ো হয়ে কর্মচারীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। এ কারণে সচিবালয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশ এদিন নিষিদ্ধ করা হয়। গেটগুলোতে নেওয়া হয় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দুপুরের পর সাংবাদিকদের সচিবালয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়।
২৭০ দিন আগে
নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ
ড. শেখ আব্দুর রশিদকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে আগামী দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব নিলুফা ইয়াসমিন সই করা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৪ অক্টোবর বা যোগদানের দিন থেকে তার দুই বছরের চাকরির মেয়াদ গণনা করা হবে।
সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী ড. রশিদকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
৫০১ দিন আগে
মুখ্য সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবের মেয়াদ শিগগিরই শেষ হচ্ছে, আলোচনায় ৪ প্রার্থী
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের মেয়াদ এ বছরই শেষ হতে যাচ্ছে। এরপর কারা এ পদে আসছেন তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে এরই মধ্যে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেনের চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে অক্টোবরে এবং মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে জুলাইয়ে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এসব শীর্ষ পদ পূরণের জন্য নতুন মুখ বেছে নেওয়া হতে পারে।
মুখ্য সচিব পদের জন্য বর্তমানে চারজন সচিব বিবেচনায় রয়েছেন- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তফা কামাল, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।
তবে এসব পদে সচিব নিয়োগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বর্তমানে শীর্ষ এ দুটি পদে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ১৯৮৬ (৮ম) ও ১৯৮৭ (৯ম) ব্যাচের কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের চুক্তি নবায়ন করা না হলে নবম ও দশম বিসিএস ব্যাচ থেকে নতুন নিয়োগ আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার চুক্তির মেয়াদ জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে এবং মাহবুব হোসেনের সঙ্গে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে চুক্তি শেষ হবে।
আরও পড়ুন: বাজেট ২০২৪-২৫: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ ৫ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন ইউএনবিকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী পদগুলোতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকে নিরুৎসাহিত করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনের আগ মুহূর্তে কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সচিব পদে চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে এই মুহূর্তে আর প্রয়োজন দেখছি না। তবে প্রশাসনের কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও কারিগরি পদে চুক্তিতে নিয়োগ দেয় সরকার।
জানা যায়, প্রশাসনের শীর্ষ দুটি পদে সাধারণত জ্যেষ্ঠতার নীতি অনুসরণ করা হয়। এবারও তেমনটি হলে ৩-৪ জনের মধ্যে থেকেই দুজন উঠে আসতে পারেন। নবম ব্যাচের দুজন সচিব নিয়মিত চাকরিতে আছেন।
তারা হলেন- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন।
তবে মুনিরুছ সালেহীনের আগামী ২৮ আগস্ট অবসরে যাওয়ার কথা। মেজবাহ উদ্দিনের চাকরির মেয়াদ আছে আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রশাসনের অনেকে বলছেন, সব ঠিক থাকলে মেজবাহ উদ্দিনেরই মন্ত্রিপরিষদ সচিব হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
মুখ্য সচিব পদের জন্য আলোচনায় আছেন দশম ব্যাচের মোস্তফা কামাল ও জাকিয়া সুলতানা। দুজন ২০২০ সালের ২৪ ডিসেম্বর একই প্রজ্ঞাপনে সচিব হন। তাদের মধ্যে মোস্তফা কামাল আগামী বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ও জাকিয়া সুলতানা ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর অবসরে যাবেন। তবে এই পদে মোস্তফা কামালের নামই বেশি শোনা যাচ্ছে।
তিনি প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন’র বর্তমান সভাপতি। আর জ্যেষ্ঠতার নীতি অনুসরণ করা না হলে ১৩ ব্যাচের কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সালাহ উদ্দিন মুখ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন বলে কেউ কেউ মনে করছেন।
তবে নতুন করে আর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ চান না প্রশাসনের বেশিরভাগ কর্মকর্তা।
আরও পড়ুন: চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর ওপর: মন্ত্রী
সচিবালয়ে বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রশাসনের কেউই চান না, শীর্ষ পর্যায়সহ সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হোক। তাদের মতে, স্বাধীনতার ৫৩ বছরে জনপ্রশাসন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও টানা ১৬ বছরের বেশি সময় ধরে সরকার পরিচালনা করছেন। প্রশাসনের প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয় তার নখদর্পণে। তাই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের আর প্রয়োজন নেই।
আবার অনেকে যুক্তি দেখিয়ে বলেন, বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিব দুজনই চুক্তিতে কর্মরত। তারাও কিন্তু একসময় নতুন মুখ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। সুতরাং, নতুনেরাও সুযোগ পেলে পুরোনোদের মতো সংশ্লিষ্ট পদে যোগ্যতার প্রমাণ দেবেন। তাই সিনিয়র সচিবদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতা, যোগ্যতা ও মেধায় যারা এগিয়ে, তাদেরই এসব পদে নিয়োগ দেওয়া উচিত বলে শীর্ষ স্থানীয় আমলারা মনে করেন।
সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহিদ খান ইউএনবিকে বলেন, সচিব পদে চুক্তিতে একটি নিয়োগ হলে, চার স্তরে পদোন্নতি থেমে যায়। এতে অতিরিক্ত সচিব যেমন সচিব হতে পারেন না, তেমনি যুগ্ম সচিবও অতিরিক্ত সচিব হতে পারেন না। একইভাবে উপসচিব ও সিনিয়র সহকারী সচিবেরাও বঞ্চিত হন। তাই শুধু প্রশাসন নয়, সব ক্যাডারেই সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়মিত কর্মকর্তাদেরই নিয়োগ দেওয়া উচিত।
প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রায় অভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার।
তিনি ইউএনবিকে বলেন, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ আইনের খেলাপ না হলেও চুক্তির সংস্কৃতি থেকে সরে আসার সময় হয়েছে। চুক্তি হলে তার পরবর্তী ব্যাচের সদস্যরা সচিব থেকে বঞ্চিত হন।
আরও পড়ুন: আমলাদের সন্তানের জন্য আলাদা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিন্তা সরকারের নেই
৬২৪ দিন আগে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং দ্রব্যমূল্যে নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সচিবদের বৈঠকে তিনি এই নির্দেশ দেন। সভা শেষে বিকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন এ তথ্য জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে নজরদারির ক্ষেত্রে একটা সুনির্দিষ্ট এরিয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। অনেক সময় দ্রব্যমূল্যের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে চাঁদাবাজির প্রসঙ্গ আসে, সংবাদ ছাপা হয়। তাই সংশ্লিষ্ট সবাইকে শক্তহাতে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন
মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে একটি বিষয়ের দিকে নজর দিতে বলেছেন। বিশেষ করে ছিনতাই, কিশোরগ্যাং বা এ রকম যেসব অপরাধ হচ্ছে, সেক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন করে নজর দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।’
আরও পড়ুন: আগামী রোজা পর্যন্ত দেশে কোনো খাদ্যসংকট হবে না: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
৭৪৭ দিন আগে